‘বিদেশী’ টাকায় আসছে ইউনাইটেড এয়ারের বিমান

0
2012
শাহীনুর ইসলাম : ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ (বিডি) লিমিটেড ব্যবসা পরিচালনায় মুলধন সংগ্রহ করছে। ‘মূলধনের উল্লেখযোগ্য অংশই আসবে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে’। প্লেসমেন্টে শেয়ার বিক্রি ও বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে কোম্পানি ৬২৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে।
মূলধন সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ইতোমধ্যে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডকে ইস্যু ব্যবস্থাপক হিসেবে গত মঙ্গলবার নিয়োগ দিয়েছে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ। বৃহস্পতিবার রাতে আইসিবি নির্ভরযোগ্য সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করে।
সূত্র জানায়, বহরে নতুন দুটি বিমান সংযোজন ও পুরনো বিমান রক্ষণাবেক্ষণে প্রাইভেট প্লেসমেন্টে শেয়ার বিক্রি করে ৪০০ কোটি ৮০ লাখ টাকা এবং বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে ২২৪ কোটি টাকা মূলধন সংগ্রহ করবে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ।

এরই মধ্যে সিঙ্গাপুরের দুটি কোম্পানির সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা করা হয়েছে। উড়োজাহাজ সরবরাহের বিনিময়ে বিদেশী কোম্পানি দুটি ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের ৪০০ কোটি ৮০ লাখ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ার পাবে।

মূলধন সংগ্রহের বিষয়ে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্যাপ্টেন তাসবিরুল আহমেদ চৌধুরী বলেন, ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য মূলধন সংগ্রহ করা হচ্ছে। মূলধনের উল্লেখযোগ্য অংশই আসবে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে।

তিনি বলেন, সিঙ্গাপুরের দুটি কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তারা কোম্পানির ৪০০ কোটি টাকার অভিহিত মূল্যের শেয়ারের বিনিময়ে একটি বোয়িং-৭৭৭ ও একটি এটিআর-৭২-৫০০ নতুন প্রজন্মের উড়োজাহাজ সরবরাহ করবে। এছাড়া উত্তোলিত মূলধন দিয়ে পুরনো বিমানগুলো রক্ষণাবেক্ষণ করা যাবে। ফলে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক রুটগুলোতে ফ্লাইট সম্প্রসারণের পাশাপাশি নতুন গন্তব্যে ফ্লাইট চালু করা হবে।

ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের বহরে বর্তমানে উড়োজাহাজ রয়েছে ১১টি। বহরে থাকা বিমানগুলো পুরনো যাওয়ায় প্রায়ই সি-চেকে (ভারী রক্ষণাবেক্ষণ) পাঠাতে হয়। নতুন করে দুটি বিমান যুক্ত হলে ফ্লাইট শিডিউল ধরে রাখার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটগুলোয় ফ্লাইট সম্প্রসারণে আগ্রহী কোম্পানি।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের মোট শেয়ারের ৭১ দশমিক ৯৪ শতাংশ রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে। বাকি শেয়ার উদ্যোক্তা-পরিচালকদের কাছে ও বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর হাতে রয়েছে।

মূলধন সংগ্রহের জন্য রাইট শেয়ার ছাড়ার প্রক্রিয়া শুরু করলেও আইনি বাধ্যবাধকতায় তা আটকে যায়। এ কারণেই বিকল্প পথে মূলধন বাড়ানোর উদ্যোগ নেয় কোম্পানিটি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here