পাওয়ার গ্রিডের মজুদ পণ্যের তথ্যে বিভ্রান্তি

0
143

স্টাফ রিপোর্টার : ২০১৭-১৮ অর্থবছরের আর্থিক হিসাবে প্রকৃত অবস্থার থেকে মজুদ পণ্যের (ইনভেন্টরী) পরিমাণ কম দেখিয়েছে পাওয়ার গ্রীড কর্তৃপক্ষ। যা নিয়ে ওই অর্থবছরের আর্থিক হিসাব নিরীক্ষায় আপত্তিকর মন্তব্য (কোয়ালিফাইড অপিনিয়ন) করেছেন নিরীক্ষক। একইসঙ্গে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের আর্থিক হিসাব অসম্পূর্ণ বলে জানিয়েছেন।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে, পাওয়ার গ্রীডের ৩১টি অফিস রয়েছে। এরমধ্যে নিরীক্ষক ২০টি গ্রীড মেইনটেনেন্স ডিভিশন পরিদর্শন করেছেন। যেখানে নিরীক্ষক ১৫৯ কোটি ১০ লাখ টাকার মজুদ পণ্য পেয়েছেন। কিন্তু কোম্পানি কর্তৃপক্ষ আর্থিক হিসাবে ১০১ কোটি ১৪ লাখ টাকার মজুদ পণ্য দেখিয়েছেন।

এক্ষেত্রে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ ৫৭ কোটি ৯৭ লাখ টাকার মজুদ পণ্য আর্থিক হিসাবে উপস্থাপন করেনি। যাতে পাওয়ার গ্রীডের অসম্পূর্ণ আর্থিক হিসাব প্রকাশ করা হয়েছে বলে নিরীক্ষক মন্তব্য করেছেন।

ডিএসইতে পাওয়ার গ্রিডের বৃহস্পতিবার শেয়ারপ্রতি লেনদেনের চিত্র প্রকাশ

পাওয়ার গ্রীড কর্তৃপক্ষ আর্থিক হিসাবে ১১ হাজার ৫১২ কোটি ৬ লাখ টাকার স্থায়ী সম্পদ আছে বলে উল্লেখ করেছে। যেসব সম্পত্তি নিরীক্ষক দ্ধারা সরেজমিনে যাছাই করা সম্ভব হয়নি। যাতে ওই সম্পদের সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে নিরীক্ষক জানিয়েছেন। এছাড়া বিএএস-৩৬ অনুযায়ি, পাওয়ার গ্রীড কর্তৃপক্ষ সম্পদ ইমপেয়ারম্যান্ট করে না বলে জানিয়েছেন।

এদিকে গ্রাহক আরপিসির কাছে পাওয়ার গ্রীডের ৫৪ লাখ ৩৯ হাজার টাকা পাওনা রয়েছে। যা ২০০৪-০৫ অর্থবছরে থেকে আর্থিক হিসাবে প্রতিবছর দেখানো হচ্ছে কিন্তু আদায় হচ্ছে না। এমতাবস্থায় টাকা আদায় হবে না এমন সম্ভাব্য ঝুঁকির বিপরীতে সঞ্চিতি গঠন করা দরকার হলেও পাওয়ার গ্রীড কর্তৃপক্ষ তা করে না। যাতে মুনাফা ও সম্পদ বেশি দেখানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নিরীক্ষক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here