ন্যাশনাল হাউজিং ও অন্যান্য

0
506

স্টাফ রিপোর্টার : সম্প্রতি শেয়ারের অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধির পেছনে মূল্য সংবেদনশীল কোন তথ্য নেই বলে জানিয়েছে ন্যাশনাল হাউজিং। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষের চিঠির জবাবে এ তথ্য দিয়েছে কোম্পানিটি।

সর্বশেষ রেটিং অনুযায়ী, ঋণমান দীর্ঘ মেয়াদে ‘এ ওয়ান’ ও স্বল্প মেয়াদে ‘এসটি-টু’। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে এ মূল্যায়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ (সিআরএবি)।

চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ১১ পয়সা; আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ২৬ পয়সা। দ্বিতীয় প্রান্তিকে এনএইচএফআইএলের ইপিএস হয়েছে ৬৩ পয়সা পয়সা, আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ৭০ পয়সা। ৩০ জুন কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৫ টাকা ১৯ পয়সা।

২০১৭ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ১৯ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ন্যাশনাল হাউজিং। গেল বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৪০ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর কোম্পানির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৫ টাকা ৯৮ পয়সায়।

২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ১৮ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয় ন্যাশনাল হাউজিং। সে হিসাব বছরে প্রতিষ্ঠানটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ২৯ পয়সা। ২০১৫ হিসাব বছরের জন্য ১৭ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেয়েছেন ন্যাশনাল হাউজিংয়ের শেয়ারহোল্ডাররা।

২০০৯ সালে তালিকাভুক্ত ন্যাশনাল হাউজিংয়ের অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১০৬ কোটি ৩৯ লাখ ২০ হাজার টাকা। রিজার্ভ ৬৩ কোটি ৬৭ লাখ টাকা।

কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ১০ কোটি ৬৩ লাখ ৯২ হাজার। এর মধ্যে ৬০ দশমিক ৬৮ শতাংশ এর উদ্যোক্তা-পরিচালকদের কাছে, সরকার ৯ দশমিক ৩৪, প্রতিষ্ঠান ১৯ দশমিক শূন্য ৮ ও বাকি ১০ দশমিক ৯০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here