ইমরান হোসেন : বিশ মিনিটেই আরএকে সিরামিকস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের ১৮ তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) বুধবার শেষ হয়। এজেন্ডা পাশ, টেকসই প্রবৃদ্ধির মাধ্যেমে শেয়ারহোল্ডারদের ভেলু বৃদ্ধির প্রত্যাশা, বিনিয়োগকারীদের হতাশা এবং মুক্ত আলোচনার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করার মধ্য দিয়ে শেষ হয় সাধারণ বার্ষিক সভা।

২৯ মার্চ সকাল ১০টায় বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটিতে পবিত্র কোরআন তিলওয়াতে মাধ্যমে শুরু হওয়া এজিএমে কোম্পানি চেয়ারম্যানে বক্তব্য উপস্থাপন, এজেন্ডাসমুহ  উপস্থাপন এবং তা পাশ ইত্যাদি বিষয় ছিল এর কেন্দ্রবিন্দু। সভায় ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ সমাপ্ত হিসাব বছরের লভ্যাংশ, নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও অন্যান্য এজেন্ডা অনুমোদিত হয়।

২০১৬ হিসাব বছরের জন্য ২০ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে আরএকে সিরামিকসের পরিচালনা পর্ষদ। যেখানে রেকর্ড ডেট ছিল ১৪ ফেব্রুয়ারি। গেল হিসাব বছরে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৭২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ২৫ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর এর শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়ায় ১৮ টাকা ১৪ পয়সা।

সভা চলাকালীন সময়ে সামনের সারিতে বসা কয়েক জন বিনিয়োকারীকে দেখা যায়-এজেন্ডা সমূহ উপস্থাপনা শেষ না হতেই, এজেন্ডা পাশ,পাশ বলে চিৎকার করতে।

লিখিত বক্তব্যে আরএকে সিরামিকস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের চেয়ারম্যান আবদাল্লাহ মাসাদ বলেন, “আমাদের লক্ষ্য আরএকে সিরামিককে বিশ্বমানের দামী ব্রান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা এবং টেকসই প্রবৃদ্ধির মাধ্যেমে শেয়ারহোল্ডারদের ভেলু বৃদ্ধি করা।” এ সময় তিনি কোম্পানীর ভাল প্রবৃদ্ধি কথা উল্লেখ করেন।

চট্টগ্রাম থেকে এজিএমে আসা বিনয়োগকারী শহিদুল ইসলাম হতাশার সুরে বলেন ,”আর্ন্তজাতিক মানের কোম্পানী (আরএকে সিরামিক) আর্ন্তজাতিক মানের কনভেনশন সেন্টারে এজিএম করল কিন্তু এজেন্ডার উপর কোন মতামত বা আলোচনা ছাড়া এজেন্ডা পাশ হওয়ায় আমি হতাশ। কিন্তু কোম্পানীর সার্বিক ব্যবসায়ী কার্যক্রম আমি সন্তুষ্ট। কোম্পানী ইপিএস বাড়ছে, ন্যাভ বাড়ছে কিন্তু কোম্পনী আমাদেরকে সঠিকভাবে কথা বলার সুযোগ দেয়নি।”

নারায়নগঞ্জ থেকে আসা বিনিয়োগকারী রিয়াজুল ইসলাম বলেন, “এজিএম এ কোম্পানীর নানা বিষয়ে বিনিয়োগকারীদরে মুক্ত আলোচনা করতে দেওয়া উচিত, যেটা আমরা পেলাম না। তবে কোম্পনী  ব্যবসা ও  ভাল লাভ্যাংশ  প্রদানকে ইতিবাচক হসেবে উল্লেখ করেন।

উল্লেখ্য, এজিএম এ উপস্থিত ছিলেন ব্যাবস্থাপনা পরিচালক এস.এ.কে একরামুজ্জামান,পরিচালক প্রমোদ কুমার চাঁদ,স্বতন্ত্র পরিচালক  ব্যারিস্টার ফাহিমুল হক প্রমুখ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here