ডেস্ক রিপোর্টঃ বাংলাদেশ নিয়ে অর্থনৈতিক পূর্বাভাসে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো যখন উচ্চ প্রবৃদ্ধির কথা বলছে, তখন এর বিপরীতমুখী মত প্রকাশ করা হয়েছে হার্ভার্ডের একটি গবেষণা প্রতিবেদনে। হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট (সিআইডি) তাদের পূর্বাভাসে বাংলাদেশকে নিম্ন প্রবৃদ্ধির দেশের ক্যাটাগরিতে রেখেছে।

হিসাবে আগামী ২০২৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের বার্ষিক প্রবৃদ্ধি হবে গড়ে ২.৮২ শতাংশ করে। প্রতিবেদনে বিশ্বের দেশগুলোকে তিনটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়। প্রথম ক্যাটাগরি হচ্ছে যেসব দেশের উৎপাদন সক্ষমতা একেবারে কম, সেসব দেশ সহজে পণ্য বৈচিত্র্যায়ণ ঘটাতে পারে না। এই ক্যাটাগরিতে ইকুয়েডর ও গানিয়ার মতো দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশকে রাখা হয়েছে।

এর বিপরীতে সিআইডির গবেষণায় উগান্ডা, গুয়াতেমালা, মেক্সিকো, তানজানিয়া ও ব্রাজিলকে রাখা হয়েছে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জনকারী দেশগুলোর তালিকায়। পূর্বাভাসে সতর্ক করা হয়েছে আগামী দশকে বিশ্বপ্রবৃদ্ধি নিম্নমুখী হতে পারে। গবেষণায় ভারত ও উগান্ডাকে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জনকারী দেশ হিসেবে ধরা হয়েছে।

এ দুটি দেশ ২০২৫ পর্যন্ত বার্ষিক গড়ে ৭.৭ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধি অর্জন করবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। যেখানে চীনের প্রবৃদ্ধি হবে গড়ে ৪.৪১ শতাংশ করে। অর্থাৎ উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে প্রবৃদ্ধিতে শীর্ষে অবস্থান করবে ভারত।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশ একটি বিশেষ ক্ষেত্রের ওপর নির্ভরশীল। তাই বর্তমানে সেই দেশগুলোর অর্থনৈতিক উন্নতির গ্রাফ অনেকটাই নিচের দিকে নেমেছে। অন্যদিকে ভারতের ক্ষেত্রে তা হয়েছে উল্টো। ভারত, কৃষি থেকে শিল্প, এমনকি পরিকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে।