ফরচুন ‘রপ্তানী নির্ভর কোম্পানি’, আইপিও আবেদন ১৬ অগাস্ট

0
2519

সিনিয়র রিপোর্টার : পাদুকাশিল্প খাতের কোম্পানি ফরচুন সু লিমিটেড ‘শতভাগ রপ্তানী নির্ভর কোম্পানি। আমাদের কোন পণ্য দেশীয় বাজারে পাওয়া যায় না। কারণ, পণ্যমান হিসেবে দেশিয় বাজারে বেশি দামে কেউ ফরচুনের জুতা কিনবে না।’ বলেন কোম্পানির সিএফও মহীউদ্দিন মোল্লা।

তিনি বলেন, আগামীতেও ফরচুনের পণ্য দেশীয় বাজারে আসার কোন সম্ভাবনা নেই। আমাদের প্রডাকশন খরচ আন্তর্জাতিক বাজার দখলের জন্য অনেক বেশি করতে হয়। তাই ওই খরচে কোম্পানি তার পণ্য আগামীতেও দেশের বাজারে ছাড়বে না।

দেশের শীর্ষ কিছু কোম্পানির সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, বরিশালের একটি কোম্পানি ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক বাজার দখল করেছে। অন্য কোম্পানিরও ব্যবসা দেশের বাইরে আছে। তবে তারা বিদেশের বাজরকে তেমন গুরত্ব দিয়ে প্রতিযোগীতায় নামছে না। কিন্তু ফরচুন-সু জন্ম থেকেই ইউরোপ এবং আমেরিকার বাজার নিয়ে খেলছে। কাঁচামাল দেশ এবং দেশের বাইরে থেকে সংগ্রহ করা হয়।

আমরা এখন পর্যন্ত ব্যবসার পরিসর আরো বৃদ্ধি করতে চেষ্টা করছি। অনেক কোম্পানি আইপিওতে আসে ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করতে। তারা সামান্য কিছু টাকা কোম্পানির মেশিন কেনা এবং ব্যবসা বৃদ্ধির জন্য চেষ্টা করে। আমাদের শুধু ব্যবসা বৃদ্ধিই উদ্দেশ্য। যে কারণে চলতি বছরের ৯ মাসে আম‍াদের টার্নওভার হয়েছে ৭৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকা।

রাজধানীর নিকেতনে কোম্পানির নিজস্ব অফিসে শনিবার দুপুরে মো. মহীউদ্দিন মোল্লা বলেন, আমাদের লকিন শেয়ারধারী ১০০ জনের মধ্যে রয়েছে সাড়ে ৭ কোটি শেয়ার। গত বছরগুলোতে আমরা তাদের শতভাগ করে লভ্যাংশ দিয়েছি। সব তথ্য আমরা সবার উদ্দেশ্যে প্রকাশ করেছি।

কোম্পানির প্রসপেক্টাস অনুযায়ী, প্রিমিয়াম ছাড়া পুঁজিবাজার থেকে ২২ কোটি টাকা উত্তোলন করবে ফরচুন সু। আগামী ১৬ থেকে ২৮ অগাস্ট পর্যন্ত আবেদনপত্র জমাদানের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্ধারিত তারিখের মধ্যে দেশি এবং বিদেশি উভয় শ্রেণির বিনিয়োগকারীদের মার্চেন্ট ব্যাংক এবং সিকিউরিটিজ হাউসের মাধ্যমে তাদের আবেদন করতে বলা হয়েছে।

কারখানা এবং উৎপাদন সম্পর্কে কোম্পানির সিএফও মহীউদ্দিন মোল্লা বলেন, বিশাল পরিসরের কারখানা বরিশালের বিসিক নগরীতে রয়েছে। দেশীয় বাজারে পণ্য না থাকায় আমাদের সম্পর্কে অনেকে ভুল ধারণা পোষন করতে পারেন।

যারা ভুল ধারণা পোষন করছেন, তাদের কোম্পানির প্রকাশিত প্রসপেক্টাস দেখা এবং বরিশাল বিসিক নগরীর কারখানা পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানান তিনি।

কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে দুটি মার্চেন্ট ব্যাংক। কোম্পানির আগামী সম্পর্কে ইম্পিরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেডের সিইও সালাউদ্দিন শিকদার বলেন, বর্তমানে এই খাতে তিনটি কোম্পানি তালিকাভুক্ত রয়েছে। তালিকাভুক্ত হলে অন্য কোম্পানিগুলোর মতোই ফরচুন সু বেশ ভালো করবে।

বিএসইসি জানিয়েছে, ফরচুন শু কোম্পানিটি বাজার থেকে ২২ কোটি টাকা সংগ্রহ করে তা দিয়ে ভবন নির্মাণ, মেশিন ও সরঞ্জাম কেনায় ব্যয় করবে। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাস শেষে নয় মাসে এটির শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ২২ পয়সা।

কোম্পানিটির শেয়ারের ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে ইম্পিরিয়াল ক্যাপিটাল ও প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট। কোম্পানির আরো তথ্য জানতে দেখুন- ওয়েবসাইট

(কোম্পানির আমলনামা আগামীতে প্রকাশ করা হবে)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here