ন্যাশনাল ফিডের আইপিও আবেদন ২৬ অক্টোবর

0
1684

সিনিয়র রিপোর্টার : ন্যাশনাল ফিড মিল লিমিটেডকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমোদন দিয়েছে। নতুন ও পুরণো দুটি পদ্ধতিতে আইপিও আবেদনপত্র গ্রহণ করা হবে। আবেদন চলতি মাসের ২৬ অক্টোবর শুরু হয়ে শেষ হবে ৩০ অক্টোবর। তবে দেশের বাইরের বিনিয়োগকারীদের জন্য ৮ নভেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়। ডিএসই বুধবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

কোম্পানির তথ্য অনুসন্ধানের জন্য ওয়েবসাইট অবশেষে খুঁজে পাওয়া গেছে। গত সপ্তাহে কোম্পানির নিজস্ব ওয়েবসাইট নির্মাণ ও প্রকাশের জন্য প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ন্যাশনাল ফিড মিল লিমিটেডের কোম্পানি সচিব আরিফুর রহমান। ওয়েবসইট বিষয়ে তিনি  কোন প্রকার তথ্য প্রকাশ না করার জন্য অনুরোধ করে এক সপ্তাহের সময় চান।

এরপূর্বে ‘ন্যাশনাল ফিডের আইপিও আবেদন অক্টোবরে’ শিরোনামে ওয়েবসাইট সম্পর্কে অনেক তথ্য প্রকাশ করা হয়। এরপরই নিজস্ব ওয়েবসাইট নির্মাণ ও প্রকাশ করে প্রতিষ্টানটি।  ইতোমধ্যে কোম্পানিটি ডিএসইতে প্রফাইল জমা দিয়েছে।

সপ্তাহ শেষে আইপিওতে আসা কোম্পানিটি সম্পর্কে আরো নতুন তথ্য জানতে তাকে ফোন করা হয়। একধিকবার বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মীরা তার মোবাইল ফোনে ফোন করলেও তিনি আর রিসিভ করেন না। তবে কেন ফোন রিসিভ করছেন না, এ বিষয়ে অনুসন্ধানেও কোন তথ্য মিলছে না।

গত ১০দিন আগে এ প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা হলে আরিফুর রহমান বলেন, আজকে ব্যস্ত আছি। আপনি ইন্টারভিউয়ের জন্য আগামীকাল দুপুরে ফোন দিয়ে আসুন। পরদিন তাকে ফোন  দেয়া হলে তিনি বলেন, আগামী সপ্তাহের প্রথমেই আসুন। এরপর থেকে তাকে একাধিকবার অনেক সংবাদকর্মী ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

কোম্পানিটি সম্পর্কে এর আগে ১১ সেপ্টেম্বর সচিব আরিফুর রহমার টেলিফোনে এক সাক্ষাতকারে স্টক বাংলাদেশকে বলেন, ন্যাশনাল ফিডের আওতায় ৫টি কোম্পানি রয়েছে। মূল কোম্পানি হিসেবে কাজ করছে ন্যাশনাল ফিড। গাজীপুরের মাওনায় প্রতি ঘন্টায় ১৮ টন ক্ষমতা সম্পন্ন দুটি কারখানা রয়েছে। উৎপাদিত এসব খাদ্য সারা দেশে ডিলারদের মধ্যে বিক্রি করা হয়। তার এসব বক্তব্যের সত্যতা নিশ্চিতে তিনি আর সুযোগ দেননি।

আরিফ বলেন, আমাদের উৎপাদিত পণ্য সারা দেশে ডিলারদের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়। বিদিশে বা দেশের বাইরে আমাদের কোন ক্রেতা নাই। এবং আমারাও রপ্তানী করি না। তবে ভবিষ্যতে করা হবে বলে তিনি জানান।

তিনি জানান, ২০১৩ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ন্যাশনাল ফিডের প্রতি শেয়ারে আয় (ইপিএস) ১.৮৬ টাকা  এবং (ন্যাভ) সম্পদ ১৪.৫৫ টাকা রয়েছে।

কোম্পানিটির প্লেসমেন্ট শেয়ার রয়েছে ১০কোটি এবং তা ১ বছরের জন্য লকিং করা ছিল।

বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, ন্যাশনাল ফিড মিল লিমিটেড আইপিওর মাধ্যমে ১৮ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। উত্তোলিত অর্থে ব্যবসা সম্প্রসারণ, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ, চলতি মূলধন বাড়ানো এবং আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে। ন্যাশনাল ফিড ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ১ কোটি ৮০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ১৮ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে।

টেলিফোনে আলাপচারিতায় আরিফুর রহমার জানান, কোম্পানি তার বিনিয়োগকারীদের জন্য ২০১৩ সালে ১০ শতাংশ ক্যাশ লভ্যাংশ ঘোষণা করে। তবে পরের বছর ২০১২ সালে কোন লভ্যাংশ দিতে না পারলেও ২০১১সালে ২০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করে। এর আগে ২০১০ সালে কোম্পানি ৪৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল।

কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড ও পিএলএফএস ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

পেছনের খবর : ন্যাশনাল ফিডের আইপিও অনুমোদন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here