‘পিটিএলে নতুন মেশিনারিজ সংযোজন হলে বিনিয়োগকারীরাও লাভবান হবেন’

0
295

মোহাম্মদ তারেকুজ্জামান : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানি প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল লিমিটেড (পিটিএল) ব্যবসা সম্প্রারণ ও উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নতুন মেশিনারিজ ক্রয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। গত সপ্তাহে কোম্পানিটি এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানিটির নতুন মেশিনারিজ ক্রয়ের এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। তাদের মতে, কোন কোম্পানি যদি উৎপাদন বাড়ানো ও ব্যবসার মুনাফা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নুতন মেশিনারিজ ক্রয় করে সেটা অবশ্যই ভালো একটি দিক। এতে করে কোম্পানির প্রতি শেয়ারহোল্ডারদের বিশ্বাস্ততা বৃদ্ধি পায়।

বিনিয়োগকারী ডা. মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন সোহেল বলেন, প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল নতুন মেশিনারিজ ক্রয় করে উৎপাদন বৃদ্ধি করলে তাদের মুনাফা বৃদ্ধি পাবে। এতে করে কোম্পানিটি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ভালো ডিভিডেন্ড দিতে পারবে।

সূত্রমতে, ২০১৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত হওয়া কোম্পানিটি দুটি নতুন মেশিন ক্রয় করবে। মেশিন দুটি হচ্ছে স্ট্যানটার ও সানফোরিজিং। স্ট্যানটার কিনবে চীন থেকে এবং সানফোরিজিং কিনবে ইতালি থেকে। স্ট্যানটার কিনতে খরচ হবে ১০ লাখ ইউএস ডলার এবং সানফোরিজিং কিনতে ব্যয় হবে ৩ লাখ ৪০ হাজার ইউরো।

২০০ কোটি টাকার অনুমোদিত মূলধন ও ১৩৫ কোটি ৪৯ লাখ টাকার পরিশোধিত মূলধনী কোম্পানিটির সচিব মো. রবিউল ইসলাম এফসিএস এক প্রশ্নের জবাবে স্টক বাংলাদেশকে বলেন, বস্ত্রখাতের কোম্পানি প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল কি পরিমান পণ্য বর্তমানে উৎপাদন করে তা অনুমান করে বলা সম্ভব নয়। তবে নুতন মেশিনারিজগুলো কারখানায় সংযোজন হলে বর্তমানের চেয়ে বেশি পরিমানে পণ্য উৎপাদন করতে পারবে এটা বলাই যায়।

তিনি আরও বলেন, গত বছর আমাদের কোম্পানির টার্নওভার ছিল ৪১১ কোটি টাকা। আশা করছি ২০১৯ সমাপ্ত অর্থবছরে টার্নওভার  ৫০০ কোটি টাকা অনায়াসেই ছাড়িয়ে যাবে। সব দিক থেকে কোম্পানির গ্রোথ খুবই ভালো। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ২০১৯ সমাপ্ত অর্থবছরের ডিভিডেন্ড বিনিয়োগকারীরা কি পরিমান পাবেন তা অডিট কমিটির রিপোর্টের ওপর নির্ভর করবে। আর আগামী আগস্ট/সেপ্টেম্বরের আগে মনে হয় অডিট রিপোর্ট সম্পন্ন হবে না।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সমাপ্ত অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ০ দশমিক ৬২০, দ্বিতীয় প্রান্তিকে আয় হয়েছে ০ দশমিক ৬১০ টাকা এবং তৃতীয় প্রান্তিকে শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ০ দশমিক ৯২০ টাকা। গত তিন প্রান্তিক মিলে শেয়ার প্রতি মোট আয় হয়েছে ২ দশমিক ১২০ টাকা।

কোম্পানিটিতে বর্তমানে স্পন্সর ডিরেক্টরদের শেয়ার রয়েছে ৬০ দশমিক ৭৫ শতাংশ, পাবলিক শেয়ার রয়েছে ২৪ দশমিক ১৩ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের শেয়ার রয়েছে ১১ দশমিক ৪৫ শতাংশ এবং বিদেশী বিনিয়োগ রয়েছে ৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here