বাড়ছে সিমেন্টের চাহিদা

0
2235
স্টাফ রিপোর্টার : সিমেন্টের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। চাহিদার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে এর উৎপাদনও বাড়ছে। ২০০৫ সালে দেশে সিমেন্টর চাহিদা ছিল ৭৬ লাখ মেট্রিক টন। ২০১২ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৪৫ লাখ ৬০ হাজার মেট্রিক টনে। পৃথিবীর মধ্যে বাংলাদেশ বর্তমানে মাথাপিছু সিমেন্টর চাহিদা খুব কম। মাথাপিছু চাহিদার পমিাণ মাত্র ৮৩ কেজি।
জানা গেছে, ২০১২ সালে বাংলাদেশে সিমেন্টের চাহিদা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৪৫ লাখ ৬০ হাজার মেট্রিক টন। চলতি বছরে তা আরো বেড়েছে। সিমেন্ট শিল্পে বর্তমানে উৎপাদনের ক্ষমতা যতটুকু তার চেয়ে বাড়ছে চাহিদা। চাহিদা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হচ্ছে নতুন নতুন বড় বড়ে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন।
বাজারে এখন অনেক ধরনের সিমেন্ট রয়েছে। ব্র্যান্ডও অনেক। ক্রেতাদের বাছাই করতে বেশ কিছুটা সমস্যায় পড়তে হয়। বাংলাদেশে বর্তমানে ৩৪টি সিমেন্ট কোম্পানি উৎপাদনের ক্ষেত্রে বেশ তৎপর। তবে এর মধ্যে ১০টি কোম্পানি দেশে মোট চাহিদার প্রায় ৭০ ভাগ চাহিদা মেটাচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের স্থানীয় সিমেন্ট কোম্পানি- শাহ সিমেন্ট, মেঘনা, ক্রাউন, ফ্রেশ সিমেন্ট, প্রিমিয়ার সিমেন্ট ও সেভেন সার্কেল সিমেন্ট। অনেক কোম্পানি মানসম্মত সিমেন্ট তৈরি করে দেশের বাইরেও পাঠাচ্ছে।

দেশীয় কোম্পানির বাইরে ৫টি আন্তর্জাতিক কোম্পানির বাংলাদেশে সিম্ন্টে আমদানী করে। তার মধ্যে রয়েছে- হোলসিম, লার্ফাজ সুরমা, হেইডেনবার্গ ও এমিরেটস।

যারা ঘরবাড়ি নির্মাণ করবেন কিংবা কোনো অবকাঠামো নির্মাণ করবেন তাদের জন্য সিমেন্ট এখন একটি অপরিহার্য পণ্য। গুণগতমান যাই হোক না কেন, সিমেন্ট তাদের প্রয়োজন। বাজারে দেশি-বিদেশি অনেক সিমেন্ট। এ সিমেন্টকে ঘিরে গড়ে উঠেছে অনেক সিমেন্ট ফ্যাক্টরি। যারা এ সিমেন্ট ফ্যাক্টরিতে বিনিয়োগ করেছেন তাদের অনেকেই এখনও তাদের বিনিয়োগ ফিরে পাননি। তাই বলে তারা হতাশ নন।
সিমেন্টকে ঘিরেই বাজারে চলছে প্রতিযোগিতা। বাজারে সিমেন্টের মধ্যে রয়েছে- শাহ সিমেন্ট, প্রিমিয়ার সিমেন্ট, আকিজ সিমেন্ট ও হোলসিম সিমেন্ট, লার্ফাজ সুরমা সিমেন্ট, সেভেন রিং সিমেন্ট, মেঘনা সিমেন্ট, হেইডেনবার্গ সিমেন্টসহ আরও অনেক। এই খাতে বিনিয়োগ করলে সম্ভবনা রয়েছে অনেকাংশে বলে দাবি করেছেন বাজার সংশ্লিষ্ঠরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here