বিজিএমইএকে মুচলেকা দিতে হবে, ভবন ভাঙার আদেশ বুধবার

0
151

স্টাফ রিপোর্টার : সর্বোচ্চ আদালতের আদেশ সত্ত্বেও রাজধানীর হাতিরঝিলে অবস্থিত বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) বহুতল ভবন ভাঙতে এক বছরের সময় চেয়ে করা আবেদনের বিষয়ে বুধবার আপিল বিভাগ আদেশের দিন ধার্য করেছেন।

বিজিএমইএর আবেদনের ওপর শুনানি শেষে আদালত বিজিএমইএ ভবন ভাঙতে বারবার সময় না চাওয়ার শর্তে একটি মুচলেকা জমা দিতে নির্দেশ দেন।

মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন ৪ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ দিন ধার্য করেন। আদালতে বিজিএমইএর পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী কামরুল হক সিদ্দিকী। রিটের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মনজিল মোরশেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

বিষয়টি আদেশের জন্য আদালতে এলে প্রধান বিচারপতি বিজিএমইএর আইনজীবীকে বলেন, আপনারা তো বারবার আসেন। ইউ আর প্লেয়িং উইথ কোর্ট অর্ডার। এটা সো আনফরচ্যুনেট। আপনার নিজেরও তো বিষয়টি নিয়ে আদালতে দাঁড়াতে দ্বিধা হওয়ার কথা। আদালতের প্রেসটিজ চলে যাবে আর আপনি আপনার ক্লায়েন্টের জন্য আসবেন এটা হতে পারে না।

প্রধান বিচারপতি বলেন, সময় কতবার নিয়েছেন, এরপর আবার বলবেন আবার আসবেন। বারবার আসতেই থাকবেন। এ সময় কামরুল হক সিদ্দিকী বলেন, তারা এ পর্যন্ত তিনবার সময়ের আবেদন করেছেন। বিচারপতি ইমান আলী তখন জানতে চান, ভবন ভাঙতে এ পর্যন্ত কি কি পদক্ষেপ বিজিএমইএ নিয়েছে।

জবাবে কামরুল বলেন, তারা কার্যালয় সরানোর জন্য জায়গা খুঁজছেন। বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী এ সময় বলেন, যে স্টেপ নিয়েছেন তাতে তো ৫ বছর লেগে যাবে। কামরুল হক সিদ্দিকী বলেন, ক্লায়েন্টের জন্যই তো আমাকে সময়ের আবেদন করতে হয়। এটা তো আমার প্রফেশনাল ডিউটি।

প্রধান বিচারপতি তখন বলেন, তাহলে আপনাদের আন্ডারটেকিং দিতে হবে যে, আর সময় চাইবেন না। তাহলে আমরা বিবেচনা করতে পারি। কামরুল হক তাতে সম্মতি জানালে আদালত আদেশ অপেক্ষমাণ রাখে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের এপ্রিল মাসে ভবন ভাঙতে আদালতের দেয়া নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগেই সময় চেয়ে আবেদন করেন বিজিএমইএ কর্তৃপক্ষ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here