আমান ফিডের ব্রোকারেজ হাউজে আবেদন চলছে কেমন?

3
2877

হোসাইন আকমল : প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে টাকা উত্তোলন করছে আমান ফিড লিমিটেড। চলতি বছরের ২৫ মে, সোমবার থেকে শুরু হয়েছে আমান ফিডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে  আবেদন। ৪ জুন, বৃহস্পতিবার আবেদনের শেষ দিন।

আইপিও আবেদনের নতুন পদ্ধতির আওতায় শুধু ডিপোজিটরি পার্টিসিপেন্ট (ডিপি) তথা ব্রোকারহাউজ ও মার্চেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে আবেদন জমা দেওয়া যাবে। এর আগে পরীক্ষামূলকভাবে পদ্ধতিটি চালু করা হয়েছিল। তখন ব্যাংক কিংবা ডিপি- যে কোনো একটির মাধ্যমে আবেদন করার সুযোগ পেতেন বিনিয়োগকারীরা।

আমান ফিডের আইপিওতে আবেদনের শেষ দিনে রাজধানীর কারওয়ানবাজারের কয়েকটি সিকিউরিটিজ হাউজের চিত্র-

বিডিবিএল সিকিউরিটিজ : বিডিবিএল সিকিউরিটিজে আইপিও আবেদন জমাদানের অনেকটা চাপ লক্ষ্য করা গেছে। আবেদন শুরুর দিন থেকে হাউজটিতে এ পর্যন্ত সাধারণ ও ক্ষতিগ্রস্ত মিলে প্রায় ৩ হাজারটি আইপিও আবেদন জমা পড়েছে। টাকার অংকে সাধারণ ও ক্ষতিগ্রস্ত মিলে একত্রে ২ কোটি ১৬ লাখ টাকা।

সিনহা সিকিউরিটিজ : হাউজটিতে এ পর্যন্ত সাধারণ ও ক্ষতিগ্রস্ত মিলে প্রায় ২ হাজার ৫ শতটি আইপিও আবেদন জমা পড়েছে। টাকার অংকে সাধারণ ও ক্ষতিগ্রস্ত মিলে একত্রে ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

DSC02552মাইকা সিকিউরিটিজ : হাউজটিতে এ পর্যন্ত সাধারণ ও ক্ষতিগ্রস্ত মিলে প্রায় ২ হাজার ২৫টি আইপিও আবেদন জমা পড়েছে। টাকার অংকে সাধারণ ও ক্ষতিগ্রস্ত মিলে একত্রে ১ কোটি ৪৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

DSC02555জিএমএফ সিকিউরিটিজ : আবেদন শুরুর দিন থেকে হাউজটিতে এ পর্যন্ত সাধারণ ও ক্ষতিগ্রস্ত মিলে প্রায় ৫ শতটি আইপিও আবেদন জমা পড়েছে। টাকার অংকে সাধারণ ও ক্ষতিগ্রস্ত মিলে একত্রে ৩৬ লাখ টাকা।

২০০৫ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয় আমান ফিড লিমিটেড। ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও ২০০৬ সালের ১২ জুলাই থেকে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনে আসে কোম্পানিটি। জার্মান থেকে আমদানীকৃত অত্যাধুনিক মেশিনারিজ সংযুক্ত করার পর উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এতে প্রতি ঘণ্টায় ১০ মেট্রিক টন এবং প্রতি মাসে ৬০০০ মেট্রিক টন খাদ্য-পণ্য উৎপাদন করে। পোল্ট্রি শিল্প, মাছ এবং গবাদী পশুর খাদ্য সমগ্র দেশে সরবরাহ করে থাকে আমান ফিড। এজন্য সারা দেশে সক্রিয় রয়েছে তাদের অনুমোদিত ২০০ জন ডিলার।

উল্লেখ্য, কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে ৭২ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। কোম্পানিকে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সাথে ২৬ টাকা প্রিমিয়ামসহ ৩৬ মূল্যে শেয়ার ইস্যুর অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। ২০০টি শেয়ারে কোম্পানির মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে। সে হিসেবে প্রতিটি লটের ক্রয়মূল্য দাঁড়ায় ৭ হাজার ২০০ টাকা।

আইপিওর মাধ্যমে সংগ্রহ করা টাকা ব্যবসা সম্প্রসারণ, দীর্ঘ মেয়াদি ঋণ পরিশোধ, চলতি মূলধন এবং আইপিওর কাজে ব্যয় করবে কোম্পানিটি। কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে লঙ্কাবাংলা ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থ বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী আমান ফিডের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ টাকা ৯৭ পয়সা। নেট এসেট ভ্যালু (এনএভি) হয়েছে ৩০ টাকা ৭৭ পয়সা ।

3 COMMENTS

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here