‘প্রাইম ব্যাংকে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে, পাঁচ বছরের রূপরেখা চূড়ান্ত’

0
700

প্রাইম ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) রাহেল আহমেদ। দ্বিতীয় প্রজন্মের বেসরকারি ব্যাংকটির গত ডিসেম্বরে দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি। দায়িত্ব নেয়ার আগে ব্যাংকার হিসেবে তার কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে- এএনজেড গ্রিন্ডলেজ ও স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, দুবাইয়ের রিজিওনাল ব্যাংক এমিরেটস এনবিডি ব্যাংকিং গ্রুপ ও ফার্স্ট গালফ ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ পদে। প্রাইম ব্যাংক ও দেশের ব্যাংকিং খাত নিয়ে সম্প্রতি কথা বলেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন –হাছান আদনান।

  • আগামীকাল প্রাইম ব্যাংক ২৪ বছরে পদার্পণ করছে।দীর্ঘ এ পথচলায় প্রাইম ব্যাংকের সাফল্য কী?

রাহেল আহমেদ : ‘আ ব্যাংক উইথ এ ডিফারেন্স’ স্লোগান নিয়ে ১৯৯৫ সালের ১৭ এপ্রিল প্রাইম ব্যাংক যাত্রা করেছিল। বিগত ২৩ বছর দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে কৃতিত্বপূর্ণ অবদান ও সর্বোত্কৃষ্ট গ্রাহক সেবার মাধ্যমে প্রাইম ব্যাংক নিজেকে ব্যতিক্রমী ব্যাংক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছে। ২০১৭ সাল শেষে ব্যাংকের আমানত ১৯ হাজার ৯০১ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। বর্তমানে প্রাইম ব্যাংকের সম্পদের পরিমাণ ২৫ হাজার ৬৬০ কোটি টাকা। দেশব্যাপী ১৪৬টি শাখা, ১৭০টি এটিএম বুথ, দেশের বাইরে ছয়টি এক্সচেঞ্জ হাউজ ও একটি ট্রেড ফিন্যান্সিং কোম্পানির মাধ্যমে আমরা গ্রাহকদের সেবা দিয়ে যাচ্ছি। দীর্ঘ পথচলায় প্রাইম ব্যাংক দেশের ব্যাংকিং খাতে অনেক নতুনত্ব এনে দিয়েছে।

  • ভবিষ্যৎ পথচলায় আপনাদের ভাবনা কী?

রাহেল আহমেদ : গত তিন বছরে প্রাইম ব্যাংকে আমূল পরিবর্তন এসেছে। এ সময় ব্যাংকের সামগ্রিক কার্যক্রম পুনর্গঠন করা হয়েছে। ব্রাঞ্চভিত্তিক ব্যাংকিং ধারণা থেকে বেরিয়ে আমরা সেন্ট্রালাইজেশনে চলে এসেছি। এখন প্রাইম ব্যাংকের শাখাগুলো শুধু সেলস অ্যান্ড সার্ভিস সেন্টার। করপোরেট গ্রাহকরা শাখায় গিয়ে শুধু সার্ভিসটা নিয়ে যাবে, কিন্তু প্রডাক্টটা সেখান থেকে পাবে না। এর জন্য আমাদের প্রধান কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট টিম কাজ করছে। শাখাগুলো এখন রিটেইল ব্যাংকিংয়ের প্রডাক্টগুলো বিক্রি করছে।

প্রাইম ব্যাংক নতুনভাবে যাত্রার প্রস্তুতি নিচ্ছে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই প্রাইম ব্যাংকের রিটেইল ব্যাংকিংয়ে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। আমরা আগামী পাঁচ বছরের পথচলার রূপরেখা চূড়ান্ত করেছি। ২০২১ সালে প্রাইম ব্যাংককে আমরা কোথায় দেখতে চাই, সেটি আমরা সবাই মিলে বসে মাথা খাটিয়ে চূড়ান্ত করেছি। এতদিন প্রাইম ব্যাংকের ব্যবসার প্রধান খাত ছিল করপোরেট ব্যাংকিং। ব্যাংকের মুনাফার বড় অংশই এ খাত থেকে আসত। কিন্তু আগামী পাঁচ বছর আমরা করপোরেট ও রিটেইল ব্যাংকিং খাত থেকে আয় ৫০/৫০ করতে চাই।

কনজিউমার এবং এসএমই ব্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে আমাদের কিছু বিশেষ পরিকল্পনা আছে। এ মুহূর্তে কৌশলগত কারণে সেটি পুরোপুরি বলতে পারছি না। দেশের আর্থসামাজিক অবস্থার পরিবর্তনকে সামনে রেখেই পরিকল্পনাটি সাজানো হয়েছে। ব্যক্তিপর্যায়ে আর্থিক উন্নতির ফলে আমাদের একটি মধ্যবিত্ত শ্রেণী গড়ে উঠেছে। ফলে বিশ্বের বড় বড় সব ব্র্যান্ড এখন বাংলাদেশমুখী। আমাদের কনজিউমার ফিন্যান্সিংয়ের পরিকল্পনা এ মধ্যবিত্ত শ্রেণীকে ঘিরেই তৈরি করা হয়েছে।

  • ব্যাংকিং সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশে নতুন নতুন ব্যাংক আসছে কিন্তু প্রডাক্টে কোনো বৈচিত্র্য আসছে না। এক্ষেত্রে প্রাইমব্যাংক কী করছে?

রাহেল আহমেদ : বাজারের প্রেক্ষাপট ও পরিস্থিতি অনুযায়ী, ব্যাংকিং প্রডাক্টে একেবারেই বৈচিত্র্য আসেনি, এ কথাটি পুরোপুরি ঠিক নয়। বাজারকে রিটেইল ও করপোরেট— এ দুটি ভাগে বিভাজন করে দেখতে হবে। করপোরেট ব্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে কয়েক বছর আগে সামিট গ্রুপ বা ইউনাইটেডের মতো বিদ্যুেকন্দ্রগুলো নির্মাণের সময় আমরা মেয়াদি ঋণ দিয়েছি। কিন্তু এখন বিদ্যুেকন্দ্র নির্মাণের প্রস্তাব এলে আমরা ইউসিএ ফিন্যান্সিংয়ের কথা বলছি। আমরা কনভার্টেবল বন্ড কিংবা প্রেফারেন্স শেয়ারের প্রস্তাব দিচ্ছি। আজ থেকে ৮-১০ বছর আগে করপোরেট ব্যাংকিংয়ে এসব ঋণপণ্য ছিল না। এ প্রডাক্টগুলো এখন বাজারে চলে এসেছে।

আমি একসময় স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকে ছিলাম। সে সময় আমরা এসব ঋণপণ্য বাজারে বাস্তবায়ন করেছি। কয়েকটি দেশী ব্যাংকও এখন এ ধরনের পণ্য নিয়ে কাজ করছে। প্রাইম ব্যাংক তার মধ্যে অন্যতম।

তবে রিটেইল ব্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে অপ্রত্যাশিতভাবে আমাদের ব্যাংকগুলো এখনো পিছিয়ে আছে। এ ক্ষেত্রে সে ধরনের কোনো প্রডাক্ট বৈচিত্র্য আসেনি। গাড়ি কেনার জন্য বিভিন্ন নামে প্রায় সব ব্যাংকই ঋণ দিচ্ছে। ব্যক্তিগত পর্যায়ের ঋণকে আমরা বিভিন্ন নামে প্রস্তাব করছি। বাড়ি বানানোর জন্যও প্রায় সব ব্যাংক মিলে নানা নামে ঋণ দিচ্ছি।

কনজিউমার (ভোক্তা) ঋণের ক্ষেত্রে আমরা সেভাবে এখনো মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারিনি। প্রতিবেশী দেশ ভারতের বাজারও এক্ষেত্রে অনেক দূর এগিয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেশের ব্যাংকগুলো সনাতনী ধ্যান-ধারণা নিয়ে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

  • অনেক সময় আপনি বিদেশে কাটিয়েছেন, সেসব দেশের ব্যাংকিং সেবার সঙ্গে আমাদের ব্যাংকিংয়ের কোনো তফাৎ?

রাহেল আহমেদ : প্রায় সাড়ে সাত বছর আমি দুবাইয়ের বৃহৎ দুটি ব্যাংকে কাজ করেছি। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বাংলাদেশের ব্যাংকিংয়ে ব্যবহূত প্রডাক্টগুলোর সঙ্গে দুবাইয়ের ব্যাংকিংয়ের খুব বেশি তফাত নেই। পার্থক্য আছে প্রডাক্টগুলোর আকারের ক্ষেত্রে। আমি এখানে ১০০ কোটি টাকার ঋণপণ্য নিয়ে কথা বলছি, আর মধ্যপ্রাচ্যে হয়তো সেটি হাজার কোটি টাকা নিয়ে কথা হচ্ছে। ব্যাংকিংয়ের অনেক সেবাই অর্থনীতির সূচকগুলোর ওপর নির্ভর করে। অর্থনীতির আকারের দিক থেকে তারা আমাদের চেয়ে এগিয়ে থাকায় ব্যাংকিং প্রডাক্টের আকারেও এগিয়ে আছে।

তবে বাংলাদেশে বিগত ৮-১০ বছরে ব্যাংকিং প্রডাক্টে ব্যাপক বৈচিত্র্য এসেছে। নতুন নতুন অনেক প্রডাক্ট চালু হয়েছে। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, প্রডাক্টের দিক থেকে অন্যান্য দেশের ব্যাংকিংয়ের চেয়ে আমরা তেমন পিছিয়ে নেই। ব্যাংকিং সেবার দিক থেকেও মৌলিক কোনো তফাত নেই।

আমাদের দেশে এলসিভিত্তিক ব্যবসা করছি। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে ওপেন অ্যাকাউন্ট ট্রেড বা এলসি ছাড়াই ব্যবসা চলছে। ব্যয় কমাতে আমাদের ব্যবসায়ী মহলও এলসি থেকে বেরিয়ে আসতে চাচ্ছে। বাস্তবতার কারণেই আমাদের কিছু ক্ষেত্রে এলসি ছাড়াই আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে যেতে হবে।

  • ব্যাংকঋণের উচ্চ সুদহার ও সীমাতিরিক্ত চার্জের আবর্তে গ্রাহকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, সব ব্যাংক উচ্চ মুনাফার পেছনে ছুটছে। তাহলে কী ব্যাংকিং এখন সেবা থেকে পুরোপুরি ব্যবসায় পরিণত হয়েছে?

রাহেল আহমেদ : সেবা ও ব্যবসার সমন্বয়ে ব্যাংকিং চলে। তবে ব্যাংকিং এখনো সেবা শিল্প হিসেবেই প্রতিষ্ঠিত। অনেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য গ্রাহকদের কাছ থেকে ফি কেটে রাখে। এর কোনো মানে হয় না। গ্রাহকদের সেবা দিয়ে যদি ফি চাওয়া হয়, তাহলে গ্রাহকও সন্তুষ্টচিত্তেই টাকা দিতে প্রস্তুত থাকে। অযৌক্তিক ফি আদায় ব্যাংকিং খাতের প্রতি গ্রাহকদের আস্থার ঘাটতি সৃষ্টি করতে পারে। গ্রাহকদের চাহিদার আলোকেই সর্বোত্কৃষ্ট সেবা দিয়ে আমাদের বেঁচে থাকতে হবে। এতে যে ব্যাংক ব্যর্থ হবে, তারাই হারিয়ে যাবে।

পৃথিবী এখন হাতের মুঠোয় চলে এসেছে। পুরো দুনিয়াটি এখন একটি বাজার। ইউরোপ-আমেরিকায় এখন কী হচ্ছে, তা সঙ্গে সঙ্গেই আমরা জেনে যাচ্ছি। প্রতিযোগিতাটি এখন আর দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে পুরো বৈশ্বিক ব্যাংকের সঙ্গে। মানুষ এখন ঘরে বসেই হিসাব খোলা থেকে শুরু করে সব ধরনের লেনদেন করতে চায়। এজন্য সেবাটিকে যতটা সুনিপুণভাবে তাড়াতাড়ি দেয়া যায় সেটি নিশ্চিত করতে হবে। মানুষের ধৈর্যসীমা কমে গেছে। এখন মানুষ তৈরি করা নুডলসের মতোই সবকিছু একসঙ্গে পেতে চায়। তবে দিন শেষে ব্যাংকিং চ্যারিটি সংগঠন নয়। এটি সবসময়ই মুনাফা তৈরির প্রতিষ্ঠান।

  • পর্যবেক্ষক মহল বলছে, দেশের ব্যাংকিং খাত বিপর্যয়ের দিকে যাচ্ছে। ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহী হিসেবে আপনার মূল্যায়নকী?

রাহেল আহমেদ : আমি মনে করি না, বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত বিপর্যয়ের দিকে যাচ্ছে। বরং আমি বলব, দেশের ব্যাংকিং খাত উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। এটি একটি বিবর্তনের ধারা। দেশের অর্থনীতিকে যদি একটি মহাসড়ক ধরি, তাহলে এ মহাসড়কে ৫৭টি গাড়ি চলছে। ৫৭টি ব্যাংকের একজন করে ড্রাইভার আছে। তারা যদি শক্ত হাতে স্টিয়ারিং ধরে রাখতে পারেন, তাহলে অর্থনীতি সুষ্ঠুভাবে চলবে। ড্রাইভারের সফলতা, ব্যর্থতার ওপরই ব্যাংকের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে।

দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে হলে শুধু ব্যাংকিং খাতেই নয়, বরং দেশের সর্বক্ষেত্রেই সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া ব্যাংকিং খাতে মার্জার অ্যান্ড অ্যাকুইজিশন অবশ্যম্ভাবী। আমাদের অর্থনীতির তুলনায় ৫৭টি ব্যাংক অনেক বেশি। চলার পথে অনেক বড় ধরনের বাঁক আসবে। এক্ষেত্রে যারা সততার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে পারবে, তারাই টিকে থাকবে। অদক্ষরা হারিয়ে যেতে বাধ্য হবে।

  • অল্প বয়সেই আপনি দেশের শীর্ষস্থানীয় একটি ব্যাংকের শীর্ষ ব্যবস্থাপকের পদে দায়িত্ব পেয়েছেন। এর পেছনে কোনবিষয়টি সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে?

বারাক ওবামা যখন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন, তখন তার বয়স ছিল ৪৪ বছর। ওই বয়সেই তিনি যদি পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমতাবান ব্যক্তির চেয়ারে বসতে পারেন, তাহলে কোনো ব্যাংকের শীর্ষস্থানে আমরা কেন একই বয়সে বসতে পারব না? বাংলাদেশের ৭৫ শতাংশ মানুষ এখন ৩৭ বছরের কম বয়সী। আমি ’৭১ সালের প্রজন্ম। ২৩ বছরের ব্যাংকিং ক্যারিয়ার আমার রয়েছে। ব্যক্তিজীবনে সাফল্যের পেছনে আমার প্রবল ডেডিকেশন ও অধ্যবসায় কাজ করেছে। তবে মা-বাবার দোয়াই আমি সাফল্যের সিঁড়ি হিসেবে পেয়েছি।

  • অন্যদের তুলনায় আপনি ব্যতিক্রম কোন ক্ষেত্রে?

কারো সঙ্গে আমি নিজেকে তুলনা করতে চাই না। যোগ্যতা নিয়েই সবাই বিভিন্ন ব্যাংকের এমডি হয়েছেন। তবে গ্রাহক এবং ব্যাংকারদের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমি খুবই যত্নশীল। আমি অবশ্যই ব্যাংকের স্বার্থ দেখি। আবার গ্রাহকদেরও সুখ-দুঃখের ভাগীদার হওয়ার চেষ্টা করি। গ্রাহকরা আমাদের কাছে লক্ষ্মী। তাদের ঘিরেই আমাদের ব্যবসা।

  • ২৪তম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে গ্রাহক ও শেয়ারহোল্ডারদের প্রতি আপনার বার্তা কী?

বাংলাদেশের কোনো মানুষ টাকা রাখার জন্য যদি সবচেয়ে নিরাপদ তিনটি ব্যাংকের নাম খোঁজে, তাহলে আমি বলব— প্রাইম ব্যাংক তার মধ্যে থাকবে। আমাদের প্রতি আমানতকারীদের আস্থার কোনো ঘাটতি নেই। কিছু কারণে গত বছর আমাদের মুনাফা কম হয়েছে। তবে বাজারে যখন অধিকাংশ ব্যাংক আমানতের জন্য হাহাকার করছে, তখনো প্রাইম ব্যাংকের কোনো সমস্যা হয়নি। এডি রেশিও কমিয়ে দেয়া নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানিয়েছিলাম। আমাদের আমানতের ৯০ শতাংশই রিটেইল। পরিচালনা পর্ষদ, শেয়ারহোল্ডার, গ্রাহক ও ব্যাংক কর্মীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রাইম ব্যাংক সাফল্যের শীর্ষস্থানের দিকে এগিয়ে যাবে।

  • সৌজন্যে : বণিক বার্তা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here