বাংলাদেশে তুলার বাজার বাড়াতে চায় আফ্রিকা

0
538

ডেস্ক রিপোর্ট : আফ্রিকার তুলার মান অনেক ভালো। সহায়ক আর্দ্রতা থাকায় এ তুলার ব্যবহারে কাপড় তৈরিতে উৎপাদানশীলতা বেশি হয়। অন্যান্য দেশের তুলনায় দামেও কিছুটা সাশ্রয়ী। তবে বাংলাদেশের বস্ত্র ও পোশাক খাতের উদ্যোক্তাদের পক্ষে আফ্রিকার তুলা ব্যবহারে বড় বাধা হচ্ছে, লিড টাইম।

অর্থাৎ সরবরাহ আদেশ দেওয়ার পর তা বুঝে পাওয়া পর্যন্ত বেশি সময় লেগে যাওয়ার কারণে এ দেশের উদ্যোক্তাদের কাছে আফ্রিকার দেশগুলো এতদিনেও বড় উৎস হয়ে উঠতে পারেনি। তবে এ দেশে তুলার বাজার বাড়াতে এখন উদ্যোগী হয়েছেন সেখানকার উদ্যোক্তারা।

আফ্রিকার তুলা উদ্যোক্তা ও বাংলাদেশের আমদানিকারকদের এক সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) ও কটন অ্যাসোসিয়েশেনের (বিসিএ) সহায়তায় ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ট্রেড ফিন্যান্স করপোরেশন (আইটিএফসি) রোববার ঢাকায় হোটেল ওয়েস্টিনে এ সম্মেলনের আয়োজন করে।

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, চীনসহ ২৫টি দেশের প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন। তুলার বাজারের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে তিনটি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী ২০ থেকে ২৫ বছর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে তৈরি পোশাক। বর্তমানেও এ খাতের ভূমিকা অনেক বেশি। তবে পোশাক শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে তুলার উৎপাদন দেশে কমছে।

ছয় কোটি ২০ লাখ বেল থেকে উৎপাদন কমে দাঁড়িয়েছে এক কোটি বেলে। ফলে তুলা আমদানি নির্ভরতা বাড়ছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে তুলা উৎপাদন বাড়ানো যায় কি-না তা খতিয়ে দেখছে সরকার। তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে জমির সংকট।

বিসিএ সভাপতি মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ তুলার উন্নয়নে একটি নীতি এবং সহায়ক উৎপাদনের পরিবেশ উন্নয়নের দাবি জানান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here