বিপিডিবির সঙ্গে ডরিন পাওয়ারের চূড়ান্ত চুক্তি

0
568

স্টাফ রিপোর্টার : ফার্নেস অয়েলভিত্তিক ১১৫ মেগাওয়াটের নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের (বিপিডিবি) সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ডরিন পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড সিস্টেম লিমিটেডের সাবসিডিয়ারি চাঁদপুর পাওয়ার জেনারেশনস লিমিটেড।

বিপিডিবির সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির পাওয়ার পার্চেজ এগ্রিমেন্ট (পিপিএ) স্বাক্ষরিত হয়। চাঁদপুর পাওয়ারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোস্তফা মইন ও বিপিডিবির কোম্পানি সচিব মিনা মাসুদুজ্জামান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

চাঁদপুর পাওয়ারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোস্তফা মইন ও বিপিডিবির কোম্পানি সচিব মিনা মাসুদুজ্জামান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

ডরিন পাওয়ার জানায়, ২০১৭ সালের মে মাসে বিপিডিবি থেকে চাঁদপুরে হেভি ফুয়েল অয়েলভিত্তিক (এইচএফও) এ বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের প্রাথমিক অনুমোদন হিসেবে লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) দেয়া হয়েছে। যা স্টক এক্সচেঞ্জকে জানানো হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী আগামী ১৮ মাসের মধ্যে প্লান্ট স্থাপনের কাজ শেষ করে উৎপাদন শুরু হবে আগামী ১৬ জুলাই ২০১৯।

বিপিডিবির সঙ্গে সম্পাদিত বিদ্যুৎ ক্রয়সংক্রান্ত চুক্তির মেয়াদ ১৫ বছর। নতুন এই বিদ্যুৎ প্রকল্পে ডরিন পাওয়ারের ৬০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। আর বাকি ৪০ শতাংশ শেয়ার গ্রুপের তালিকাবহির্ভূত প্রতিষ্ঠান ডরিন পাওয়ার হাউজ অ্যান্ড টেকনোলজিস লিমিটেডের নামে। নতুন এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন শুরু হলে ডরিনের বিদ্যমান উৎপাদন সক্ষমতা ১৭৭ মেগাওয়াট থেকে বেড়ে ২৯১ মেগাওয়াটে উন্নীত হবে।

বর্তমানে টাঙ্গাইল, ফেনী ও নরসিংদীতে ২২ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তিনটি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে মোট ৬৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে ডরিন পাওয়ার।

তাছাড়া প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অর্থে বাস্তবায়িত নবাবগঞ্জের ঢাকা সাউদার্ন পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেড এবং মানিকগঞ্জের ঢাকা নর্দান পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেডের বাণিজ্যিক উৎপাদন যথাক্রমে ২০১৫ সালের ১১ জুলাই ও ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে। ৫৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এ দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে মোট ১১০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here