সিনিয়র রিপোর্টার : সারা বিশ্বেই বেসরকারি খাতে শিল্প স্থাপন ও সম্প্রসারণের জন্য প্রয়োজনীয় তহবিলের বড় অংশ আসে পুঁজিবাজার থেকে। দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নে ইকুইটি ছাড়াও বন্ড মার্কেট থেকে অর্থ সংগ্রহে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন উদ্যোক্তারা। বৈশ্বিক এ চর্চার উল্টোটা বাংলাদেশে।

সহজলভ্য হওয়ায় নতুন শিল্প স্থাপন কিংবা পুরনো শিল্প সম্প্রসারণের জন্য তহবিল সংগ্রহে ব্যাংকের মেয়াদি শিল্পঋণকেই প্রাধান্য দিচ্ছেন উদ্যোক্তারা। পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহে দীর্ঘসূত্রতা ও কার্যকর বন্ড মার্কেটের অনুপস্থিতি উদ্যোক্তাদের পুঁজিবাজারবিমুখ করছে। এতে অপরিণতই থাকছে দেশের পুঁজিবাজার।

যদিও সরকারের পক্ষ থেকে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নে পুঁজিবাজারকে গুরুত্ব দেয়ার কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু দেশের ব্যাংক ব্যবস্থা ও পুঁজিবাজার থেকে শিল্পে অর্থায়নের তুলনামূলক পরিসংখ্যান পর্যালোচনায় দেখা যায়, পুঁজিবাজারের অবদান এক্ষেত্রে ক্রমান্বয়ে কমছে। গত সাত বছরে ব্যাংক ও পুঁজিবাজার থেকে শিল্প খাতে মোট ১০ লাখ ৩৫ হাজার ৪০৪ কোটি টাকা অর্থায়ন হয়েছে। এর মধ্যে ব্যাংকের মেয়াদি শিল্পঋণ হিসেবে এসেছে ৯ লাখ ১৪ হাজার ৪০ কোটি টাকা।

আর পুঁজিবাজার থেকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও), রিপিট পাবলিক অফার (আরপিও), রাইট ইস্যুর পাশাপাশি ডেট সিকিউরিটিজ ও ইকুইটি শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে এসেছে ১ লাখ ২১ হাজার ৩৬৪ কোটি টাকা, যা এ খাতে মোট অর্থায়নের মাত্র ১১ দশমিক ৭২ শতাংশ। গত সাত বছরে পুঁজিবাজার থেকে অর্থায়নের পরিমাণ বেড়েছে ১ দশমিক ৮৯ গুণ। একই সময়ে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে মেয়াদি শিল্পঋণ হিসেবে অর্থায়ন বেড়েছে ২ দশমিক ৫৩ গুণ।

সাত বছরেরও বেশি সময় ধরে দেশের পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের চেষ্টা চালাচ্ছে এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেড। ২০১৩ সালে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে আইপিওর অনুমোদনও পেয়েছিল কোম্পানিটি। কিন্তু পরিবেশগত ছাড়পত্র না থাকায় তা বাতিল হয়ে যায়। এরপর ২০১৬ সালে কোম্পানিটি ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে আইপিওর অনুমোদন পেলেও আইনি জটিলতার কারণে আবার বাতিল হয়ে যায়।

এনার্জিপ্যাকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ূন রশীদ বলেন, শিল্প স্থাপন ও অবকাঠামো খাতে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নে পুঁজিবাজার থেকে তহবিল সংগ্রহ সুবিধাজনক। এতে তহবিল সংগ্রহে ব্যয় কম হয়। কিন্তু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, বিশেষ করে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার আইপিও অনুমোদন প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতার কারণে অনেক ক্ষেত্রেই উদ্যোক্তারা পুঁজিবাজারে আসতে নিরুৎসাহিত হন। এক্ষেত্রে প্রক্রিয়াগুলোকে সংস্কার করে আরো সহজ করতে হবে।

ব্যাংকের কাছ থেকে দীর্ঘমেয়াদে অর্থ নিতে গেলে অনেক সময়ই তারা দিতে চায় না। বরং ট্রেড ফিন্যান্সিংয়েই বেশি আগ্রহী ব্যাংকগুলো। কারণ তাদের পক্ষে স্বল্পমেয়াদে আমানত নিয়ে দীর্ঘমেয়াদে অর্থায়ন করাটা কষ্টকর। পাশাপাশি সরকারের পক্ষ থেকেও পুঁজিবাজারে ভালো কোম্পানি তালিকাভুক্তির জন্য উদ্যোগ নিতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) বছরভিত্তিক তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, শিল্প স্থাপন ও সম্প্রসারণে ২০১১-১২ অর্থবছর ব্যাংক ব্যবস্থা ও পুঁজিবাজার থেকে মোট ৯৩ হাজার ৫২৩ কোটি টাকা অর্থায়ন হয়েছে। এর মধ্যে ব্যাংক থেকে মেয়াদি শিল্পঋণ হিসেবে এসেছে ৮০ হাজার ২৩৫ কোটি টাকা। এর বিপরীতে পুঁজিবাজার থেকে এসেছে ১৩ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা, যা মোট অর্থায়নের ১৪ দশমিক ২১ শতাংশ।

পরের অর্থবছর ব্যাংক ব্যবস্থা ও পুঁজিবাজার থেকে মোট ১ লাখ ২ হাজার ৭৩১ কোটি টাকা অর্থায়নের মধ্যে ব্যাংক থেকে এসেছে ৯০ হাজার ৩৩৪ কোটি আর পুঁজিবাজার থেকে এসেছে ১২ হাজার ৩৯৭ কোটি টাকা। পুঁজিবাজার থেকে এ অর্থায়ন মোট অর্থায়নের ১২ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ।

২০১৩-১৪ অর্থবছর পুঁজিবাজার থেকে শিল্প স্থাপন ও ব্যবসা সম্প্রসারণে সবচেয়ে বেশি ১৫ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ অর্থায়ন এসেছে। আলোচ্য সময়ে ব্যাংক ব্যবস্থা ও পুঁজিবাজার থেকে মোট অর্থায়ন হয়েছে ১ লাখ ১৮ হাজার ২৩৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে ১ লাখ ৩৯৫ কোটি টাকা ব্যাংকের মেয়াদি শিল্পঋণ। পুঁজিবাজার থেকে এসেছে ১৭ হাজার ৮৪০ কোটি টাকা।

২০১৪-১৫ অর্থবছর পুঁজিবাজার থেকে অর্থায়নের হার কমে ১২ দশমিক ১১ শতাংশে দাঁড়ায়। এ সময়ে ব্যাংক ব্যবস্থা ও পুঁজিবাজার থেকে মোট ১ লাখ ৪০ হাজার ১১৩ কোটি টাকা অর্থায়ন হয়। এর মধ্যে ব্যাংক থেকে আসে ১ লাখ ২৩ হাজার ১৪২ কোটি ও পুঁজিবাজার থেকে ১৬ হাজার ৯৭১ কোটি টাকা। দেশে শিল্প স্থাপন ও ব্যবসা সম্প্রসারণে সবচেয়ে কম মাত্র ৮ দশমিক ৬০ শতাংশ অর্থায়ন হয় এর পরের অর্থবছর।

আলোচ্য ২০১৫-১৬ অর্থবছর ব্যাংক ব্যবস্থা ও পুঁজিবাজার থেকে এ বাবদ অর্থায়ন হয় মোট ১ লাখ ৫৯ হাজার ৮৫০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ১ লাখ ৪৬ হাজার ১০২ কোটি টাকা আসে ব্যাংকের মেয়াদি শিল্পঋণ থেকে ও ১৩ হাজার ৭৪৮ কোটি টাকা এসেছে পুঁজিবাজার থেকে।

২০১৬-১৭ অর্থবছর পুঁজিবাজার থেকে অর্থায়নের পরিমাণ আগের বছরের তুলনায় কিছুটা বেড়ে ১১ দশমিক ৪১ শতাংশে দাঁড়ায়। আলোচ্য অর্থবছর শিল্প স্থাপন ও সম্প্রসারণে ব্যাংক ব্যবস্থা ও পুঁজিবাজার থেকে অর্থায়নের পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৯৩ হাজার ৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে ব্যাংক থেকে আসে ১ লাখ ৭০ হাজার ৯৮৮ কোটি ও পুঁজিবাজার থেকে ২২ হাজার ১৯ কোটি টাকা।

সর্বশেষ ২০১৭-১৮ অর্থবছর ব্যাংক ব্যবস্থা ও পুঁজিবাজার থেকে দেশে শিল্প স্থাপন ও সম্প্রসারণে মোট ২ লাখ ২৭ হাজার ৯৪৫ কোটি টাকা অর্থায়ন হয়েছে। এর মধ্যে ২ লাখ ২ হাজার ৮৪৪ কোটি টাকাই এসেছে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে মেয়াদি শিল্পঋণ হিসেবে। এর বিপরীতে পুঁজিবাজার থেকে এসেছে ২৫ হাজার ১০১ কোটি টাকা, যা মোট অর্থায়নের ১১ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ।

পুঁজিবাজার থেকে দীর্ঘমেয়াদে অর্থায়নের পরিমাণ বাড়াতে পলিসিগত সংস্কার আনতে হবে বলে মনে করেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব পাবলিকলি লিস্টেড কোম্পানিজের (বিএপিএলসি) প্রেসিডেন্ট আজম জে চৌধুরী। তিনি বলেন, দেশের পুঁজিবাজারে সব ধরনের ইনস্ট্রুমেন্টের উন্নয়ন হয়নি। যেমন একটি গতিশীল বন্ড মার্কেটের প্রয়োজন ছিল, যাতে কোম্পানিগুলো এর মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহ করতে পারে।

সম্প্রতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে স্টক লভ্যাংশ ও রিটেইনড আর্নিংসের ওপর ১৫ শতাংশ করারোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ধরনের বিষয়গুলো কিন্তু কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে আসতে নিরুৎসাহিত করবে। অন্যদিকে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের কারণে খেলাপি ঋণ আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে গেছে, যা ব্যাংকের সুদহার বেশি হওয়ার অন্যতম কারণ।

তাই আমি মনে করি, পুঁজিবাজার থেকে দীর্ঘমেয়াদে অর্থায়নের পরিমাণ বাড়াতে হলে আমাদের এখানে বিভিন্ন ধরনের যেসব পলিসি রয়েছে, সেগুলোকে সংস্কার করতে হবে। একই সঙ্গে এসব পলিসির ক্ষেত্রে ধারাবাহিকতা থাকাটাও গুরুত্বপূর্ণ। তাহলে পুঁজিবাজার থেকে তহবিল সংগ্রহে আগ্রহী হবেন উদ্যোক্তারা।

দুর্বল পুঁজিবাজারের কারণেই দেশের উদ্যোক্তারা ব্যাংকনির্ভর বলে মনে করেন ব্যাংকাররা। তাদের মতে, এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে সবার আগে পুঁজিবাজারের প্রতি আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে। পাশাপাশি নিশ্চিত করতে হবে স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা।

ব্যাংক নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান ও ঢাকা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দ মাহবুবুর রহমান এ প্রসঙ্গে বলেন, দেশের বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ পুরোপুরি ব্যাংকনির্ভর। পুঁজিবাজার ও বিদেশী প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম। ব্যাংকনির্ভরতা কমাতে হলে বিদেশী বিনিয়োগ আনতে হবে।

এজন্য প্রয়োজন ভালো কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করা। কার্যকর সুশাসন ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা ছাড়া এটি সম্ভব নয়। আস্থাই হলো পুঁজিবাজারের সবচেয়ে বড় সম্পদ। যদিও আমাদের সবচেয়ে বেশি ঘাটতির জায়গাটিও আস্থায়। বিদেশী বিনিয়োগ বাড়ানো বা পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়াতে হবে। নীতিনির্ধারণী পদগুলোয় যোগ্যদের নিয়োগ দেয়া দরকার। এটি ছাড়া পরিস্থিতির উন্নতি হবে না।

শিল্প স্থাপন ও ব্যবসা সম্প্রসারণে অর্থায়নে পুঁজিবাজারের অবদান কমার পাশাপাশি কমছে বাজার মূলধন ও জিডিপি অনুপাত। বিএসইসির বার্ষিক প্রতিবেদন অনুসারে ২০১০ সালে এ অনুপাত ছিল ৩২ দশমিক ৯৭ শতাংশ, সর্বশেষ ২০১৮ সালের জুন শেষে তা ১৭ দশমিক ১৯ শতাংশে নেমে এসেছে। অথচ পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে বাজার মূলধন ও জিডিপি অনুপাত ৭৭ দশমিক ৪১ শতাংশ।

এমনকি পাকিস্তান ও শ্রীলংকায়ও বাজার মূলধন ও জিডিপি অনুপাত যথাক্রমে ২৫ দশমিক ৪১ ও ২০ দশমিক ২৯ শতাংশ। হংকং স্টক এক্সচেঞ্জের বাজার মূলধন দেশটির জিডিপির ১ হাজার ২২৩ শতাংশ। তাছাড়া ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, তাইওয়ান, ফিলিপাইন, জাপান ও সিঙ্গাপুরে এ অনুপাত বাংলাদেশের তুলনায় অনেক বেশি।

দেশের পুঁজিবাজারকে গতিশীল করতে স্থানীয় ভালো কোম্পানিসহ সরকারি ও বহুজাতিক কোম্পানিগুলোকে পুঁজিবাজারে আনতে কাজ চলছে বলে জানান বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সাইফুর রহমান।

তিনি বলেন, কোম্পানিগুলো যাতে সহজে পুঁজিবাজারে আসতে পারে, এজন্য বিএসইসি বিভিন্ন সময় আইনি সংস্কার করেছে। স্থানীয় ভালো কোম্পানিসহ সরকারি ও বহুজাতিক কোম্পানিগুলোকে পুঁজিবাজারে আনতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। তাছাড়া একটি গতিশীল বন্ড মার্কেট গঠনেও আমরা কাজ করছি।

সাম্প্রতিক সময়ে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল, প্রাইভেট ইকুইটি, অল্টারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড ও স্পেশাল পারপাস ভেহিকল ফান্ডের মতো বেশকিছু ইনস্ট্রুমেন্টের জন্য প্রয়োজনীয় বিধিবিধান প্রণয়ন করা হয়েছে। সামনের দিনগুলোয় পুঁজিবাজার থেকে অর্থায়নের পরিমাণ আরো বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

আইপিও অনুমোদনে দীর্ঘসূত্রতার বিষয়ে বিএসইসির মুখপাত্র বলেন, কমিশন ডিসক্লোজারের ভিত্তিতে আইপিও অনুমোদন করে। কোম্পানির পক্ষ থেকে যেসব ডিসক্লোজার দেয়া হয়, সেগুলো যথার্থ কিনা সেটি যাচাই-বাছাইয়ে কিছুটা সময় লাগে। পাবলিক ইস্যু রুলসে বর্ণিত আইপিওর চেকলিস্ট অনুসারে কোম্পানিগুলো যদি প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সময়মতো জমা দেয়, তাহলে সেক্ষেত্রে সময় লাগে।

তাছাড়া কমিশনের লোকবল সংকটের কারণে আইপিও আবেদনের পরিমাণ বেড়ে গেলে সেক্ষেত্রেও অনুমোদন প্রক্রিয়ায় কিছুটা বেশি সময় লেগে যায়।

এখানে নদীর জমি দেখিয়েও ব্যাংক থেকে ঋণপ্রাপ্তির নজির আছে। আবার শুধু নাম আছে, ঠিকানা ভুয়া, এমন শিল্পের নামেও ঋণ দিয়েছে ব্যাংক। ঋণ পেতে যে জামানতের প্রয়োজন, তা না রেখেও শিল্পের নামে ব্যাংকঋণ মিলছে। ব্যাংক কর্মকর্তাদের যোগসাজশে নিয়ম অনুসরণ না করে এভাবে ব্যাংক থেকে শিল্পের নামে বিপুল অংকের ঋণ পাচ্ছেন উদ্যোক্তারা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here