শ্যামল রায়ঃ আতিকুর রহমান। একজন ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী ২০১০ সালের আগে থেকে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করছেন। হ্যাক সিকিউরিটিজ নারায়নগঞ্জ শাখায় তিনি বিনিয়োগ করেন। স্টক বাংলাদেশের বিনিয়গকারীর সাক্ষাৎকার বিভাগে শেয়ার বাজারের বর্তমান অবস্থা নিয়ে জানালেন তার বিনিয়োগ পরিকল্পনার কথা।

২০০০ সালের ধ্বসটা আমার ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে। খুবই হতাশ হয়ে পরেছিলাম পরে পরিবারের লোকজন আমাকে বুঝিয়ে সুজিয়ে শেয়ার বাজার থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়। অনেক দিন মার্কেট থেকে দূরে ছিলাম। কিন্তু শেয়ার বাজারে একবার যদি কেউ প্রবেশ করে বাজার ভালো হলে তাকে দূরে সরিয়ে রাখা মুশকিল।

২০১৬ সালের শেষের দিকে মার্কেট যখন আবার একটু একটু করে ভালো হতে শুরু করে পূনরায় শেয়ার মার্কেটে কামব্যাক করি। আমি মনে করি বাজারের অবস্থা এখন বেশ  ভালো। তাই যদি কেউ দেখে শুনে বিনিয়োগ করে তাহলে বাজার থেকে মুনাফা ঘরে তুলতে পারবেন।

বাজারের ভালো দেখে আবার ফিরে এসেছি পুরোনো লস কাভার করার জন্য।  তবে একটা জিনিস আমি লক্ষ্য করেছি। বাজার এখন আর আগের মত নাই।  অনেকটা শৃংখলার মধ্যে চলে এসেছে। বিনিয়গকারীদের চারিদিকে এখন সব দুয়ার খোলা। প্রতারিত হওয়ার সুযোগ কম।

বাজারে ক্যাশ ফ্লো আছে বাজার ধীরে ধীরে উঠছে। ধুপধাপ কারেকশনও হচ্ছে। চালাক বিনিয়োগকারীরা প্রফিট টেক করছেন। বাজারের অবস্থা দেখে আমরা ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা কনফিডেন্স পাচ্ছি। এই মুহুর্তে পোর্টফোলিওতে বেশ কিছু লাভও দেখতে পাচ্ছি। দেখতে বেশ ভালোই লাগছে। নতুন করে বিনিয়োগ করতে উৎসাহিত বোধ করছি।

এই মুহুর্তে পাওয়ার সেক্টর নিয়ে আছি। আশা করছি সামনে পাওয়ার সেক্টর খুব ভালো করবে। তার পরেও কোম্পানীর ফান্ডামেন্টাল যাচাই করে বিনিয়োগ করছি। বাজেটের প্রভাব সম্পর্কে বলতে গিয়ে বলেন, বাজারে বাজেটের প্রভাব খুব একটা নেই।  কারণ বাজেটে শেয়ার বাজার নিয়ে খুব বেশী উচ্চ বাচ্য নেই। তাই আমার দৃষ্টিতে এ বাজেট শেয়ার বাজারে খুব একট প্রভাব ফেলতে পারে নি।

একটা কথা অনেক দিন ধরে শুনছে। খারাপ কোম্পানীগুলোকে ডি এস ই  সাইট করে দিবেন। এটা খুবই শীঘ্রই করে দেওয়া উচিত। তাহলে বিনিয়োগকারীরা কোম্পানীর অবস্থা বুঝে বিনিয়োগের সুযোগ পাবেন। প্রায় দেখি শেয়ার বাজার নিয়ে পত্রিকায় অনেক লেখা লেখি হয়। কিন্তু এই বিনিয়োগকারীরা যে কতদিন কষ্টে ছিলো তার খবর কে রাখে।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here