বুলিঙ্গার ব্যান্ড

0
956

বুলিঙ্গার ব্যান্ড হচ্ছে একটি ব্যান্ড যেটি একটি বাজারের অথবা একটি শেয়ারের দামের পরিবর্তন (ওঠানামা) পরিমান করে। অর্থাৎ শেয়ারটির দাম বাজারে কতটা ওঠানামা করে সেটি মুলত আমরা একটি বুলিঙ্গার ব্যান্ডের মাধ্যমে বুঝতে পারি। এই বুলিঙ্গার ব্যান্ডের মাঝে একটি সিম্পল মুভিং এভারেজ থাকে এবং এই সিম্পল মুভিং এভারেজের সাথে ২ স্ট্যান্ডার্ড ডেভিয়েসন (Standard Deviation) যোগ এবং বিয়োগ করে ব্যান্ডের ওপরের এবং নিচের ব্যান্ড দুটি গঠিত হয়। যখন বাজার স্থির থাকে অর্থাৎ বেশি ওঠানামা করে না তখন ব্যান্ডগুলো সংকুচিত হয় এবং যখন বাজার বিস্তৃতি লাভ করে তখন ব্যান্ডগুলো প্রসারিত হয়। লক্ষ্য করুন, নিন্ম চিত্রে যখন দামের তেমন কোন পরিবর্তন ঘটে না তখন ব্যান্ডগুলো পরস্পরের কাছাকাছি অবস্থান করে আর যখন দাম বাড়তে শুরু করেছে তখন ব্যান্ডগুলো ছড়িয়ে গেছে।

Screenshot_1

বুলিংঙ্গার ব্যান্ডের একটি দিক সম্পর্কে আপনার একটু পরিষ্কার ধারণা থাকা প্রয়োজন তা হচ্ছে ক্যান্ডলস্টিকের প্রবণতাই থাকে ব্যান্ডের মাঝামাঝিতে ফিরে আসা। অর্থাৎ সব সময় ক্যান্ডলস্টিক গুলো বুলিঙ্গার ব্যান্ডের ভেতরে অবস্থান করবে। এটি হচ্ছে বুলিংঙ্গার বাউন্সের মূল ধারনা। যদি তাই হয় তবে  নিন্মোক্ত চিত্র পর্যবেক্ষন করে বলুন দাম পরবর্তীতে কোনদিকে যাবে?

 Screenshot_2

যদি আপনি বলেন দাম নিচে নেমে আসবে তবে তা সঠিক। আপনি দেখতে পাচ্ছেন দাম আবার ব্যান্ডের মাঝামাঝি স্থানে ফিরে এসেছে। আপনি এইমাত্র যা পর্যবেক্ষন করলেন তা একটি ক্লাসিক বলিংঙ্গার বাউন্স। এই বাউন্সটি সংঘটিত  হয়েছে কারন বলিংঙ্গার ব্যান্ডটি একটি ছোটখাটো সাপোর্ট ও রেজিস্টেন্স হিসেবে কাজ করেছে। যত বেশি সময়  আপনি বলিংঙ্গার ব্যান্ডে যুক্ত করবেন তত ব্যান্ডগুলি শক্তিশালী হবে। অনেক ট্রেডাররা বলিংঙ্গার বাউন্সেকে কাজে লাগিয়ে সফল হয়েছেন এবং এই স্ট্র্যাটিজি সবচেয়ে সফল যখন বাজার বিস্তৃতি লাভ করে এবং যখন অনান্য ট্রেন্ডগুলি হতে আমরা সুস্পষ্ট ইংগিত পাই না। এখন আমরা বাজারের পরিবর্তনে বলিংঙ্গার ব্যান্ড কিভাবে কাজ করে তা দেখবো। 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here