বাজার উন্নয়ন বৈঠকে ‘অহেতুক আতঙ্কিত’ না হওয়ার পরামর্শ

0
636

স্টাফ রিপোর্টার : কৌশলগত বিনিয়োগকারী ও আমানতের বিপরীতে ঋণ প্রদান অনুপাত (এডিআর) ইস্যুতে শেয়ারবাজারে অহেতুক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে এ এম মাজেদুর রহমান। যার কোনো ভিত্তি নেই।

এমতাবস্থায় বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। বিনিয়োগের এখনই অপূর্ব সময় বলেও মনে করেন তিনি।

সোমবার বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) সাধারণ সম্পাদক খায়রুল বাশার আবু তাহের মোহাম্মদ, সাবেক সভাপতি মো. ছায়েদুর রহমান, ডিবিএ পরিচালক রিচার্ড ডিরোজারিও ও সাজিদুর রহমান।

সংবাদ সম্মেলন শুরুর আগে ডিএসইর শীর্ষ ব্রোকারের প্রতিনিধি এবং সকালে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশননের (বিএসইসির) সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, বেশ কয়েকটি কারণে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগে আস্থার সংকট সৃষ্টি হয়েছিল। বিশেষ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঘোষিত মুদ্রানীতি ও ডিএসইর কৌশলগত বিনিয়োগকারী কেন্দ্র করে।

তিনি বলেন, কৌশলগত বিনিয়োগকারী ও আমানতের বিপরীতে ঋণ প্রদান অনুপাত (এডিআর) পুঁজিবাজারে অহেতুক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। যার কোনো ভিত্তি নেই। এমতাবস্থায় বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

মাজেদুর রহমান বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশের তুলনায় অনেক ভালো অবস্থানে আছে আমাদের পুঁজিবাজার। এডিআর নিয়ে সরকার অনেক সচেতন, ফলে যাতে এডিআর বেড়ে না যায়, ওই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ব্যাংক একটি সার্কুলার দিয়েছিল।

বাজার পরিস্থিতি নিয়ে সোমবার জরুরি সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা

সব কিছু বিবেচনা করে এটির মেয়াদ আরো ৬ মাস বাড়ানো হয়। এটি পুঁজিবাজারের জন্য ইতিবাচক। কৌশলগত বিনিয়োগকারীর বিষয়ে তিনি বলেন, ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের নেয়া সিদ্ধান্ত বিএসইসিতে জমা দেয়া হয়েছে। এর আইনগত বিষয়টি যাচাই-বাছাই করার জন্য বিএসইসি একটি কমিটি করেছে। কমিটির প্রতিবেদনের পর কমিশন একটি সিদ্ধান্ত নেবে। ডিএসইর দেয়া প্রস্তাবটিই কমিশন দেখছে বলে জানান তিনি।

ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পুঁজিবাজারে বাড়তি বিনিয়োগের বিষয়ে মাজেদুর রহমান বলেন, সব পক্ষের লোক নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি একটি প্রতিবেদন তৈরি করে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে জমা দেবে। একই সঙ্গে এখানে আমরা ছাড়ের কথা বলব না, তবে যৌক্তিক পর্যায়ে নিয়ে আশার জন্য বলব এবং এটি যেন হয় একটি স্থায়ী সমাধান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here