‘নো অবজেকশন’ হলেই আইপিও অনুমোদন

0
1779

শাহীনুর ইসলাম : আইপিও অনুমোদন পেতে এখন থেকে লাগবে ‘নো অবজেকশন’ লেটার। ইস্যু ম্যানেজারের মাধ্যমে কোম্পানির প্রসপেক্টাস শুধু নিয়ন্ত্রক সংস্থা নয়, দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জকেও দিতে হবে। এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষ কোম্পানির অবস্থা পর্যবেক্ষণ করবে। এবং অবশেষে ‘নো অবজেকশন’ দিলেই কোম্পানির আইপিও অনুমোদন।

সম্প্রতি মেঘনা গ্রুপের কোম্পানি বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের আইপিও স্থগিত করা হয়েছে। গত ৩০ জুন, মঙ্গলবার থেকে কোম্পানিটির আইপিওর আবেদন জমা নেয়ার কথা ছিল। নানান অভিযোগে বিএসই স্থগিত ঘোষণা করে।

বিমা কোম্পানিগুলোর নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) অনুমোদন ছাড়াই ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিটি পরিশোধিত মূলধন বাড়িয়েছে। এমন অভিযোগ ওঠায় আইপিও স্থগিত করা হয়েছে। যে কারণে ঢাকা এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (লিস্টিং) রেগুলেশন, ২০১৫’র গেজেট প্রকাশ করেছে

গেজেটে বলা হয়েছে, কোম্পানি আইপিও অনুমোদন পেতে ইস্যু ম্যানেজারের মাধ্যমে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) প্রসপেক্টাস জমা দিতে হয়। এখন থেকে প্রসপেক্টাস উভয় স্টক এক্সচেঞ্জও জমা দিতে হবে। উভয় এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষ কোম্পানির প্রসপেক্টাস যাচাই-বাচাই করে আইপিওর পাবার যোগ্যতা বা অযোগ্যতার প্রতিবেদন বিএসইসিতে জমা দেবে।

আইপিও অনুমোদন পাবার যোগ্য হয় তাহলে স্টক এক্সচেঞ্জকে ‘নো অবজেকশন’ চিঠি বিএসইসিতে জমা দিতে হবে। বিএসইসি পরবর্তীতে কোম্পানিকে আইপিওর অনুমোদন দেবে। যদি স্টক এক্সচেঞ্জ কোনো কোম্পানির আইপিও অনুমোদনের ক্ষেত্রে অনাপত্তিপত্র জানায় তাহলেও বিএসইসিকে এর কারণ দর্শাতে হবে। বিএসইসি চাইলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে আইপিওর অনুমোদন দিতে পারে।

এক্ষেত্রে আইপিও সাবস্ক্রিপশন শেষে সিডিবিএলে শেয়ার জমা করার পর লেনদেনের জন্য যে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জের অনুমোদন নেয়া লাগে সেই নিয়ম আর থাকছে না।

প্রকাশিত গেজেট দেখতে ক্লিক করুণ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here