ডেস্ক রিপোর্টঃ ঈদের আগে গেল বৃহস্পতিবার দিন শেষে রিজার্ভের পরিমাণ ৩৩ দশমিক শূন্য ২ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়ায় বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র শুভঙ্কর সাহা দেশের শীর্ষ স্থানীয় একটি গনমাধ্যমকে জানিয়েছেন। প্রতি মাসে সাড়ে তিন বিলিয়ন ডলার আমদানি খরচ হিসাবে এই রিজার্ভ দিয়ে নয় মাসের বেশি সময়ের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব বলে জানা যায়।

গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর অর্থনীতির অন্যতম প্রধান এই সূচক ৩১ বিলিয়ন ডলার ছাড়ায়। গত ৪ নভেম্বর ছাড়ায় ৩২ বিলিয়ন ডলার। এরপর এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) আমদানি বিল পরিশোধের পর রিজার্ভ দুই বার ৩২ বিলিয়ন ডলারের নীচে নেমে এসে পরে আবার তা অতিক্রম করে। এই প্রথম ৩৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল রিজার্ভ।

রিজার্ভ বাড়ার কারণ জানতে চাইলে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) গবেষক জায়েদ বখত বলেন, ঈদ সামনে রেখে অর্থবছরের শেষ দিকে এসে রেমিটেন্স প্রবাহ বেড়েছে। কম হলেও রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা সম্ভব হয়েছে। এছাড়া ফরেন এইড (বিদেশি সাহায্য) ভলোই ছাড় হচ্ছে।

এসব কারণেই রিজার্ভ ৩৩ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক ছুঁয়েছে বলে মনে করেন অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান জায়েদ বখত।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বিদায়ী ২০১৬-১৭ অর্থবছরের ১১ মাসে (জুলাই-মে) ১১ দশমিক ৫৫ বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এই অঙ্ক আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ১৪ দশমিক ১৯ শতাংশ কম। সর্বশেষ মে মাসে গত বছরের মে মাসের চেয়ে রেমিটেন্স বেড়েছে ৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ। আর অর্থবছরের শেষ মাস জুনের ১৬ দিনে (১ জুলাই থেকে ১৬ জুলাই) রেমিটেন্স এসেছে ৭২ কোটি ৪৪ লাখ ডলার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here