বছরের প্রথম ৪ মাসে রপ্তানি আয়ে সুবাতাস

0
271

সিনিয়র রিপোর্টার : দেশের পণ্য রপ্তানিতে বড় প্রবৃদ্ধি হয়েছে। চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবরে) ১ হাজার ৩৬৫ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এই আয় গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ১৮ দশমিক ৬৫ শতাংশ বেশি।

এদিকে অর্থবছরের প্রথম চার মাসে তৈরি পোশাক খাতে পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছে ১ হাজার ১১৩ কোটি ৩১ লাখ মার্কিন ডলার। গত অর্থবছরের তুলনায় এ খাতে প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে ২০ দশমিক ৮ শতাংশ। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) মঙ্গলবার পণ্য রপ্তানি আয়ের এই হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে।

তথ্যে দেখা যায়, তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ভালো প্রবৃদ্ধি হওয়ার কারণে সামগ্রিক পণ্য রপ্তানিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে ১ হাজার ১১৩ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে। এই আয় গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ২০ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি।

গত ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে ৯৪৩ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছিল। একক মাস হিসেবে গত অক্টোবরে ৩৭১ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৩২ শতাংশ এবং গত অর্থবছরের তুলনায় ৩০ শতাংশ বেশি।

এ প্রসঙ্গে তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, বর্তমানে পোশাক শিল্পকে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন প্রতিকূলতা মোকাবেলা করে এগিয়ে যেতে হচ্ছে। আমরা এখন শতভাগ কমপ্লায়েন্স কারখানার দিকে হাঁটছি। রপ্তানি আয়ে কিছুটা প্রবৃদ্ধি হয়েছে। কিন্তু প্রতিযোগী দেশগুলো আমাদের চেয়েও এগিয়ে গেছে। তাদের প্রবৃদ্ধি অনেক বেশি।

এ বিষয়ে এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইএবি) সভাপতি আবদুস সালাম মুর্শেদী বলেন, মজুরি বৃদ্ধির ফলে ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় ১৭ দশমিক ১১ ভাগ বেড়েছে। ফলে পোশাক শিল্প নিদারুণ চাপের মধ্যে রয়েছে। এ ছাড়া অ্যাকর্ড, অ্যালায়েন্সের শর্তানুযায়ী এ শিল্পের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বিভিন্ন ধরনের সংস্কার কাজে প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।

ইপিবির প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের চার মাসে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে ৮০ দশমিক ৩৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে কৃষিপণ্য রপ্তানিতে। এ খাত থেকে আয় এসেছে ৩৬ কোটি ৬৫ লাখ ডলার। এ সময়ে হোম টেক্সটাইল খাতে আয় এসেছে ২৬ কোটি ৯৫ লাখ ডলার।

প্লাস্টিক পণ্যে আয় হয়েছে ৩ কোটি ৯৬ লাখ ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৭ দশমিক ৪০ শতাংশ বেশি। তবে পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি কমেছে। এ খাত থেকে আয় এসেছে ২৮ কোটি ডলার। এ ছাড়া চামড়াজাত পণ্য রপ্তানিতেও লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আয় কম হয়েছে ১ দশমিক ২৩ শতাংশ। এ খাতে এ সময়ে আয় হয়েছে ৩৪ কোটি ৫২ লাখ ডলার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here