ধুকে ধুকে চলছে দেশ গার্মেন্টস

0
503

মোহাম্মদ তারেকুজ্জামান : দেশ গার্মেন্টস লিমিটেড। পুঁজিবাজারে ১৯৮৯ সালে তালিকাভূক্ত হওয়া কোম্পানিটি ধুকে ধুকে চলছে। অথচ ২০১০ সালে শেয়ারবাজার ধ্বস হওয়ার পূর্বেও কোম্পানিটি বেশ ভালো অবস্থানে ছিল। ৩০ বছর পূর্বের এই কোম্পানিটির বর্তমানে অনুমোদিত মূলধন ১০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৬ কোটি ৬৫ লাখ টাকা।

অনুমোদিত মূলধন ও পরিশোধিত মূলধন এতো কম হওয়ার দরুণ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আস্থা কোম্পানিটির প্রতি কমতে শুরু করেছে। তবে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমলেও গেমলারদের এধরনের কম মূলধনী কোম্পানিগুলোর প্রতি আকর্ষণ থাকে বেশি। কারণ গেমলাররা অতি সহজেই এধরনের কম মূলধনী কোম্পানিগুলোর শেয়ার দর গেম্লিং করে শেয়ার দর বাড়িয়ে থাকে ও কমিয়ে থাকে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। সাধারণ বিনিয়োগকারীর সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা যায়।

দেশ গার্মেন্টস লিমিটেডের এক কর্মকর্তা নিজেও মনে করেন কোম্পানির অনুমোদিত ও পরিশোধিত মূলধন বাড়ানো উচিত। তবে যেহেতু এটি কোম্পানি কর্তৃপক্ষের নিজস্ব বিষয় তাই তিনি এবিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হন নি।

ডিএসই সূত্রে জানা যায়, দেশ গার্মেন্টসের সর্বশেষ ক্লোজিং প্রাইজ ছিল ২৩৯ টাকা। গত ৫২ সপ্তাহে কোম্পানির শেয়ার দর ওঠানামা করেছে ১৭৯ টাকা থেকে ৩’শ টাকার মধ্যে। ১০ টাকা ফেসভ্যালুর কোম্পানিটির রিজার্ভে রয়েছে ৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ার রয়েছে ৬৬ লাখ ৫০ হাজার ৩৫৮টি। এর মধ্যে স্পন্সর ডিরেক্টরদের শেয়ার রয়েছে ৫৮ দশমিক ০৬ শতাংশ। আর সাধারণ বিনিয়োগকারীদের শেয়ার রয়েছে ৩৬ দশমিক ৫২ শতাংশ এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের শেয়ার রয়েছে ৫ দশমিক ৪২ শতাংশ।

৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরের কোম্পানিটি ২০১৭ সালে বিনিয়োগকারীদের মাত্র ৫ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছিল। আর ২০১৮ সালে কোম্পানিটি কোন ক্যাশ ডিভিডেন্ড দেয়নি, দিয়েছে স্টক ডিভিডেন্ড। তাও আবার মাত্র ১০ শতাংশ।

এতো কম ডিভিডেন্ড দেয়ায় কোম্পানিটি থেকে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। আদৌ কোম্পানিটি পূর্বের ন্যায় শক্তিশালী অবস্থানে যেতে পারবে কিনা তা নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দে রয়েছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here