ডেস্ক রিপোর্টঃ  অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়াতে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয়ের ইঙ্গিত দিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। মঙ্গলবার রাজধানীর প্যানপ্যাসিফিক হোটেল সোনারগাঁও হোটেলে ‘কেমন বাজেট চাই’ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতির (এফবিসিসিআই) ও এনটিভির  যৌথ উদ্যোগের  এই অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি তেলের দামের সমন্বয় করা হলে আমাদের প্রবৃদ্ধি বাড়তে পারত। এবার আমরা সেটাই করবো।

বিশ্ববাজারে দুই বছর ধরে কমতে শুরু করে জ্বালানি তেলের দাম। সেই প্রেক্ষিতে দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমানোর দাবি উঠলে ২০১৬ সালেরর ২৪ এপ্রিল জ্বালানি তেলের দাম কমানো হয়। ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার ডিজেল ও কেরোসিনের দাম ৬৫ টাকা এবং অকটেনের দাম ৮৯ ও পেট্রলের দাম হবে ৮৬ টাকায় নামিয়ে আনা হয়।

তবে বিশ্ব বাজারে যে হারে কমেছে তার তুলনায় এই হ্রাস খুবই কম। তাই আবার তেলের দাম কমানোর দাবি উঠে। এই দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করে অর্থমন্ত্রী গত ডিসেম্বর মাসে ঘোষণা দেন- প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি নিয়ে জানুয়ারি মাসের মধ্যেই তেলের দাম কমানো হবে।

তিনি তখন বলেন, জানুয়ারি মাসে জ্বালানি তেলের দাম কমানোর সম্ভাবনা খুবই বেশি। ডিসেম্বরে কমাতে চেয়েছিলাম। ডিসেম্বরে পারছি না, সুতরাং এটা জানুয়ারিতে হবে।

তবে অর্থমন্ত্রীর এই ঘোষণার পরে  জানুয়ারির মাসে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, জ্বালানি তেলের দাম দুই ধাপে কমানোর কথা ছিল, সরকারের কাছে অনুমতির জন্য প্রস্তাবও পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ করে বিশ্বে তেলের দাম বেড়ে গেছে। বিশ্বব্যাংক আভাস দিয়েছে, আগামী বছরও তেলের দাম বাড়তে পারে। এ কারণে সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এই মুহূর্তে কোনো প্রাইজ অ্যাডজাস্টমেন্টে না যাওয়ার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here