দেড় ঘণ্টায় ডিএসইতে লেনদেন ১৮৩ কোটি টাকা

0
295
স্টাফ রিপোর্টার : দেশের শেয়ারবাজারে সূচকের উত্থান-পতনের মধ্যে দিয়ে মঙ্গলবার সপ্তাহের তৃতীয়  কার্যদিবসে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৮৩ কোটি টাকা। সেই সাথে ডিএসইএক্স মূল্যসূচক আবারও চার হাজার পয়েন্টের নিচে অবস্থান করছে।
প্রধান দুই শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে(সিএসই) সুচক উত্থান পতনের মধ্যে রয়েছে।  সূচক কখনও বাড়ছে আবার কখনও কমছে। সূচকের উত্থান-পতনের ফলে দেড় ঘণ্টা শেষে উভয় বাজারে বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম কমেছে। সার্বিক লেনদেনে মন্দাভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। Dse Logo
ডিএসই’র ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, দুপুর সাড়ে ১২টায় ডিএসইএক্স সূচক ১ দশমিক শুন্য ৩৪ পয়েন্ট বেড়ে ৩ হাজার ৯৭৬ দশমিক ৪৬ পয়েন্টে গিয়ে পৌছেছে। এর আগে সকাল সাড়ে এগারটায় সূচক ৩৮ দশমিক ৬৬ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ১৩ দশমিক ৭৯ পয়েন্টে এবং দুপুর ১২টায় সূচক ২৫ দশমিক ২৭ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার দশমিক ৪০ পয়েন্টে  গিয়ে দাঁড়ায়।
এ প্রতিবেদন তৈরির সময় পর্যন্ত ডিএসই’তে লেনদেন হয়েছে ২৬৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ডিবেঞ্চার। এদের মধ্যে দর বেড়েছে ৮৪টির, কমেছে ১৫৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৪টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। মোট লেনদেন হয়েছে ১৮৩ কোটি ৯৮ লাখ ৫৯ হাজার টাকা। শেয়ার, ডিবেঞ্চার ও মিচ্যুয়াল ফান্ড বিক্রি হয়েছে ৩ কোটি ৪৮ লাখ ৫২ হাজার ৩৫৯টি।
এই সময়ের মধ্যে ডিএসইর লেনদেনের শীর্ষ দশে রয়েছে- বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, পদ্মা অয়েল,  গ্রামীণফোন, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, যমুনা অয়েল, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন, তিতাস গ্যাস ও জিকিউ বলপেন।
এদিকে, দেশের আরেক শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে(সিএসই)ও একইভাবে লেনদেন চলছে। দুপুর সাড়ে ১২টায় সিএসসিএক্স সূচক ৪ দশমিক ৪৭ পয়েন্ট কমে ৭ হাজার ৮২৮ দশমিক ৮২ পয়েন্টে গিয়ে পৌছেছে। এর আগে সকাল সাড়ে ১১টায় সূচক ৫৬ দশমিক ৩০ পয়েন্ট বেড়ে ৭ হাজার ৮৮৯ দশমিক ৬০ পয়েন্টে এবং দুপুর ১২টায় সূচক ৩৮ দশমিক শুন্য ৮ পয়েন্ট বেড়ে ৭ হাজার ৮৭১ দশমিক ৩৮ পয়েন্টে গিয়ে দাঁড়ায়।
এ সময় পর্যন্ত সিএসই’তে লেনদেন হয়েছে মোট ১৫৭টি প্রতিষ্ঠানের। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৫০টির, কমেছে ৯১টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ১৬ কোম্পানির শেয়ারের দাম। টাকার পরিমাণে লেনদেন হয়েছে ১৬ কোটি ৬৯ লাখ ১৬ হাজার ৫২১ টাকা। হাতবদল হওয়া শেয়ার, ডিবেঞ্চার ও মিচ্যুয়াল ফান্ডের পরিমাণ ৩৮ লাখ ৬৪ হাজার ১০৫টি।এই সময়ের মধ্যে সিএসই’র লেনদেনের শীর্ষ দশ কোম্পানি হলো- বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস, গ্রামীণফোন, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, যমুনা অয়েল, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশনস, জেএমআই সিরিঞ্জ, ওয়ান ব্যাংক ও ইউনাইটেড এয়ার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here