বৃহৎ ও মাঝারি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন বাড়ছে

0
1658

স্টাফ রিপোর্টার : বৃহৎ ও মাঝারি মূলধনী কোম্পানিরর শেয়ার লেনদেন বেশি হওয়ায় ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে পুঁজিবাজার। ওষুধ ও রসায়ন এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের কম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে বেশি। মোট লেনদেনের প্রায় ৩১ শতাংশই এই খাতের। বৃহস্পতিবার সকালেও শুরু হয় একই ধারায় শেয়ার লেনদেন।

এ ছাড়া আর্থিক খাতের নন-ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানের লভ্যাংশ ঘোষণা করায় লেনদেনও বেড়েছে। পুঁজিবাজারের ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক ও লেনদেন বেড়েছে। বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ার দামও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। যদিও আগের দিনও দুই বাজারেই সূচক ও লেনদেন বেড়েছিল।

আইডিএলসির প্রতিবেদন বলছে, বৃহৎ ও মাঝারি মূলধনের কোম্পানির শেয়ার লেনদেন বেশি হওয়ায় ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে পুঁজিবাজার। বড় মূলধনী কোম্পানির লেনদেন বেড়েছে ০.৪ শতাংশ আর মাঝারি মূলধনের কম্পানির বেড়েছে ০.৭ শতাংশ। এই প্রভাবে ডিএসইর মূল্যসূচক ২০ পয়েন্ট বেড়েছে।

ইতিমধ্যে অনেক কোম্পানির বার্ষিক হিসাব শেষে লভ্যাংশ ঘোষণা করছে। লেনদেনে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের অবদান ১৯.৩ শতাংশ। এ ছাড়া বারাকা পাওয়ার, পদ্মা অয়েল ও তিতাস গ্যাসের শেয়ারের লেনদেন বেশি হয়েছে, যা শীর্ষ ১০ কোম্পানির এসেছে। এই খাত বাজারে দ্বিতীয় শীর্ষে রয়েছে।

এদিকে খাতভিত্তিক লেনদেনে শীর্ষে রয়েছে ওষুধ ও রসায়ন খাত। এই খাতে লেনদেন হয়েছে ১৯৯ কোটি চার লাখ টাকা বা মোট লেনদেনের ১৫.৪৫ শতাংশ। আগের দিন এই খাতে লেনদেন ছিল ১৮৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা বা ১৫ শতাংশ।

বুধবার ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৩০৯ কোটি ১৫ লাখ টাকা। আর মূল্যসূচক বেড়েছে প্রায় ২১ পয়েন্ট। সেই হিসাবে সূচক বেড়েছে ০.৪ শতাংশ।

আগের দিন লেনদেন হয়েছিল এক হাজার ২৯৭ কোটি ৯৪ লাখ টাকা আর সূচক বেড়েছিল ২২ পয়েন্ট। আগের দিনের চেয়ে লেনদেন বেড়েছে ১১ কোটি ২১ লাখ টাকা বা ০.৯ শতাংশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here