ওরিয়ন ফার্মা দরবৃদ্ধির শীর্ষে

0
729
স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহে ওরিয়ন ফার্মা লিমিটেডের শেয়ারদর ১৬ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ বেড়েছে। সপ্তাহ শেষে দরবৃদ্ধির তালিকায় এক নম্বরে উঠে আসে ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানিটি।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) কর্তৃপক্ষের এক চিঠির জবাবে ২৯ ফেব্রুয়ারি কোম্পানিটি জানায়, শেয়ারের অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধির কারণ হতে পারে এমন কোনো অপ্রকাশিত মূল্যসংবেদনশীল তথ্য নেই তাদের কাছে। তবে বুধবার পর্যন্ত দর ও লেনদেন বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকে।
বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, প্রায় এক বছর ধরে ডিএসইতে উত্থান-পতনের ধারায় আছে ওরিয়ন ফার্মার শেয়ারদর। এ সময়ে শেয়ারটির সর্বনিম্ন দর ছিল ৩০ টাকা ও সর্বোচ্চ ৪৪ টাকা ৫০ পয়সা। বৃহস্পতিবার অবশ্য কিছুটা কমেছে কোম্পানিটির শেয়ারদর। সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দিনশেষে দর ৫ দশমিক ৫৩ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৪১ টাকা। গত সপ্তাহে ডিএসইর লেনদেন তালিকায়ও দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল ওরিয়ন ফার্মা।
বাজারসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বার্ষিক ফলাফল ও লভ্যাংশ ঘোষণার সময় এগিয়ে আসাতেই এ কোম্পানির শেয়ারে অনেক বিনিয়োগকারীর আগ্রহ বেড়েছে।
২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয় ওরিয়ন ফার্মা। তখন শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয় ৪ টাকা ২৫ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ৬৭ টাকা ৫০ পয়সা। ২০১৩ সালেও কোম্পানিটি ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়। ওই সময় ইপিএস ছিল ৪ টাকা ৬ পয়সা।
২০১৫ সালের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-ডিসেম্বর) ওরিয়ন ফার্মার ইপিএস দাঁড়ায় ২ টাকা ৮৮ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ৩ টাকা ৮০ পয়সা।
২০১৩ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ২৩৪ কোটি টাকা। রিজার্ভ ৫৪৩ কোটি ৯০ লাখ টাকা। মোট শেয়ার রয়েছে ২৩ কোটি ৪০ লাখ; যার মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালক ৩১ দশমিক ৯৮ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ৩৫ দশমিক ৪৫ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর হাতে রয়েছে বাকি ৩২ দশমিক ৫৭ শতাংশ শেয়ার।
সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে ওরিয়ন ফার্মা শেয়ারের মূল্য আয় অনুপাত বা পিই রেশিও ৯ দশমিক ৭২, হালনাগাদ অনিরীক্ষিত মুনাফার ভিত্তিতে যা ১০ দশমিক ৭৬।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here