পুঁজিবাজারে তারল্য বাড়ানোর বিষয় নিয়ে বৈঠক শুরু

1
688

স্টাফ রিপোর্টার : পুঁজিবাজারে তারল্য সংকট কাটানোসহ বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক শুরু হয়েছে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব মোঃ আসাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে চলমান এই বৈঠকে উপস্থিত আছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবীর ও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান ড. এম. খায়রুল হোসেন। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র এই তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, আজকের (বৃহস্পতিবার, ০৯ মে) বৈঠকের প্রধান আলোচ্য বিষয় হচ্ছে বাজারে গতিশীলতা ফেরানো। এটি করার জন্য বাজারে তারল্য প্রবাহ বাড়াতে হবে, যেখানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রক্ষণশীল অবস্থান আর কিছু বিধিনিষেধের কারণে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, বিশেষ করে ব্যাংকের বিনিয়োগের সুযোগ সংকুচিত হয়ে আছে।

স্টেকহোল্ডারদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে অর্থমন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেও বাংলাদেশ ব্যাংককে একটি বিষয়গুলো বিবেচনা করার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু তাতে কোনো সাড়া দেয়নি বাংলাদেশ ব্যাংক।

পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরানোর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনার প্রেক্ষিতে সব স্টেকহোল্ডার নড়েচড়ে বসেছে। এর প্রেক্ষিতেই বৃহস্পতিবার বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আজকের বৈঠকে অবশ্যই বাজারের জন্য ফলপ্রসু কোনো সিদ্ধান্ত বের হয়ে আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

স্টেকহোল্ডারদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে-

পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগ গণনার (Exposure to Capital Market) পদ্ধতি পরিবর্তন করে শেয়ারের বাজারমূল্যের পরিবর্তে ক্রয় মূল্যের ভিত্তিতে হিসাবায়ন করা; বন্ড, ডিবেঞ্চার ও শেয়ারে কৌশলগত বিনিয়োগকে এক্সপোজারের বাইরে রাখা; ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১(সংশোধিত ২০১৩)  বাধ্যবাধকতার বাইরেও নতুন করে ২০১৪ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি যে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ সীমা হিসাবায়নের ক্ষেত্রে সমন্বিত ভিত্তি গণনা করার বিষয়টি আরোপিত হয়েছে, সেটি বাতিল করা

তালিকাভুক্ত নয় এমন কোম্পানির শেয়ার, ডিবেঞ্চার, বে-মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটে করা বিনিয়োগকে ব্যাংকের এক্সপোজারের বাইরে রাখা।

বৃহস্পতিবারের বৈঠকটিকে স্বাগত জানিয়েছেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাবেক প্রেসিডেন্ট ও বর্তমান পরিচালক মোঃ রকিবুর রহমান। তিনি বলেছেন, পুঁজিবাজারকে গতিশীল করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ইতিবাচক ভূমিকা খুবই জরুরী। পুঁজিবাজারের বিকাশ এবং দীর্ঘমেয়াদী অর্থায়নে ব্যাংক-নির্ভরতা কমলে তা ব্যাংকিঙ খাতের জন্যেও মঙ্গলজনক হবে।

1 COMMENT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here