বহুজাতিক কোম্পানি তালিকাভুক্তির বিশেষ উদ্যোগ

0
1132

সিনিয়র রিপোর্টার : বহুজাতিক কোম্পানিগুলোকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির করতে গত বছরের আগস্টে বিশেষ উদ্যোগ নেয় সরকার। সরকারের তিন সংস্থাকে এ বিষয়ে উদ্যোগ নিতে নির্দেশ দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

দ্য রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মসে (আরজেএসসি) নিবন্ধিত বহুজাতিক কোম্পানি রয়েছে ৩৫৫টি। তবে এরমধ্যে দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত ১১টি কোম্পানি বাদে ৩৪৪টি কোম্পানিকে আনা হবে।

বিনিয়োগকারীদের চাহিদা অনুসারে পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্তি নিশ্চিত করে বাজারকে স্থিতিশীল রাখতে নেয়া উদ্যোগ ইতোমধ্যে আরো অগ্রগতি পেয়েছে ।

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ (কমিশন), জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবি আর), বাংলাদেশ ব্যাংক, বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ), দুই স্টক এক্সচেঞ্জ এবং কোম্পানিগুলো চিঠি দিয়ে জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

চিঠিতে কোম্পনিগুলোকে কীভাবে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করা যায় তা সাত কার্যদিবসের মধ্যে মন্ত্রণালয়কে জানাতে বলা হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি গত আগস্টে ইস্যু করা হয়।

ইতোমধ্যে নিয়ন্ত্রক সংস্থাসহ রাষ্ট্রায়ত্ত্ব অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো তালিকাভুক্তির বিশেষ মতামত দিয়েছে।

সে মতামত অনুসারে ২০ নভেম্বর ফের বহুজাতিক কোম্পানিকে কীভাবে বাজারে তালিকাভুক্ত করা যায় তা সংশ্লিষ্টদের বিস্তারিত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। পরে চলতি বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি আরও এক দফা অগ্রগতি জানতে চায় অর্থ মন্ত্রণালয়।

শিগগিরই এ বিষয়ে ফের মতামত জানাবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো। তালিকাভুক্তির কাজ এগিয়ে চলছে।

দ্য রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মসে (আরজেএসসি) নিবন্ধিত বহুজাতিক কোম্পানি রয়েছে ৩৫৫টি।

তবে এরমধ্যে দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে ১১টি তালিকাভুক্ত রয়েছে- ব্রিটিশ-আমেরিকান টোব্যাকো, গ্রামীণফোন, বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ, গ্লাক্সোস্মিথক্লাইন বাংলাদেশ, ম্যারিকো বাংলাদেশ, লিন্ডে বাংলাদেশ, রেকিট বেনকিজার বাংলাদেশ, হাইডেলবার্গ সিমেন্ট, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট লিমিটেড, সিঙ্গার বাংলাদেশ ও বাটা সু।

তালিকাভুক্ত ১১ কোম্পানির বাজার মূলধনের পরিমাণ ডিএসইর মোট বাজার মূলধনের ২৫.৮৮ শতাংশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here