পুঁজিবাজারে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগ চায় বিএমবিএ

0
1018

করবর্হিভূত বা অপ্রদর্শিত অর্থ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ চেয়েছে বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ)। বলা হয়েছে, এ ধরনের অর্থ অনুৎপাদনশীল ও অনৈতিক কাজে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে। কোনো অথরিটির প্রশ্ন ছাড়াই অপ্রদর্শিত অর্থ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ দেয়া হলে তা জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বিএমবিএ আসন্ন ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনায় সংগঠনের সভাপতি মো. সাঈদুর রহমানের স্বাক্ষরিত চিঠিতে এমনটি দাবি জানানো হয়েছে অর্থমন্ত্রীর কাছে। অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ ছাড়াও মার্জিন লোনের উপর থেকে সুদ মওকুফ, লিস্টেট ও নন লিস্টেট কোম্পানির মধ্যে করের পার্থক্য ১৫ শতাংশ করা, ব্রোকার, মার্চেন্ট ব্যাংক ও এ্যাসেট ম্যানেজমেনট কোম্পানির মধ্যে একই হারে কর আরোপ করার দাবি জানিয়েছে।

BMBA Picঅপ্রদর্শিত অর্থ পুঁজিবাজারের বিনিয়োগের সুবিধা প্রদানের বিষয়ে বলা হয়েছে, আমাদের অর্থনীতিতে বিপুল পরিমাণ অর্থ করবর্হীভূত অবস্থায় আছে। এসব অপ্রদর্শিত অর্থের মালিকরা এগুলো কোনো উৎপাদনশীল খাতের বিনিয়োগ করতে আগ্রহী হন না। তারা এগুলো অনুৎপাদনশীল ও অনৈতিক কার্যক্রমে ব্যবহার করে। যদি সরকার কোনো অথরিটির জিজ্ঞাসা ছাড়া এসব অপ্রদর্শিত অর্থ পুঁজিবাজারের বিনিয়োগের সুযোগ প্রদান করে তাহলে এগুলো মূল ধারার অর্থনীতিতে সংযুক্ত হবে। এসব অর্থ উৎপাদনশীল খাতে ব্যবহার হবে। আমাদের অর্থ আরো শক্তিশালী হবে। তাহলে সরকার এসব অপ্রদর্শিত অর্থ থেকে আরো বেশি কর আদায় করতে পারবে।
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ও তালিকাভুক্ত ছাড়া কোম্পানির ক্ষেত্রে করের পার্থক্য নূন্যতম ১৫ শতাংশ রাখা উচিত বলে মনে করে বিএমবিএ। তারা বলছে, বর্তমানে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো ১০ শতাংশ কর রিয়াদ সুবিধা পেয়ে থাকে। কিন্ত আমাদের পুঁজিবাজারে আরো বেশি ভাল মানের কোম্পানি তালিকাভুক্ত হওয়া উচিত।  স্বাভাবিকভাবে তালিকা বর্হিভূত কোম্পানিগুলো সঠিকভাবে সরকারকে কর প্রদান করে না। তালিকাভুক্ত ও অ-তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে কর হারের পার্থক্য ১৫ শতাংশ হওয়া উচিত। তাহলে অনেক নতুন কোম্পানি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তিতে আগ্রহী হবে। এর মাধ্যমে পুঁজিবাজারও সম্প্রসারিত হবে এবং সরকারও আরো বেশি কর আদায় করতে পারবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here