দুই বছরের মধ্যে চালু হচ্ছে না ক্লিয়ারিং করপোরেশন

0
620

এসবি ডেস্ক : সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) আদলে ও ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন প্রক্রিয়ায় ক্লিয়ারিং করপোরেশন প্রতিষ্ঠা করতে ন্যূনতম দুই বছর সময় লাগবে। ফলে চলতি বছরের মধ্যে ক্লিয়ারিং করপোরেশন চালু করা সম্ভব হচ্ছে না।

অবকাঠামোগত ভিত্তি স্থাপন করে প্রতিষ্ঠানটি পুরোপুরি চালু করা সময়সাপেক্ষ। ক্লিয়ারিং করপোরেশন প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) গঠিত কমিটির দাখিল করা পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে এমনই তথ্য দেওয়া হয়েছে। গত সপ্তাহে এ সংক্রান্ত একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন কমিশনের শীর্ষ পর্যায়ে দাখিল করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশনের আদলে ক্লিয়ারিং করপোরেশনের কার্যক্রম পরিচালনায় পৃথক স্বতন্ত্র জনবল কাঠামো থাকবে। এ প্রতিষ্ঠানে দুই ক্যাটাগরি থাকবে। একটি হলো- ট্রেডিং মেম্বার, অপরটি ক্লিয়ারিং মেম্বার। যারা ট্রেডিং ও ক্লিয়ারিং মেম্বাররা ব্রোকারদের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকবে না। এ ছাড়া ক্লিয়ারিং করপোরেশেনের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী বা শেয়ারহোল্ডারদের নির্দিষ্ট সীমা থাকবে।

জানা গেছে, মে মাসে ক্লিয়ারিং করপোরেশন গঠনের বিষয়ে কমিশনের কাছে প্রাথমিক প্রতিবেদন দাখিল করে গঠিত কমিটি। ওই প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে কমিশন ক্লিয়ারিং করপোরেশনের বিষয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ বা ব্রড প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়, যা কমিশন সভায় অনুমোদিত হয়। ওই নির্দেশনার আলোকে গত সপ্তাহে গঠিত কমিটি প্রতিবেদন দাখিল করে।

এর আগে গত ৪ মার্চ বিএসইসির ৫১২তম কমিশন সভায় ক্লিয়ারিং করপোরেশন প্রতিষ্ঠায় তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। গঠিত কমিটির সদস্যরা হলেন বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক মো. সাইফুর রহমান, মাহাবুবুল আলম ও পরিচালক প্রদীপ কুমার বসাক।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএসইসির এক কর্মকর্তা বলেন, সিডিবিএলের আদলে ক্লিয়ারিং করপোরেশন গঠনের পরিকল্পনা চলছে। এ প্রতিষ্ঠান ডিমিউচ্যুয়ালাইজড হবে। গত সপ্তাহে এ সংক্রান্ত কমিটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করেছে।

প্রসঙ্গত, ক্লিয়ারিং করপোরেশন পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট স্বতন্ত্র একটি প্রতিষ্ঠান, যা শেয়ার বা ফিউচার বা অপসন মার্কেটের নানা সিকিউরিটিজ এবং কমোডিটি এক্সচেঞ্জের লেনদেন নিষ্পত্তিতে কাজ করবে। অর্থাৎ সিকিউরিটিজ সংক্রান্ত যে কোনো লেনদেনের ক্ষেত্রে ক্রেতাকে সংশ্লিষ্ট সিকিউরিটিজ প্রদান এবং বিক্রেতাকে তার অর্থ প্রাপ্তির নিশ্চয়তা প্রদান করবে। শেয়ার কেনাবেচার ক্ষেত্রে বর্তমানে এ কাজ স্টক এক্সচেঞ্জই করে থাকে। মূলত ক্লিয়ারিং করপোরেশন ঝুঁকি ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here