নতুন আইপিও পদ্ধতিতে ব্যাপক সাড়া

5
1843

সিনিয়র রিপোর্টার : নতুন আইপিও পদ্ধতি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে। নতুন প্রক্রিয়ায় আবেদন করতে ব্যাংকের লাইনে আর দীর্ঘ সময় ধরে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়না। নেই কোন প্রকার ভোগান্তি। অন্যদিকে তরল অর্থের প্রবাহ বাড়ায় সেকেন্ডারি মার্কেট অনেক বড় হচ্ছে।

হামিদ ফ্যাব্রিক্সের আইপিও আবেদন পদ্ধতির মধ্যমে গত ২ অক্টোবর থেকে ভোগান্তির অবসান হয়। যদিও নতুন ও পুরাতন উভয় পদ্ধতিতে পুঁজিবাজার থেকে কোম্পানিটিগুলো আইপিও টাকা উত্তোলন করছে।

বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, নতুন আইপিও প্রক্রিয়া বা পাইলট প্রকল্পের অধীনে ডিএসইর ১৭৪টি ব্রোকারেজ হাউস এবং সিএসইর ৭৩টি ব্রোকারেজ হাউস গ্রাহকদের কাছ থেকে আইপিও আবেদন সংগ্রহ করছে। এ জন্য কিছু ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংক নিজস্ব নতুন ফরম ব্যবহার করছে। কোনো কোনো ব্রোকারেজ হাউস অবশ্য প্রচলিত শেয়ার ক্রয়ের আদেশের ফরমের মাধ্যমে আবেদন গ্রহণ করতেও দেখা যায়।

জানা গেছে, গত ২ অক্টোবর পর্যন্ত স্থানীয় বিনিয়োগকারীরা নতুন প্রক্রিয়ায় আবেদন করেন। এ প্রক্রিয়ায় এখনও কোনো ধরনের সমস্যা নেই।

নতুন পদ্ধতি নিয়ে কথা হলে কারওয়ান বাজার শাখার হ্যাক সিকিউরিটিজের ট্রেডার মীরাজুল ইসলাম সুমন বলেন, নতুন পদ্ধতি চালু হওয়ার বিনিয়োগকারীদের অনেক ভোগান্তি কমেছে। তবে অসুবিধা তেমন কিছু মনে হচ্ছেনা। এটা আরো আগে হলে বেশ ভালো হতো।

সুবিধার কথা উল্লেখ করে সুমন বলেন, সিকিউরিটি হাউসগুলোর মাধ্যমে আবেদন করায় পুঁজিবাজারে তরল অর্থের প্রবাহ দিনে দিনে বাড়ছে। এতে করে সেকেন্ডারি মার্কেট আরো বড়ো হচ্ছে এবং আগামীতে হবে। ফলে বিনিয়োগকারীরা সুবিধাও পাবেন।

কারওয়ান বাজার শাখার আল আরাফা ইসলামী ব্যাকের সিনিয়র এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এতে ব্যাংকের সুবিধাটা এখন থেকে সিকিউরিটি হাউসগুলো গ্রহণ করবে। ব্যাংগুলোতে আইপিও নিয়ে যে মাতামাতি ছিল এবং নগদ অর্থের বড় একটা ব্যবহার হতো তা বন্ধ হলো। যদিও এখনো কিছু টা চলছে।

নতুন প্রক্রিয়ায় আইপিও নিয়ে তিনি আরো বলেন, লোকের মধ্যে আগের ভোগান্তিটা এখন আর নেই। যে কারণে সিকিইরিটি হাউসগুলোতে সহজে আবেদন করতে পেতে তারা ব্যাংকগুলোতে কম আসছেন। নতুন প্রক্রিয়ার তেমন অসুবিধার কিছু চোখে পড়ছে না।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাবেক প্রেসিডেন্ট ও বর্তমান পরিচালক মো. শাকিল রিজভী বলেন, আগের পদ্ধতি অনুযায়ী আইপিওর টাকা জমা দিতে বিনিয়োগকারীদের লম্বা লাইনে দাঁড়াতে হতো। এখন আর তা লাগছে না। এতে বিনিয়োগকারীদের অনেক বিড়ম্বনা কম। পাশাপাশি রিফান্ড ওয়ারেন্টের কোনো ঝামেলাই রাখা হয়নি এ পদ্ধতিতে।

5 COMMENTS

  1. ডেইলি ট্রেডার ও গেমলারদের জন্য নতুন পদ্ধতি ভাল লাগবে। কারন দৈনিক হাউজে গিয়ে চেয়ারে বসে চা-সিগারেট ফুকবে আর বলবে, এই অমুক ০০০০০ কোডে ৩০০০ এইটা সেল দে, আর ০০০০০০ কোডে ৩০০০ সেইডা বাই দে !!! আর আইজ ৫০০ ডা আইপিও এন্ট্রি করিস ! আর ফরম গুলা আমার থেইকা সই নিয়া নিস !!!!!!!!!!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here