ডেসকোর হিসাবে গরমিল!

0
460

স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি কোম্পানির (ডেসকো) ব্যবসা কয়েক বছর ধরে নিম্ন ধারায় রয়েছে। একইসঙ্গে কোম্পানিটি থেকে শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ প্রাপ্তিতেও পতন নেমেছে। যে কোম্পানিটির আর্থিক হিসাবে বিক্রয়ের পরিমাণ নিয়ে ভুল তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

আর এই ভুল তথ্য ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে কোম্পানির প্রোফাইলে প্রকাশ করা হয়েছে।

ডেসকো কর্তৃপক্ষ ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম ৩টি প্রান্তিকের যে পৃথক আর্থিক হিসাব প্রদান করেছে, তার যোগফল কোম্পানিরই প্রদত্ত ৩ প্রান্তিকের মোট হিসাবের সঙ্গে মিলছে না। যে কারনে উক্ত হিসাবকে ডিএসই কর্তৃপক্ষ ভুল হিসেবে ‘লাল’ চিহ্নিত করে রেখেছেন।

ডিএসই সূত্রে বৃহস্পতিবার জানা গেছে, ডেসকো কর্তৃপক্ষ ২০১৭-১৮ সালে অর্থবছরের প্রান্তিকে বিক্রয় দেখিয়েছেন ১ হাজার ৩৮ কোটি ৮৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা। যা দ্বিতীয় প্রান্তিকে ৮৭২ কোটি ১১ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও তৃতীয় প্রান্তিকে ৭৫৪ কোটি ৭৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা দেখিয়েছেন।

হিসাবে ৩টি প্রান্তিকের যোগফল হয় ২ হাজার ৬৬৫ কোটি ৭৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা। কিন্তু কোম্পানি কর্তৃপক্ষ ৩টি প্রান্তিকের মোট হিসাবে ২ হাজার ৬৫৮ কোটি ৯১ লাখ ১০ হাজার টাকা দেখিয়েছেন। এক্ষেত্রে কোম্পানি কর্তৃপক্ষই একক ও মোট হিসাবে ২ রকম তথ্য প্রদান করেছেন। আর এই হিসাবকেই ডিএসই কর্তৃপক্ষ ‘লাল’ চিহ্নিত করে রেখেছেন।

ডিএসই নেয়া তথ্যচিত্র

ডেসকোর ২০১২-১৩ অর্থবছরে শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছিল ২.৬৯ টাকা। যা ২০১৩-১৪ অর্থবছরে কমে ১.৯৪ টাকা হলেও ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বেড়ে হয় ৪.৩২ টাকা। তবে এরপর থেকে পতনে রয়েছে কোম্পানিটি। যা ২০১৬-১৭ অর্থবছরে হয় মাত্র ৪৪ পয়সা। তবে কোম্পানিটির ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে ইপিএস হয়েছে ৯৪ পয়সা।

এদিকে ডেসকোর শেয়ারহোল্ডাররা ২০১৩ সালে ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ পেয়েছিল। যা কমে ২০১৪ সালে ১৫ শতাংশে নেমে আসে। আর সর্বশেষ ২০১৬ ও ২০১৭ সালে ১০ শতাংশ করে পেয়েছে।

৩৯৭ কোটি ৫৭ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধনের রাষ্ট্রায়াত্ত্ব ডেসকোতে সরকারের মালিকানা ৬৭.৬৩ শতাংশ। কোম্পানিটি ২০০৬ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here