পুঁজিবাজার শক্তিশালী করতে ১২৫০ কোটি টাকার আইসিবির ফান্ড

0
333

ICB- 1হুমায়ূন মুজিব : পুঁজিবাজার ও শিল্প খাতে বিনিয়োগ করতে ১ হাজার ২৫০ কোটি টাকার মিউচ্যুয়াল ফান্ড গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। শিল্প মন্ত্রণালয় এ ফান্ড গঠনের উদ্যোগ নিলেও পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন বাংলাদেশ (আইসিবি)। এ উপলক্ষে সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। পুঁজিবাজার শক্তিশালী করতে এই ফান্ড গঠন করা হয়েছে বলে অনেকে মনে করছেন।

Mutuial Fundআলোচনা সভায় অতিথি ছিলেন শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান, শিল্প সচিব মোহাম্মদ মইনউদ্দিন আবদুল্লাহ ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সভাপতি আহসানুল ইসলাম টিটু। ফান্ডের বিস্তারিত তুলে ধরেন আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফায়েকুজ্জামান।

সভায় ফায়েকুজ্জামান বলেন, এটি হচ্ছে একটি ওপেন-এন্ড ফান্ড। প্রাথমিক আকার হবে ১ হাজার ২৫০ কোটি টাকা। প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ১০০ টাকা ও ১০০ ইউনিটে মার্কেট লট নির্ধারিত হবে। তিনি বলেন, এই ফান্ডে কমপক্ষে ১০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করতে হবে। এর নাম দেয়া হয়েছে- আইসিবি এএমসিএল প্রবাসী শিল্প বিনিয়োগ মিউচ্যুয়াল ফান্ড।

ফান্ডের উদ্যোক্তা কারা হতে পারবেন এ বিষয়ে আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ব্যাংক, ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা, প্রভিডেন্ট ফান্ড, ফরেন ফান্ড, অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট ফান্ড, বীমা কোম্পানি, পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি, পেনশন ফান্ড। ট্রাস্টি ও কাস্টডিয়ান হবে আইসিসি ও অ্যাসেট ম্যানেজার হবে আইসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি।
তিনি বলেন, ফান্ডের ৪০ শতাংশ সংগ্রহ করা হবে উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান থেকে। বাকি ৬০ শতাংশ সাধারণ জনগণের মধ্যে বিক্রি করা হবে। ফান্ডের ৭০ শতাংশ তালিকাভুক্ত ও তালিকাভুক্ত নয় এমন প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করা হবে। এর মধ্যে ২০ শতাংশ শিল্প খাতে (ইয়োলো ও গ্রিন ফিল্ড) বিনিয়োগ করা হবে। বাকি ৩০ শতাংশ বিনিয়োগ করা হবে মানি মার্কেটে।

শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়–য়া বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের দেশে বিনিয়োগে আগ্রহী করতেই এ ফান্ড গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এটি বাজারে ছাড়া হলে শিল্পোদ্যোক্তারা উপকৃত হবেন ও শেয়ারবাজার শক্তিশালী হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেন, বিনিয়োগকারীদের জন্য দেশে বিনিয়োগের অনেক পথ খোলা রয়েছে। তবে বিনিয়োগকারীদের জন্য মিউচ্যুয়াল ফান্ড বেশ ভালো একটি উপায়।
গভর্নর বলেন, মিউচ্যুয়াল ফান্ড হলো এমন একটি ব্যবস্থা, যাতে বিনিয়োগকারীদের ইউনিট বরাদ্দ করে তাদের পুঁজি একত্র করা হয়। প্রস্তাবপত্রে ঘোষিত নীতিমালা অনুযায়ী সেই তহবিল সিকিউরিটিজ বা শেয়ারে খাটানো হয়। নতুন এ ফান্ডটি শেয়ারবাজার, শিল্প খাত ও মুদ্রাবাজার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে তিনি মনে করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here