কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালা: আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সেবা মাশুল প্রকাশের নির্দেশ

0
309

bangladesh bank logoএস বি ডেস্ক: অব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের সেবাপণ্যের মাশুলের একটা তালিকা দৃশ্যমান স্থানে টাঙিয়ে রাখতে হবে। আর এ ঘোষণার বাইরে কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান অতিরিক্ত মাশুল আদায় করতে পারবে না। বাংলাদেশ ব্যাংক অব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পণ্য ও সেবার বিষয়ে একটি নীতিমালা জারি করেছে। এই নীতিমালাতে এসব কথা বলা আছে। বুধবার নীতিমালাটি অব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে প্রজ্ঞাপন হিসেবে।

এতে বলা হয়েছে, কোনো অনুমোদিত ঋণের ডকুমেন্টেশন ফি বাবদ শূন্য দশমিক ৫ শতাংশের বেশি মাশুল নেয়া যাবে না। সব আর্থিক প্রতিষ্ঠানে একই ধরনের সঞ্চয় ও ঋণ প্রকল্প থাকতে হবে। যে নামেই প্রকল্পের নামকরণ করা হোক তার আওতায় করপোরেট বিনিয়োগ, ভোক্তা ঋণ, কৃষি অর্থায়ন, এসএমই ঋণ, আবাসন খাতে ঋণ, ইকুইটি বিনিয়োগ, সিনডিকেশন ঋণ, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ, বন্ডে বিনিয়োগ এবং অন্যান্য ১০ ধরনের ঋণ প্রকল্প রাখা যাবে।

এসব প্রকল্পের আওতায় চলতি মূলধন ও মেয়াদি বিনিয়োগ করা যাবে। আর অন্যান্য খাতের আওতায় আমানতের বিপরীতে ঋণ, ওয়ার্ক অর্ডারের বিপরীতে ঋণ ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ প্রকল্প চালু রাখা যাবে। সব ক্ষেত্রেই ঝুঁকির বিষয়টি মাথায় রেখে প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিনিয়োগ করতে বলা হয়েছে।

করপোরেট বিনিয়োগের মধ্যে রয়েছে লিজ অর্থায়ন, মেয়াদি ঋণ, প্রকল্প অর্থায়ন, চলতি মূলধন ও স্বল্পমেয়াদি ঋণ। ভোক্তা ঋণের মধ্যে রয়েছে অটো বা গাড়ির ঋণ, গাড়ির জন্য লিজ অর্থায়ন, ব্যক্তিগত ঋণ ও টিডিআরের বিপরীতে ঋণ। শেয়ারবাজারে শেয়ার ও ডিবেঞ্চার কিনতে ঋণ দিতে পারবে।

একইভাবে অব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো সঞ্চয় প্রকল্প চালু রাখতে পারবে। এগুলো হলো সঞ্চয়ী প্রকল্প, মেয়াদি আমানত প্রকল্প ও সম্পদ বৃদ্ধি প্রকল্প। আর বন্ড বিক্রি করে জনগণের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করতে পারবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here