ব্যাসলে-৩ নীতমালার ফাঁদে ব্যাংকগুলো

0
2099

স্টাফ রিপোর্টার :  ব্যাংক খাতকে ঝুঁকিভিত্তিকি মূলধন র্পযাপ্ততা অনুপাত নিশ্চিত করতে আগামী ২০১৫ সালে দেশের সকল ব্যাংকগুলোর জন্য ব্যাসলে-৩ নীতমিালা র্কাযকর করতে হবে। এজন্য ব্যাংকগুলো সময় পাবে পাঁচ বছর। এ সময়রে মধ্যে ব্যাংকগুলোকে তাদরে ঝুঁকি ভিত্তিকি সম্পদের বিপরীতে মূলধন ১২.৫০ শতাংশ হারে বাড়াতে হবে, যা র্বতমানে ১০ শতাংশ হারে সংরক্ষণরে বিধান রয়েছে।

বাংলাদশে ব্যাংক সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, সম্প্রতি বাংলাদশে ব্যাংকরে পক্ষ থেকে  সকল ব্যাংক ব্যবস্থাপনা পরচিালক ও প্রধান নির্বাহীদের ব্যাসলে-৩ সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংক নতুন নীতমিালার ব্যাপারে তাদের মতামত পাঠাতে বলা হয়েছে। এর আগে চলতি বছররে ৩১ র্মাচ বাংলাদেশ ব্যাংকে এক নির্দেশনার মাধ্যমে ব্যাংকগুলোকে এপ্রলি থেকে জুনের মধ্যে ব্যাসলে-৩ র্কাযকর করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেয়ার কথা বলা হয়েছিল।

ব্যাসেল-৩ বাস্তবায়ন বিষয়ে একটি কর্মসূচি ঠিক করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সে অনুযায়ী, ২০১৪ সালের জুলাই থেকে বর্তমানের মতো ব্যাংকগুলোর ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের ১০ শতাংশ মূলধন রাখতে হবে। এই ১০ শতাংশের মধ্যে অন্তত ৪ শতাংশ হতে হবে উদ্যোক্তা মূলধন। আর ২০১৬ সাল থেকে প্রয়োজনীয় এ মূলধনের অতিরিক্ত মূলধন সংরক্ষণ করে ২০১৯ সালে তা ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের সাড়ে ১২ শতাংশে উন্নীত করতে হবে। মূলধনের অতিরিক্ত অর্থ আপদকালীন সুরক্ষা সঞ্চয় (কনজারভেশন বাফার) হিসেবে গণ্য করা হবে।

ব্যাংকিং পরিভাষায় টায়ার-১ নামে পরিচিত ঘরে এ পরিমাণ সম্পদ রাখতে হবে। এর পাশাপাশি টায়ার-২ নামে পরিচিত অংশে স্বল্পমেয়াদি তারল্য ঝুঁকি মোকাবেলার জন্য ব্যাংকগুলোকে তারল্য কভারেজ রেশিও এবং দীর্ঘমেয়াদি তারল্য ঝুঁকি মোকাবেলার জন্য নিট স্থিতিশীল তহবিল (স্ট্যাবল ফান্ডিং) রেশিও প্রতিপালন করতে হবে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের ঝুঁকির ওপর নির্ভর করে টায়ার-২ সংরক্ষণ করতে হবে।

সুইজারল্যান্ডের ‘ব্যাসেল’ নামক স্থানে ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল সেটেলমেন্টের (বিআইএস) সদর দফতর অবস্থিত। সে স্থানের নাম অনুযায়ী ব্যাংক খাতের আন্তর্জাতিক বিধানকে ব্যাসেল নামে নামকরণ করা হয়। আন্তর্জাতিকভাবে গৃহীত এসব নীতিমালা ব্যাসেল-১, ব্যাসেল-২ এবং ব্যাসেল-৩ নামে পরিচিত।

বাংলাদেশে ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ব্যাংকগুলোয় ব্যাসেল-২ নীতিমালা বাস্তবায়ন শুরু হয়। বিভিন্ন পর্যায় অতিক্রম করে ব্যাংকগুলোকে ২০১১ সালের জুলাই থেকে নূ্যনতম ৪০০ কোটি টাকা অথবা ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের ১০ শতাংশ যেটি বেশি সে পরিমাণ অর্থ মূলধন হিসেবে সংরক্ষণ করতে হচ্ছে। একটি সময় শুধু ঋণ ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে এ পরিমাণ অর্থ সংরক্ষণ করতে হতো। তবে বর্তমানে ঋণ, বাজার ও পরিচালন ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে তার বিপরীতে মূলধন সংরক্ষণ করতে হচ্ছে।

ব্যাংকগুলোকে ২০১৬ সালরে মধ্যে তাদরে ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের বিপরীতে ১০.৬৩ শতাংশ মূলধন সংরক্ষণ করতে হবে,২০১৭ সালে ১১.২৫ শতাংশ, ২০১৮ সালে ১১.৮৮ শতাংশ এবং ২০১৯ সালে ১২.৫০ শতাংশ সংরক্ষণ করার কথা বলা হয়েছে।

ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের বিপরীতে ব্যাংকগুলোর ন্যূনতম মূলধন সংরক্ষণরে প্রয়োজন রয়েছে। তবে এর আগে ব্যাসলে-২ বাস্তবায়ন করতে গিয়ে বেশ কিছু ব্যাংককে কঠিন সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়েছে। তাছাড়া  ব্যাংকং খাত একটি চ্যালিঞ্জেং সময় পার করছে। তাই ব্যাসলে-৩ নীতমিালা র্পযালোচনা করে আমরা আমাদের মতামত বাংলাদেশ ব্যাংককে জানাব। আশা করি , তারা আমাদরে মতামত গুরুত্বসহকারে বিবেচেনা করবনে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here