মুনাফা কমেছে, তবুও লভ্যাংশ দেয়ার চেষ্টায় এনভয় টেক্সটাইল

0
515

মোহাম্মদ তারেকুজ্জামান : এনভয় টেক্সটাইল লিমিটেড। প্রতিনিয়ত বাড়ছে কোম্পানিটির উৎপাদন ব্যয়। উৎপাদন ও পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও মুনাফা কমছে। যার প্রভাব পড়েছে লভ্যাংশ প্রদানে। যে কারণে কোম্পানির কর্তৃপক্ষ ৩ বছর প্রদান করলেও ধারাবাহিকভাবে পরিমাণ কমেছে। তবুও লভ্যাংশ প্রদানের ধারাবাহিকতা রাখতে চেষ্টা করছে কোম্পানির কর্তৃপক্ষ।

কোম্পানির ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালে এনভয় টেক্সটাইল লিমিটেড সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ১৭ শতাংশ নগদ  এবং ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ প্রদান করে। তবে ২০১৫ সালের তুলনায় ২০১৬ কোম্পানিটির লভ্যাংশ প্রদানের পরিমাণ কমে।

২০১৬ সালে কোম্পানিটি নগদ ও বোনাস মিলে ১৫ শতাংশ ডিভিডেন্ড দিয়েছে। অর্থাৎ ১২ শতাংশ নগদ এবং ৩ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে। এরপরে ২০১৭ সালে পরিমাণ আরও কমে। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কোম্পানিটি ২০১৭ সালে ৭ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে।

কোম্পানির লভ্যাংশ প্রদানের চিত্রটি রোববার ডিএসই থেকে নেয়া

ধারাবাহিকভাবে লভ্যাংশ কমতে থাকায় কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের কার্যক্রম নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। তবে চলতি বছরে গত বছরের ধারাবাহিকতা রাখার চেষ্টা করছেন বলে জানান কোম্পানিটির উর্দ্ধতন একজন কর্মকর্তা।

২০১২ সালে পুঁজিবাজার তালিকাভূক্ত এনভয় টেক্সটাইলের ২০১৮ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ০ দশমিক ৪৯০ টাকা। দ্বিতীয় প্রান্তিক তা কমে দাঁড়িয়েছে ০ দশমিক ৪৬০ টাকা। আর তৃতীয় প্রান্তিকে কিছুটা বেড়ে শেয়ারপ্রতি আয় দাঁড়িয়েছে ০ দশমিক ৪৮০ টাকা। অর্থাৎ গত তিন প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মোট আয় হয়েছে ১ দশমিক ৪৪০ টাকা।

৪শ কোটি টাকার অনুমোদিত মূলধন কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন ১৬৪ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। কোম্পানিটির ধারাবাহিকভাবে কমেছে মুনাফা।

কোম্পানির মুনাফার চিত্রটি রোববার ডিএসই থেকে নেয়া।

২০১৫ সালে কোম্পানিটি প্রফিট করেছে ৫৭ কোটি ১২ লাখ টাকা। ২০১৫ অক্টোবর থেকে ২০১৬ জুন পর্যন্ত কোম্পানিটি প্রফিট করেছে ৩৫ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। অার ২০১৭ সালে কোম্পানিটি প্রফিট করেছে ৩২ কোটি ১১ লাখ টাকা।

রোববার কোম্পানিটির ক্লোজিং প্রাইজ ছিল ৩৩ দশমিক ৩০ টাকা। গত ৫২ সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি দর ওঠানামা করেছে ২৯ টাকা থেকে ৪১ টাকার মধ্যে। ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরের এনভয় টেক্সটাইলের রিজার্ভে রয়েছে ৩২৬ কোটি ৬৪ লাখ টাকা।

‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানিটির মোট শেয়ার রয়েছে ১৬ কোটি ৪৪ লাখ ৪৫ হাজার ৮৫১টি। তার মধ্যে স্পন্সর ডিরেক্টরদের শেয়ার রয়েছে ৪৫ দশমিক ৫৯ শতাংশ, সাধারণ বিনিয়োগকারীদের রয়েছে ১৪ দশমিক ২৬ শতাংশ। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের শেয়ার রয়েছে ৩৯ দশমিক ৮৬ শতাংশ। আর বিদেশী বিনিয়োগ রয়েছে ০ দশমিক ২৯ শতাংশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here