বিদেশে বিনিয়োগের অনুমোদন পাচ্ছে ৬ কোম্পানি

0
1287

ডেস্ক রিপোর্ট : দেশের বাইরে ব্যবসা সম্প্রসারণ করতে চায় ছয় উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান। এজন্য বিদেশে বিনিয়োগের অনুমোদন চেয়ে সরকারের কাছে আবেদন করেছিল প্রতিষ্ঠানগুলো। চূড়ান্তভাবে না মিললেও এরই মধ্যে এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়ে গিয়েছে। অনুমোদন পেলে প্রতিষ্ঠানগুলো প্রাথমিক পর্যায়ে বিদেশে প্রায় ৬৬ কোটি টাকার সমপরিমাণ অর্থ (সর্বশেষ বিনিময় হার অনুযায়ী) বিনিয়োগ করবে।

বিদেশে বিনিয়োগের অনুমোদন পেতে যাওয়া ছয় প্রতিষ্ঠান হলো নাসা গ্রুপের এজে সুপার গার্মেন্টস, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের প্রাণ ফুডস লিমিটেড, বিএসআরএম লিমিটেড, এমবিএম গার্মেন্টস, ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড ও রেনাটা লিমিটেড।

সম্প্রতি দেশী উদ্যোক্তাদের বিদেশে বিনিয়োগের আবেদন পর্যালোচনায় গঠিত প্রস্তাব মূল্যায়ন কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সেখানেই প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিদেশে বিনিয়োগের অনুমতি দেয়ার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্তের অনুমোদন দেয়া হয়। অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকের একাধিক সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে। কমিটির চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ড. আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অর্থ মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রস্তাব মূল্যায়ন কমিটির চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ড. আবুল কালাম আজাদ বণিক বার্তাকে বলেন, ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য এসব প্রতিষ্ঠানকে দেশের বাইরে বিনিয়োগ করতে দেয়ার বিষয়টি সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক ইতিবাচকভাবে দেখছে। এরই মধ্যে এ বিষয়ে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার সঙ্গে বৈঠকও হয়েছে। বেশকিছু দিক বিচার-বিশ্লেষণ করে বিদেশে বিনিয়োগের অনুমতি দেয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়। বর্তমানে সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি নিয়ে কাজ চলছে। যারা বিদেশে বিনিয়োগের অনুমতি পাবে, তাদের শিগগিরই চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেয়া হবে।

বৈঠকের কার্যপত্র সূত্রে জানা গিয়েছে, নাসা গ্রুপভুক্ত স্থানীয় প্রতিষ্ঠান এজে সুপার গার্মেন্টস লিমিটেডের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে পূর্বাভিজ্ঞতা রয়েছে। এ অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সৌদি আরবে শতভাগ রফতানিমুখী একটি খেজুর প্রক্রিয়াকরণ কারখানা স্থাপনের আগ্রহ প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এজন্য সরকারের কাছে করা এক আবেদনে প্রস্তাবিত প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে সিটি অব ড্রিমস ফর ডেটস কোম্পানি।

নিজস্ব রফতানি প্রত্যাবাসন কোটার (ইআরকিউ) হিসাব থেকে ৫০ লাখ ডলার মূলধন বিনিয়োগের মাধ্যমে সাবসিডিয়ারি হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি স্থাপন করতে চায় এজে সুপার গার্মেন্টস লিমিটেড। বাংলাদেশী মুদ্রায় এ বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪২ কোটি ৪০ লাখ টাকা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নাসা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের কর্ণধার নজরুল ইসলাম মজুমদার বলেন, বাংলাদেশের বেশকিছু কোম্পানি অনুমতি নিয়ে দেশের বাইরে বিনিয়োগ করেছে। আমরাও সৌদি আরবে বিনিয়োগে আগ্রহী। এতদিনে অনুমোদন হয়ে যাওয়ার কথা। অনুমোদন প্রক্রিয়ার সঙ্গে অনেক পক্ষ সম্পৃক্ত রয়েছে। অনুমোদন পেতে কিছুটা সময় লাগে। আমাদেরটিসহ আরো কিছু কোম্পানি অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। আমাদের অনুমোদন না পাওয়ার কোনো কারণ নেই। অনুমোদিত বিনিয়োগের মাধ্যমে সৌদি আরবে স্থাপিত কোম্পানি থেকে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে খেজুর রফতানি হবে।

প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ এরই মধ্যে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে রফতানি কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ভারতের সেভেন সিস্টার্স অঞ্চলে গ্রুপটির রফতানির একটি বড় বাজার রয়েছে। এ বাজার আরো সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। ভারতের কাস্টমস ও বিভিন্ন নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের আরোপকৃত বিভিন্ন নন-ট্যারিফ ব্যারিয়ারের কারণে বাংলাদেশ থেকে ভারতে পণ্য রফতানি কার্যক্রম বিভিন্নভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

এছাড়া ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকায় রফতানীকৃত খাদ্যপণ্যের ল্যাবরেটরি টেস্ট ও পণ্য পরিবহনের জন্য আনলোড-রিলোডিংয়ের কাজেও অনেক সময় ব্যয় হয়। এজন্য প্রাণ ফুডস লিমিটেড তাদের স্বল্পায়ু পণ্য যেমন রুটি, কেক ইত্যাদি ভারতে রফতানি করতে পারছে না।

এ প্রেক্ষাপটে প্রতিষ্ঠানটি এখন ভারতে একটি সাবসিডিয়ারি কোম্পানি স্থাপনের মাধ্যমে স্বল্পায়ু পণ্য উৎপাদনের উদ্যোগ নিয়েছে। এজন্য পণ্যগুলোর আংশিক প্রস্তুতকৃত কাঁচামাল ভারতে রফতানি করা হবে। এরপর সেখানে ওই কাঁচামাল প্রক্রিয়াজাত করে খাদ্যপণ্য তৈরি করা হবে। এসব পণ্য ভারতের বাজারেই ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ স্লোগানসহ বাজারজাত করা যাবে। প্রতিষ্ঠানটি মনে করছে, প্রস্তাবিত সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠা করা গেলে এর মাধ্যমে অশুল্ক বাধার সমস্যা থেকে পরিত্রাণের পাশাপাশি ভারতে বাংলাদেশীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

এজন্য কোম্পানিটির রফতানি প্রত্যাবাসন কোটার (ইআরকিউ) হিসাব থেকে ২০ লাখ ৬২ হাজার ৬৬৫ ডলার মূলধন হিসেবে বিনিয়োগের মাধ্যমে ভারতে পিনাকেল ফোরএস কোম্পানি লিমিটেড নামে একটি সাবসিডিয়ারি কোম্পানি স্থাপনের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। বাংলাদেশী মুদ্রায় এ বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৭ কোটি ৪৯ লাখ ১৩ হাজার ৯৯২ টাকা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের মার্কেটিং ডিরেক্টর কামরুজ্জামান কামাল বলেন, কৃষিজাত খাদ্যপণ্যের একটি কারখানা ভারতে স্থাপনের পরিকল্পনা ছিল প্রাণ ফুডসের। গত ফেব্রুয়ারির দিকে এ-সংক্রান্ত একটি আবেদন দেয়া হয়েছিল। এখন পর্যন্ত কোনো সাড়া পাইনি।

বাংলাদেশ স্টিল রি-রোলিং মিলস লিমিটেড (বিএসআরএম) হংকংয়ে ২০১৮ সালে বিএসআরএম (হংকং) লিমিটেড নামে একটি সাবসিডিয়ারি কোম্পানি স্থাপন করেছে। চীন ও আশপাশের এলাকা থেকে কাঁচামাল, পণ্য এবং খুচরা যন্ত্রাংশ আমদানি, আমদানীকৃত পণ্যের তাত্ক্ষণিক পরিদর্শন, ইস্পাত ও নির্মাণসামগ্রী রফতানি কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি এখন হংকংয়েই আরো ব্যবসা সম্প্রসারণ করতে ইচ্ছুক হয়ে উঠেছে। এজন্য কোম্পানিটি ইআরকিউ হিসাব থেকে ৫ লাখ ডলার মূলধন বিনিয়োগের মাধ্যমে ব্যবসা সম্প্রসারণের অনুমতি চেয়েছে। বাংলাদেশী মুদ্রায় বিনিয়োগের পরিমাণ ৪ কোটি ২৪ লাখ টাকা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএসআরএম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমীর আলীহুসাইন বলেন, বিদেশে বিনিয়োগের লক্ষ্যে একটি আবেদন করা হয়েছিল। আমরা অনুমতির অপেক্ষায় আছি।

ইআরকিউ হিসাব থেকে ১ লাখ ডলার বা বাংলাদেশী মুদ্রায় ৮৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা সিঙ্গাপুরে বিনিয়োগের জন্য আবেদন করেছে এমবিএম গ্রুপের প্রতিষ্ঠান এমবিএম গার্মেন্টস লিমিটেড। স্থানীয় তিনটি ম্যানুফ্যাকচারিং ইউনিটের জন্য সুলভ মূল্যে ফ্যাব্রিক ও অ্যাকসেসরিজ ক্রয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের পোশাক কারখানায় কাঁচামাল সরবরাহের ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য এ বিনিয়োগ করতে চায় প্রতিষ্ঠানটি। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির দেশে স্থাপিত তিনটি ইউনিটে উৎপাদিত পণ্যের বিপণন ও বিদেশী ক্রেতা সংগ্রহের কাজেও সিঙ্গাপুরে স্থাপিত সাবসিডিয়ারিটিকে কাজে লাগাতে চায় প্রতিষ্ঠানটি। প্রস্তাবিত কোম্পানির নাম এমবিএম সিঙ্গাপুর লিমিটেড।

ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড বর্তমানে ৭১টি দেশে পণ্য রফতানি করছে। মার্কিন বাজারে রফতানির জন্য এক বছরের মধ্যেই দেশটির ওষুধ নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান ইউএস ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) থেকে প্রয়োজনীয় অনুমোদন পাবে বলে আশাবাদী প্রতিষ্ঠানটি। তবে যুক্তরাষ্ট্রে শুধু সেখানে নিবন্ধিত কোম্পানিগুলোরই মেডিকেল পণ্য বাজারজাত করতে পারবে বলে বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এজন্য নিজস্ব ইআরকিউ হিসাব থেকে ১ লাখ ডলার (৮৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা) মূলধন বিনিয়োগের জন্য অনুমোদন চেয়ে আবেদন করেছে। প্রস্তাবিত সাবসিডিয়ারি কোম্পানির নাম ইনসেপ্টা ফার্মা ইউএসএ লিমিটেড।

ব্যবসায়ে উচ্চপ্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রাখতে শুধু স্থানীয় বাজারের ওপর নির্ভরশীল থাকতে চাইছে না দেশের ওষুধ খাতের অন্যতম বৃহৎ প্রতিষ্ঠান রেনাটা লিমিটেড। এজন্য দেশের বাইরেও বাজার সম্প্রসারণের কৌশল হাতে নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এরই মধ্যে যুক্তরাজ্যে রেনাটার একটি প্রতিষ্ঠানও নিবন্ধিত হয়েছে। বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশগুলোতেও বড় সম্ভাবনার সুযোগ দেখতে পাচ্ছে রেনাটা।

এরই ধারাবাহিকতায় কোম্পানিটি আয়ারল্যান্ডে রেনাটা ফার্মাসিউটিক্যালস (আয়ারল্যান্ড) লিমিটেড নামে একটি সাবসিডিয়ারি গঠনের অনুমতি চেয়েছে। এতে মূলধন হিসেবে বিনিয়োগ করা হবে ৭ হাজার ১০০ ইউরো। বাংলাদেশী মুদ্রায় এর পরিমাণ দাঁড়ায় ৭ লাখ ৮ হাজার ৭২২ টাকা। এ বিনিয়োগের মাধ্যমে আয়ারল্যান্ডে রেনাটা ফার্মাসিউটিক্যালস (আয়ারল্যান্ড) লিমিটেড নামে একটি সাবসিডিয়ারি কোম্পানি গঠনের অনুমতি চেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আয়ারল্যান্ডে ওষুধ বিক্রি করতে হলে ইইউর নিয়ম-নীতি অনুসরণ করতে হয়। এ আনুষ্ঠানিকতার অনুষঙ্গ হিসেবেই রেনাটা ফার্মাসিউটিক্যালস (আয়ারল্যান্ড) লিমিটেডের নিবন্ধন নিতে হয়েছে বলে জানিয়েছে রেনাটা লিমিটেড। ওই কোম্পানির মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে পণ্য বাজারজাত করবে প্রতিষ্ঠানটি।

এ প্রসঙ্গে রেনাটার ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ এস কায়সার কবির বলেন, ওষুধ বিক্রিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিধি অনুসরণ করতে রেনাটা ফার্মাসিউটিক্যালস (আয়ারল্যান্ড) লিমিটেডের নিবন্ধন নিতে হয়েছিল। একইভাবে যুক্তরাজ্যের বিধি অনুসরণ করতে স্থাপিত হয় রেনাটা ইউকে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, গত বছর বিদেশে বাংলাদেশী উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের স্থিতি ছিল ৩২ কোটি ৭১ লাখ ৪০ হাজার ডলার। বাংলাদেশী মুদ্রায় এর পরিমাণ দাঁড়ায় ২ হাজার ৭৭৪ কোটি ১৪ লাখ ৭২ হাজার টাকার সমান (প্রতি ডলারে ৮৪ দশমিক ৮০ টাকা ধরে)। সর্বশেষ গত বছর বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা বিদেশে নিট বিনিয়োগ করেছেন ১ কোটি ১৬ লাখ ডলার।

জানা গিয়েছে, এরই মধ্যে তৈরি পোশাক খাতের ডিবিএল গ্রুপকে ইথিওপিয়ায় পোশাক কারখানা স্থাপনে বিনিয়োগের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এসিআই হেলথকেয়ার, স্কয়ার ফার্মা ও ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস আগেই বিদেশে বিনিয়োগের অনুমোদন পেয়েছে। কেনিয়ায় ইস্পাত কারখানা খোলার অনুমতি পেয়েছে বিএসআরএম স্টিল। স্পেকট্রাম ইঞ্জিনিয়ারিং পেয়েছে সিঙ্গাপুরে বিনিয়োগের অনুমতি। আকিজ গ্রুপ মালয়েশিয়ার রবিন রিসোর্সেস কেনার অনুমোদন পেয়েছে। সামিট গ্রুপের বিনিয়োগ রয়েছে সিঙ্গাপুরে। এছাড়া আরো কয়েকটি কোম্পানির বিদেশে বিনিয়োগ রয়েছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোয় উন্নয়নশীল দেশের উদ্যোক্তাদের মধ্যে নিজ নিজ দেশের বাইরে ব্যবসার সুযোগ নেয়ার আগ্রহ বেড়েছে। বাংলাদেশের উদ্যোক্তারাও অনেকদিন ধরে দেশের বাইরে বিনিয়োগের সুযোগ দাবি করে আসছিলেন। তবে বাংলাদেশ বিদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে খুব সতর্কভাবে এগোচ্ছে।

২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন-১৯৪৭ সংশোধন করে শর্তসাপেক্ষে বিদেশে বিনিয়োগ নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। রফতানিমুখী প্রতিষ্ঠানগুলোকে কেস টু কেস ভিত্তিতে এ সুযোগ দেয়া হচ্ছে। এছাড়া বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোর বিদেশে অবস্থিত শাখা ও এক্সচেঞ্জ হাউজ পরিচালনার জন্যও পুঁজি নেয়ার অনুমোদন দেয়া হচ্ছে। বর্তমানে বিশ্বের ২০টির বেশি দেশে বাংলাদেশী বিভিন্ন কোম্পানির বিনিয়োগ রয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here