ডেস্ক রিপোর্টঃ আবহাওয়াসহ সব কিছু ঠিক থাকলে এ মাসেই পাইপলাইনে এলএনজি দিতে পারব। বেসরকারি পর্যায়ে যারা এলএনজি আনতে চায় তাদের সঙ্গে চুক্তি করা হচ্ছে। দাম নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। দাম নির্ধারণের জন্য বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তারাই ঠিক করবে। তবে সরকারের পলিসি হচ্ছে শিল্প ও বাণিজ্যিক ব্যবহারে কিছুটা দাম সমন্বয় করা হবে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ ।

নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি ব্যবহারে আমাদের আরো উদ্যোগ বাড়ানোর প্রতি জোর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এরই মধ্যে আমরা খুলনায়, বাঘাবাড়ীতে ডিপো করছি। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতসহ বাংলাদেশে সর্বত্র বিশাল কর্মযজ্ঞ চলছে। এ উন্নয়নের ধারাবাহিকতা আমাদের ধরে রাখতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে বার্ষিক ৩০ লাখ টন জ্বালানি তেল শোধনের নতুন প্রকল্পের নকশার কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এটি হবে ইউরো-৫ মানের বিশ্বের সর্বাধুনিক তেল শোধনাগার। আগামী জুনের মধ্যে নকশা চূড়ান্ত হলে মূল ভৌত কাজ শুরু হবে। ২০২১ সালের মধ্যে এই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। এ প্রকল্পে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হলে বছরে ৩০০ মিলিয়ন ইউএস ডলার বা প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হবে।’