স্বস্থির বাজারে আশঙ্কাও দুলছে

0
2352

রাহেল আহমেদ শানু : সুনামির পরে মানুষ পুঁজিবাজারে ব্যবসা ছেড়েই দিয়েছিল। অনেক চেষ্টা করেও যেন সূচক ও লেনদেনের গতি ফেরানো যাচ্ছিল না। হঠাৎ যেন সেই চেহারার পরিবর্তন দেখা দিয়েছে। লেনদেনের ক্ষেত্রে ২০০ কোটি টাকার ঘরে নেমে যাওয়া পুঁজিবাজার এখন ২ হাজার কোটি টাকার ঘর ছাড়িয়েছে।

সূচক ৬ হাজারের ঘর ছুঁই ছুঁই করছে। লেনদেন ধারাবাহিকতায় ২ হাজার কোটি টাকা ছাড়ানোর চিত্র এখন যেন স্বাভাবিক ব্যাপার। তবে ১৭ জানুয়ারি প্রথম ২ কোটি টাকার ঘরে পৌছে বাজার। ধস-পরবর্তী বাজারে এটাই ছিল প্রথম সবচেয়ে বেশি লেনদেন।

পূবালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুল হালিম চৌধুরী এ প্রসঙ্গে বলেন, ব্যাংকের আমানতের সুদহার কমে যাওয়ায় মানুষ শেয়ারবাজারের দিকে ঝুঁকছেন। প্রায় সব ব্যাংক থেকেই গ্রাহকরা আমানতের অর্থ তুলে নিয়ে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করছেন, যার ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে শেয়ারবাজারে।

শেয়ারবাজারের প্রতি মানুষের আস্থা ফেরায় বিনিয়োগ বেড়েছে দাবি করে তিনি বলেন, এ মুহূর্তে বাজারে বিরাজমান পরিস্থিতি স্বাভাবিক বলেই আমি মনে করি। এর আগের দর বৃদ্ধি ছিল অস্বাভাবিক।

পুঁজিবাজারের গতি বাজার সংশ্লিষ্টদের কাছে স্বাভাবিক মনে হলেও ঊর্ধ্বগতির বাজারের সাম্প্রতিক উল্লম্ফনে অনেকেই ২০১০ সালের ছায়া দেখতে পাচ্ছেন। একটানা উত্থান ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মূল্যসূচক বৃদ্ধি অনেকের মনে নতুন শঙ্কার সৃষ্টি করেছে।

অনেকের ধারণা, পুরনো খেলোয়াড়রা এখন নতুন করে সক্রিয়। তারাই বাজার প্রভাবিত করছে। যদিও ডিএসইর পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, বাজার অতি মূল্যায়িত হয়নি বরং সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নেয়া পদক্ষেপের কারণেই পুঁজিবাজার নতুন করে প্রাণ ফিরে পেতে শুরু করেছে। বাজারের আইনকানুনে নানামুখী সংস্কার করার ফলেই বিনিয়োগকারীরা বাজারমুখী হতে শুরু করেছেন।

তবে জেড ক্যাটাগরির কিছু শেয়ারের দাম অব্যাহতভাবে বাড়তে থাকায় বাজার বিশ্লেষকরা বিষয়টিকে নিয়ে ভাবতে বলছেন সংশ্লিষ্টদের। তাদের মতে, শেয়ারের মূলধন কম থাকায় এসব কোম্পানি নিয়ে খেলাধুলার সুযোগ আছে। এই সুযোগ কেউ নিচ্ছে কিনা তা দেখতে সার্বক্ষণিক সার্ভিল্যান্স ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নেয়া দরকার। বিনিয়োগকারীদেরও সতর্ক করতে হবে।

দেশের অর্থনীতির তুলনায় আমাদের শেয়ারবাজার বড় না হলেও কিছু কিছু কোম্পানির শেয়ারের দাম যখন অব্যাহতভাবে বাড়তে থাকে, তখন উদ্বিগ্ন হওয়াটাই স্বাভাবিক। কম দামি শেয়ারে জুয়াড়িদেরই লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ভালো মৌলভিত্তির শেয়ার দীর্ঘমেয়াদে যে লাভ এনে দেয় বিনিয়োগকারীদের এটা বুঝতে হবে।

পুঁজিবাজার বিশ্লেষক অধ্যাপক মুজিব উদ্দিন আহমেদ বলেন, বর্তমানে লেনদেন ও সূচকের এ গতিকে অস্বাভাবিক মনে করার কিছুই নেই। দীর্ঘদিন ধরে পুঁজিবাজার মন্দার মধ্য দিয়ে গেছে। তাই সূচক আরো বাড়লেও সমস্যা নেই। তবে বাজারে সূচক বাড়ায় কিছু দুর্বল মৌলভিত্তির কোম্পানির শেয়ারের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। এ কোম্পানিগুলো সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে বলে মনে করেন তিনি।

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ২০২০ সালের মধ্যে ‘শক্তিশালী পুঁজিবাজার’-এর যে প্রত্যাশা করছেন, সে জন্য নতুন ও ভালো প্রতিষ্ঠানের আইপিও বাজারে আনতে হবে বলে মনে করছেন এ বিশেষজ্ঞ।

চলতি বছরের শুরু থেকেই চড়ছে পুঁজিবাজার। লেনদেন প্রতিদিনই বাড়ছে, সঙ্গে সূচকও। ২০১০ সালের পর সবচেয়ে বেশি ২ হাজার ১৮১ কোটি টাকা লেনদেনের রেকর্ড হয়েছে  ১৭ জানুয়ারি। এদিন ডিএসইতে সূচকও প্রায় ৫ হাজার ৭০০ পয়েন্টে দাঁড়ায়।

২০১৬ সালের (৪-৮ ডিসেম্বর) সপ্তাহ  থেকে আর্থিক লেনদেন বাড়তে শুরু করে, যা টানা ৭ সপ্তাহ পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। একটানা বৃদ্ধির পর অবশেষে সর্বশেষ সপ্তাহে (২২-২৬ জানুয়ারি) এ লেনদেন কিছুটা কমেছে।

দেখা গেছে, ২০১৬ সালের ৪-৮ ডিসেম্বরের সপ্তাহে ডিএসইতে ২০ দশমিক ৮৩ শতাংশ লেনদেন বাড়ার মাধ্যমে টানা উত্থানের শুরু হয়। এ সময় দৈনিক গড় হিসাবে ৮৭০ কোটি ১৩ লাখ টাকার লেনদেন হয়। ১৫-১৯ জানুয়ারি ২৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ বেড়ে হয় ১ হাজার ৭৯৫ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। তবে গত সপ্তাহে (২২-২৬ জানুয়ারি) লেনদেনে কিছুটা সংশোধন হয়েছে। আলোচিত সময়ে ৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ কমে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৭৩১ কোটি ৪৩ লাখ টাকার।

পুঁজিবাজারের এমন উল্লম্ফন দেখে অনেক বিনিয়োগকারীই এখন আগ্রহী হয়ে উঠছেন মার্কেটে ব্যবসা করতে। গত মাস থেকে মনির হোসেন নামের এক বিনিয়োগকারী শেয়ারবাজারে এসেছেন। তার বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় ৪ লাখ টাকা। তিনি বলেন, হঠাৎ শেয়ারবাজার নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছে। এ কারণেই একটি কোম্পানিটির শেয়ার কিনেছি। দরও বাড়ছে, তবে ভয় হচ্ছে যদি আবার আগের মতো বাজারে ধস নামে।

সরজমিন দেখা গেছে, ব্রোকারেজ হাউসগুলোতে ভিড় বাড়ছে। মানুষ আনন্দের সঙ্গে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করছে। এ যেন বিনিয়োগের উৎসব। ২০১০ সালের ধস-পরবর্তী ২০০ কোটি টাকার নিচে নেমে যাওয়া লেনদেন এখন ২ হাজার কোটি টাকার ঘরে ওঠানামা করছে। খোলাবাজারে বেড়ে গেছে ডলারের প্রবাহ। শেয়ারবাজারের এ হঠাৎ উত্থান স্বাভাবিক ধারায়, নাকি শেয়ার কেলেঙ্কারির পুরনো খেলোয়াড়রা নতুন কোনো ছক কষছেন, সে প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।

কারণ, ১৯৯৬ ও ২০১০ সালে শেয়ার কেলেঙ্কারির মূল কুশীলবরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরেই রয়ে গেছেন। ১৯৯৬ সালে কারসাজির মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার পর ২০১০ সালে আরো বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটে। দুটি বিপর্যয়ের মাঝে সময়ের ব্যবধান ছিল ১৪ বছর। তবে এবার ৭ বছরের মাথায়ই বাজারে অস্বাভাবিক উল্লম্ফন তৈরি হয়েছে।

শেয়ারবাজারের ঘুরে দাঁড়ানোকে ভালো লক্ষণ হিসেবে দেখলেও এ ব্যাপারে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন পুঁজিবাজার বিশ্লেষক অধ্যাপক আবু আহমেদ। তিনি বলেন, শেয়ারবাজারে লেনদেন বেড়েছে। এটি যেমন একটি ভালো লক্ষণ। তেমনি এ বাজারকে ধরে রাখতেও অনেক কষ্ট করতে হবে। আমি বেশ আগ্রহের সঙ্গে বাজার পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছি।

তবে একই সঙ্গে সতর্কও থাকতে হবে, যাতে বাজার এমন পর্যায়ে না যায়, যা আবার আগের মতো বিপর্যয় ডেকে আনে। এ ছাড়া কিছু মন্দ শেয়ারের দামও বাড়ছে হু হু করে। এ বিষয়টা খতিয়ে দেখা দরকার।

তিনি বলেন, বাজার নিজস্ব গতিতেই চলছে। তবে বর্তমানে যে মানের কোম্পানি বাজারে আসছে তা দিয়ে বাজার ধরে রাখা যাবে না। আরো ভালো ভালো কোম্পানি আনতে পারলে বাজার আরো ভালো হবে এবং ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকবে।

অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, অর্থমন্ত্রী সুদূরপ্রসারি চিন্তাভাবনা করেই এ কথা বলেছেন। দেশে দীর্ঘমেয়াদি পুঁজির জন্য শেয়ারবাজারের সম্পৃক্ততা অনেক জরুরি। তাই অনেক বেশি ভালো ও শক্তিশালী দেশি-বিদেশি, সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানকে পুঁজিবাজারে যুক্ত করতে হবে। এছাড়া জবাবদিহিমূলক রেগুলেটরি বডি, সুশিক্ষিত বিনিয়োগকারী যুক্ত হলেই আমরা এ ধারাকে অব্যাহত রাখতে পারব।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, মাত্র আড়াই মাসের ব্যবধানে বদলে গেছে শেয়ারবাজারের চেহারা। ২০ শতাংশের বেশি বেড়ে গেছে সূচক। বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারদর ৫০ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। অফিস-আদালত, হাটবাজারে, রেস্তোরাঁয় এমনকি বাসায় বাসায়ও শেয়ারবাজার নিয়ে আলাপ-আলোচনা শোনা যায়। নতুন করে শেয়ার কেনার প্রস্তুতি নিচ্ছেন প্রায় সব শ্রেণি-পেশার মানুষ।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালক রকিবুর রহমান বলেন, বাজারে যা-ই হোক, দীর্ঘমেয়াদে একজন বিনিয়োগকারীকে অবশ্যই মৌলভিত্তির কথা মাথায় রাখতে হবে। তা না হলে তারা কারসাজির শিকার হতে পারেন।

মনে রাখতে হবে, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ সব সময় ঝুঁকিপূর্ণ। তাই বাজারে বিনিয়োগের আগে কোম্পানির মৌলভিত্তি দেখেই বিনিয়োগ করতে হবে। ধার-দেনা করে, পরিবারের মানুষের গহনা বেচে, বাড়ির গরু বেচে বিনিয়োগের দরকার নেই। কোম্পানি সম্পর্কে জেনে-বুঝে বিনিয়োগ করতে হবে। তবে তিনি বড় কোম্পানিগুলোকে বাজারে আসার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, বাজার ভালো যাচ্ছে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি ছোট বিনিয়োগকারীরাও বাজারে এখন সক্রিয়। সবাই খুশি। প্রতিদিনই লেনদেনে রেকর্ড হচ্ছে। বাড়ছে সূচক। এ অবস্থায় ৩০০-৩৫০ শেয়ার দিয়ে হবে না। সত্যিকার অর্থে শক্তিশালী পুঁজিবাজার গড়ে তুলতে ৩ হাজার প্রতিষ্ঠানের শেয়ারবাজারে থাকতে হবে। এখন থেকেই এর প্রস্তুতি নিতে হবে। প্রতি মাসেই যাতে দু-তিনটি ভালো প্রতিষ্ঠানের আইপিও বাজারে আসে সে ব্যবস্থা করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, বড় বড় প্রতিষ্ঠান যাতে ব্যাংক থেকে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ না পায়, সে ব্যবস্থা করতে হবে। তাহলে বাধ্য হয়ে তারা শেয়ারবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করবে। এতে বাজার সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী হবে।

রকিবুর রহমান মনে করেন, যদি পুঁজিবাজারে আইন-কানুন সব কিছু সঠিকভাবে পালন হয় তাহলে আগামী ২০২০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে জিডিপির ৫০ শতাংশ অবদান রাখবে পুঁজিবাজার। তিনি বলেন, আমাদের দেশে অর্থনীতিতে বর্তমানে পুঁজিবাজারের অবদান মাত্র ১৯ শতাংশ। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের অর্থনীতিতে সে দেশের পুঁজিবাজারের অবদান ৭০ শতাংশ।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, সিকিউরিটিজ আইন অমান্য করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তার জন্য শাস্তির বিধান রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে আমরা নিয়ন্ত্রক সংস্থার এমন বেশ কিছু পদক্ষেপ দেখেছি। এগুলো ইতিবাচক। সব অপরাধেরই শাস্তি হওয়া দরকার। কিন্তু সমস্যা হলো, শেয়ারবাজারে সব সময় কারসাজির প্রমাণ নিশ্চিত করা যায় না। উন্নত বিশ্বেও আমরা দেখেছি, ইনসাইডার ট্রেডিং বা সার্কুলার ট্রেডিংয়ের মতো অপরাধগুলোর বিচার সহজ হয় না।

এদিকে শেয়ারবাজারকে ঘিরে খোলাবাজারে ডলার সরবরাহও বেড়ে গেছে। অনেকেই বলছেন, মানি লন্ডারিংয়ে দেশে বিভিন্ন মাধ্যমে বিপুলসংখ্যক ডলার এসেছে। এসব ডলার টাকায় রূপান্তর হয়ে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ হয়ে থাকতে পারে।

নাম প্রকাশ না করার স্বার্থে কয়েকজন খোলাবাজারে ডলার ব্যবসায়ী বলেন, দুই সপ্তাহ আগেও খোলাবাজারে ডলার সংকট ছিল। কিন্তু সে সংকট এখন আর নেই। ডিসেম্বরে খোলাবাজারে প্রতি ডলার সর্বোচ্চ ৮৪ টাকায় বিক্রি হয়েছে। সর্বশেষ তা বিক্রি হয়েছে সর্বোচ্চ ৮২ টাকা ৯০ পয়সায়। অবশ্য মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে দেশে ডলার আসার কোনো সংবাদ তার কাছে নেই বলে মন্তব্য করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র শুভঙ্কর সাহা।

তিনি বলেন, বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে প্রচুর বিদেশি বাংলাদেশে এসেছেন। তারা সঙ্গে করে ডলার এনে দেশে বিক্রি করায় বাজারে ডলার সরবরাহ বেড়েছে। ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে প্রবাসীদের অনেকেই দেশে ফিরে আসেন। তাদের মাধ্যমেও দেশে ডলারের প্রবাহ বাড়ে।

এ ছাড়া ভারতীয় ১ হাজার ও ৫০০ রুপির নোট নিষিদ্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশে হঠাৎ করেই ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি পায়। সে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসায় এখন বাজারে ডলারের চাহিদা কমে এসেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here