শ্যামল রায়ঃ আমি তারিকুল ইসলাম। একজন ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী। অনেকদিন ধরে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করছি। আমি মূলত একজন চাকুরে। চাকুরীর পাশাপাশি যে সময়টুকু পাই, সে সময়টুকুতে শেয়ার ব্যবসায় ইনভেষ্ট করছি। এটি আমার সময়টাও কাটে কিছু টাকাও লাভ হয়।

তবে আমার  মনে হয় শেয়ার বাজারে চোখ কান খোলা রেখে বিনিয়োগ করা উচিৎ। কারণ যে কোণ সময় কোন আইটেম দাম কমছে বা বাড়ছে তার খবর রাখা উচিত। তা না হলে পোর্টফোলিওতে হয়ত স্টক ঠিকই থাকবে। কিন্তু দাম কমে যাবে।

আরেকটে বিষয় খেয়াল রাখা উচিত। এখানে স্রোতের বিপরীতে চলার অভ্যাস করতে হবে। আমি বিভিন্ন হাউসে ট্রেড করার সুবাধে দেখেছি, কেউ কোন আইটেম কিনলে সবাই হুমড়ী খেয়ে পরে ঐ আইটেমটি কেনার জন্য।  কিন্তু কেনার পর স্টকটির দাম কমবে বা বাড়বে তা নিয়ে কারও মাথা ব্যাথা নেই।  ফলে অবধারিত ভাবেই দাম কমে যায় এবং তারা লস খায়।

কোম্পানি সম্পর্কে কেউ কোন ধরনের এনালাইসিস না করেই স্টকটি কিনে থাকে এর ফলও তারা হাতে নাতে পাই। পোর্টফোলিও দেখলে বুঝা যায় কার কি লাভের পরিমান। অথচ প্রতিদিন হাউসের সামনে সাড়িতে বসে প্রচুর লোকজন বাই সেল করছে। কোন ধরনের পলিসি কিংবা স্ট্রাটেজি এ্যাপ্লাই না করে কিভাবে ব্যবসা করা যায় এটা আমার বোধগম্য নয়।

মার্কেট এই মুহুর্তে আপট্রেন্ডেই। এই মার্কেটে সব সময় ভয় থাকবেই। কারণ পর্দার ওপারে কি হচ্ছে বোঝা মুশকিল। আমরা ট্রেড করি মূলত প্রেডিক্ট করে। অনেকটা জলের তলে পা ফেলানোর মত। তবে এটা কোন বিজনেস পলিসি হতে পারে না। লাভ করতে হলে কিছু পরিকল্পনা অন্তত থাকা দরকার।

সামনে আশা করছি ব্যাংক সেক্টর ভালো হবে। কারণ ডিভিডেন্ট দেওয়ার পর মার্কেট এডজাস্ট হচ্ছে। এটা মূলত ব্যাংক কেনারি সময়। হয়ত একটু কারেকশনের অফশন থাকতে পারে। তবে ব্যাংক আরও ভালো হবে। যেহেতু সামনে নির্বাচন সেহেতু  শেয়ার মার্কেট খারাপ হওয়ার সুযোগ কম। সরকার কষ্ট করে হলেও মার্কেট ধরে রাখার চেষ্টা করবেন। তাই আমরা বিনিয়োগকারীরা এই সুযোগটুকু নিতেই পারি।

1 COMMENT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here