সিনিয়র রিপোর্টার : বেসরকারি খাতে বাংলাদেশে সর্ব বৃহৎ বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি সামিট পাওয়ার। বর্তমানে এর উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৬২৫ মেগাওয়াট। চলতি বছরের মার্চ মাসে উৎপাদনে এসেছে নতুন দুই সহযোগী কোম্পানি। আরো আসছে গাজীপুর ৩০০ মেগাওয়াট নামে নতুন প্রজেক্ট। সব মিলে বিপুল সম্ভাবনার দুয়ারে হাঁটছে কোম্পানিটি। 

চলতি বছরের মার্চ মাসে উৎপাদনে আসা প্রকল্প দুটি হলো- ৫৫ মেগা ওয়াট ক্ষমতার সামিট নারায়ণগঞ্জ-২ (সামিট পাওয়ারের মালিকানা ৪৯ শতাংশ)। ১১০ মেগাওয়াট ক্ষমতার সামিট বরিশাল (সামিটে পাওয়ারের মালিকানা ৪৯ শতাংশ)।

অপর দিকে আগামী বছরের সেপ্টেম্বর নাগাদ উৎপাদনে আসার কথা রয়েছে ১৪৯ মেগাওয়াট ক্ষমতার এসিই পাওয়ার লিমিটেড। এই কোম্পানিতে সামিট পাওয়ার মালিকানা ৬৪ শতাংশ। এছাড়াও সরকারের অনুমোদন পাবার অপেক্ষায় আছে প্রস্তাবিত সামিট গাজীপুর ৩০০ মেগাওয়াট প্রজেক্ট। অনুমদোন পেলে শর্ত অনুযায়ী এই প্লান্ট আগামী গ্রীষ্মের আগেই উৎপাদনে আসবে।

শুধু ডিজেল বা ফার্নেস অয়েল বেজ পাওয়ার প্রান্টই নয়, সামিট গ্যাস ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও তৈরী করছে। আমদানীকৃত এলএনজি ভিত্তিক ৩,০০০ মেগা ওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরীতে গুরুত্বপুর্ন প্রস্তুতি সম্পন্য করেছে সামিট গ্রুপ। এই লক্ষে গঠিত  সিঙ্গাপুর ভিত্তিক সামিট পাওয়ার ইন্টার্নেশনাল ও আমেরিকান জায়ান্ট জেনারেল ইলেক্ট্রনিক্স (জিই)যৌথ বিনিয়োগে বাংলাদেশে ৩,০০০ মেগাওয়াট এলএনজি গ্যাস ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরীর পরিকল্পনা ঘোষনা করেছে।

এরই ধারাবাহিকতায় ৪ আগস্ট সিঙ্গাপুরের একটি হোটেলে জেনারেল ইলেকট্রিকের (জিই)ও এক্সিলারেট এনার্জির সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে কোম্পানিটি। পরিকল্পনা অনুযায়ী বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাশাপাশি মহেশখালীতে এলএনজি আমদানির জন্য নির্মিত হবে ফ্লোটিং টার্মিনাল।

উল্লেখ্য, সামিট পাওয়ার ইন্টার্নেশনালের মালিকানায় রয়েছে বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠান সামিট কর্পোরেশন। বাংলাদেশের ষ্টক মার্কেটে তালিকাভুক্ত সামিট পাওয়ারের ৫২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে এই সামিট কর্পোরেশনের হাতে। মূলত সামিট পাওয়ার হল সামিট কর্পোরেশনের ফ্লাগশিপ কোম্পানি। বাংলাদেশে সামিট কর্পোরেশনের মালিকানাধীন প্রায় সব বিদ্যুৎ প্লান্টের মেজরিটি অথবা মাইনরিটি শেয়ার হোল্ডার হল সামিট পাওয়ার।

দেশীয় স্টক মার্কেটে সামিটের সব পাওয়ার কোম্পানি মার্জ হয়ে ইতিমধ্যেই সামিট পাওয়ার কক বৃহৎ কোম্পানি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। যার পেইডআপ ক্যাপিটাল এখন প্রায় ১ হাজার ১শ’ কোটি টাকা।

2 COMMENTS

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here