বাজার উন্নয়নে  ‘শিগগিরই একটি  গ্রুপকে দায়িত্ব’ দিচ্ছেন অর্থমন্ত্রী

0
703

স্টাফ রিপোর্টার : বাজার উন্নয়নে শিগগিরই একটি গ্রুপকে দায়িত্ব দেওয়া হবে। ব্যাংকিং খাতের বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে ক্যাপিটাল মার্কেটের উন্নয়ন করা। আমি ঠিক করেছি, আগামী দুই-এক মাসের মধ্যে ছোট একটি গ্রুপকে দায়িত্ব দেবো। যারা ক্যাপিটাল মার্কেট শক্তিশালী করতে কাজ করবে। ক্যাপিটাল মার্কেটকে বর্তমান জায়গা থেকে বের করে আনতে হবে।

পুঁজিবাজার উন্নয়নে রাজধানীর একটি হোটেলে রোববার এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত।

তিনি বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। আর এর জন্য ব্যাংক ইন্ডাস্ট্রির ভূমিকা রয়েছে। আমি খুবই খুশি হয়েছি গতকাল (শনিবার) ব্যাংকাররা সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তারা সুদহার এক মাসের মধ্যে সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনবে। তারা আমাকে কথা দিয়েছে। একসঙ্গে ডিপোজিট হার বাড়িয়ে ঋণের সুদ হারও বাড়ানো হয়েছে। এটা খুব অন্যায়।

জনতা ব্যাংকের বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন। জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান লুনা শামসুদ্দোহার সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব মো. ইউনুসুর রহমান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, অর্থ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মুসলিম চৌধুরী, জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুস সালাম আজাদ প্রমুখ।

এডিআর পদ্ধতি ব্যবহার করা উচিত জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, অনেকদিন হল এডিআর পদ্ধতি গ্রহণ করা হয়েছে। সাবেক আইনমন্ত্রী  (ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ) তিনি খুব ভাল কাজ করেছেন। তিনি নিজে এডিআর পদ্ধতির সংস্কার করেছেন। এটা খুব ভালো। কিন্তু আমরা এটার খুব বেশি ব্যবহার করছিনা।

এডিআর পদ্ধতি ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, এতে ব্যাংকের মামলা মোকদ্দমা কমবে ও মামলার খরচও কমবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, কালকে (শনিবার) সিদ্ধান্ত দিয়েছি এবং বেসরকারি ব্যাংকে সরকারি প্রতিষ্ঠানের অর্থ ৫০ শতাংশ রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, সরকারি আমানতের ৭৫ শতাংশই রাখতে হয় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোয়। বাকি ২৫ শতাংশ পায় বেসরকারি ব্যাংকগুলো। সরকারি আমানতের অর্ধেক বেসরকারি ব্যাংকে রাখতে দাবি জানিয়ে আসছিল  বেসরকারি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকরা।

খেলাপি ঋণের বোঝা আগের চেয়ে অনেক কমেছে দাবি করে অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী বলেন, খেলাপি ঋণের বোঝা পুরনো দিনের তুলনায় তেমন বড় নয়। আমি যখন আসলাম তখন ছিল ৪০ শতাংশ খেলাপি ঋণ, সেখান থেকে এখন তা ১০ শতাংশে পৌঁছেছে, হয়ত এক ডিজিটে পৌঁছে যাবে।

নির্বাচনের বছরে অর্থনীতিতে প্রভাব পড়বে না বলে আশা প্রকাশ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের বছর অর্থনীতি ভাল কাজ করে না। কিন্তু এখানে অর্থনীতির যে অবস্থা তা কোনোভাবেই অস্থিতিশীল হওয়ার উপায় নেই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here