পরিচালক পদ ধরে রাখতে ৬০দিন সময় পেলেন শাহাবুদ্দিন

0
780

সিনিয়র রিপোর্টার : মার্কেন্টাইল ব্যাংকের পরিচালক পদ ধরে রাখতে ৬০ দিনের সময় পেলেন ব্যাংকটির পরিচালক ও এসএ গ্রুপের কর্ণধার মো. শাহাবুদ্দিন আলম। পূবালী ব্যাংকের ২৮০ কোটি টাকা পরিশোধে ব্যর্থতার কারণে ব্যাংক কোম্পানি আইন-১৯৯১-এর ১৭ ধারার বিধানমতে শাহাবুদ্দিন আলমকে নোটিস দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

২৪ সেপ্টেম্বর ইস্যুকৃত নোটিস প্রাপ্তির দিন থেকে ৬০ দিনের মধ্যে তাকে পূবালী ব্যাংকের দেনা পরিশোধ করতে হবে, অন্যথায় মার্কেন্টাইল ব্যাংকে তার পরিচালক পদ শূন্য হবে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

মো. শাহাবুদ্দিন আলমকে দেয়া নোটিসের অনুলিপি মার্কেন্টাইল ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং পূবালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে পাঠানো হয়েছে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের নোটিস এখনো পাননি বলে জানান মো. শাহাবুদ্দিন আলম। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো নোটিস এখনো পাইনি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ইস্যুকৃত নোটিসে বলা হয়েছে, আপনার বরাবর ইস্যুকৃত নোটিস প্রাপ্তির দুই মাসের মধ্যে আপনি যদি নোটিসে উল্লিখিত পরিমাণ অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হন, তাহলে ব্যাংক কোম্পানি আইন-১৯৯১-এর ১৭ ধারার বিধান অনুযায়ী ওই সময় অতিক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেডে আপনার পরিচালক পদ শূন্য হয়ে যাবে।

নোটিসের বিষয়ে আপনার কোনো বক্তব্য থাকলে তা লিখিতভাবে নোটিস প্রাপ্তির ৩০ দিনের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে উপস্থাপন করতে পারেন। আপনার বক্তব্যের ওপর বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।

ব্যাংক কোম্পানি আইন-১৯৯১-এর ১৭ ধারাটি পর্ষদ থেকে ব্যাংক পরিচালকদের অপসারণ প্রক্রিয়াসংক্রান্ত। ধারাটির ১ উপধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যাংকের পরিচালক নিজ ব্যাংক বা অন্য কোনো ব্যাংক অথবা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়ে পরিশোধে ব্যর্থ হলে সে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে খেলাপি গ্রাহককে নোটিস দিতে পারবে। এ ধরনের নোটিস প্রাপ্তির পর খেলাপি পরিচালক দুই মাসের মধ্যে ব্যাংকের টাকা পরিশোধ করবেন।

নির্ধারিত সময়ে টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হলে ওই পরিচালকের পদ শূন্য হয়ে যাবে।

১৭ ধারার ২ উপধারার বিধান অনুযায়ী, ঋণখেলাপি পরিচালক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য থাকলে সেটি নোটিস প্রাপ্তির ৩০ দিনের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংককে জানাতে পারবেন। ধারাটির ৩ উপধারার বিধান অনুযায়ী, আত্মপক্ষ সমর্থনের পত্র পাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

তবে এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। এ ধারার ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ ব্যাংক কোনো ব্যবস্থা নিলে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত কোনো আদালতে আপিল করা যাবে না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here