ডিএসইর নতুন ইতিহাসের আত্মপ্রকাশ

1
2710

ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ গত এক বছরের প্রাপ্তি ও আগামী দিনের পরিকল্পনা জানিয়েছে। নতুন দিনের নতুন ভবনার বিকাশ ঘটিয়ে ডিএসই নতুর রুপে আত্ম প্রকাশ করতে যাচ্ছে। পুরনো দিনে তাদের প্রাপ্তির পরিমাণ কি ছিল? ডিএসই কর্তৃপক্ষ গণমাধ্যমকে তা জানিয়েছে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে। কোন প্রকার সংস্কার ছাড়াই তা নীচে প্রকাশ করা হলো-

২০১০ সালের ডিসেম্বর মাসে শুরু হওয়া ভয়াবহ দরপতনের বৃত্ত থেকে বেরিয়ে ২০১৪ সাল পুঁজিবাজার একটি স্থিতিশীল অবস্থায় শেষ হয় ৷ বিদায়ী বছরে বিনিয়োগকারীদের ছিল না দরপতনের প্রতিবাদে কোন বিক্ষোভ সমাবেশ৷ বছরের অধিকাংশ সময়ই বাজার ছিল উর্ধ্বমুখী ৷ ২০১৩ সালের চেয়ে ২০১৪ সালে সুচক, লেনদেন ও বাজার মুলধন উল্লেখযোগ্য পরিমানে বৃদ্ধি পেয়েছে ৷ এ বছর নতুন শিল্প কারখানা স্থাপনে বাজার থেকে ২০টি কোম্পানি প্রাথমিক গণপ্রসতাবের বা আইপিও’র মাধ্যমে ১২ হাজার ৬৩৬ কোটি টাকা মুলধন সংগ্রহ করেছে৷ এ ছাড়াও ৯ টি কোম্পানি রাইট ইস্যুর মাধ্যমে বাজার থেকে ২০৬৩ কোটি টাকা মুলধন সংগ্রহ করেছে৷

বৈদেশিক লেনদেনের ক্ষেএেও ২০১৪ সাল অতীতের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করে নতুন মাইলফলক সৃষ্টি করেছে ৷ ২০১৪ সালে মোট বৈদেশিক লেনদেনের পরিমান দাঁড়ায় ৬ হাজার ২০৫ কোটি টাকা৷ এর মধ্যে ক্রয়কৃত সিকিউরিটিজের পরিমান ৪ হাজার ৪০৬ কোটি টাকা এবং বিক্রয় বিক্রয়কৃত সিকিউরিটিজের পরিমান ১ হাজার ৭৯৮ কোটি টাকা৷ নিট বিনিয়োগের পরিমান ২ হাজার ৬০৮ কোটি টাকা৷ এ ছাড়াও ২০১৪ সালে ডিএসইতে তালিকাভুক্ত ১৪৪ টি কোম্পানি ২৯৫ কোটি বোনাস শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ২ হাজার ৯৫৯ কোটি টাকা মূলধন বৃদ্ধি করে ৷

 ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ গত কয়েক বছরে বাজার উন্নয়নের যে গতিধারা সৃষ্টি করেছে তা ধরে রাখতে এবং বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের সুবিধা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে সব ধরনের অবকাঠামোগত উন্নয়ন করে যাচ্ছে ৷ দীর্ঘ পথ পরিক্রমা, নানা চড়াই উতরাইয়ের পর সরকার ও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের সহায়তায় ‘পুঁজিবাজারের ইতিহাস’ এর পাতায় আরও একটি স্মরণীয় বছর যুক্ত হয়৷ ২০১৩ সালের ২১ নভেম্বর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ ডিমিউচ্যুয়ালাইজড স্টক এক্সচেঞ্জ হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে৷ এর পর নতুন আংগিকে নতুন অগ্রযাএায় শুরু হয় ডিএসই’র পথচলা ৷ ডিমিউচুয়্যালাইজড ডিএসই’র প্রথম পরিচালনা পর্ষদ গঠিত হয় ২০১৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারী ৷ শুরু হয় নতুন দিন, নতুন এক সম্ভাবনা৷ এই সম্ভাবনাকেই সামনে রেখে এগিয়ে যাচ্ছে দেশের পুঁজিবাজার৷

পুঁজিবাজারের লেনদেন তদারকি জোরদার করতে এ বছর দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ নতুন সার্ভেইলেন্স সফটওয়্যার ইনস্ট্যান্ট ওয়াচের কার্যক্রম শুরু করে৷ তালিকাভুক্ত ইসলামী শরীয়াহ্ অনুযায়ী ব্যবসা পরিচালনাকারী কোম্পানি ও ফান্ডগুলো নিয়ে চালু হয় ডিএসইএক্স শরীয়াহ্ সূচক৷ প্রচলিত দীর্ঘমেয়াদী আইপিও আবেদন প্রক্রিয়া আধুনিকায়ন করা হয়েছে ৷ সেপ্টেম্বর মাস থেকে শুরু হওয়া এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা সল্প সময়ে সহজ প্রক্রিয়ায় রিফান্ড পাচ্ছেন ৷ কোম্পানি তালিকাভুক্তির ক্ষেএেও সময় লাগছে পুবের চেয়ে অনেক কম ৷ বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন সিকিউরিটিজ রেগুলেটরের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান আইওএসকো’র “এ” ক্যাটাগরি সনদ লাভ করে ৷ এতে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের বাজারের প্রতি আস্থা বহুগুনে বৃদ্ধি পেয়েছে৷ ২০১৪ সালে দেশের পুঁজিবাজারে সবচেয়ে বেশী আলোচিত বিষয় ছিল স্টক একচেঞ্জের ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন৷

মিউচ্যুয়ালাইজড স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে ডিমিউচ্যুয়ালাইজড স্টক এক্সচেঞ্জে পরিণত হওয়ায় অলাভজনক প্রতিষ্ঠান থেকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে ডিএসই কাজ করে যাচ্ছে৷ ডেরিভেটিবস, কমোডিটিজ, ফিউচার এবং অপশন মার্কেট চালু করার প্ল্যাটফর্ম তৈরির সর্বাধুনিক ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম চালুর জন্য ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ নাসডাক ওএমএক্স ও ফ্লেক্সট্রেড সিস্টেম এই দুই কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করে৷ চুক্তি স্বাক্ষরের পর রেকর্ডকৃত স্বল্প সময়ের মধ্যে পরবর্তী প্রজন্মের স্বয়ংক্রিয় অত্যাধুনিক ট্রেডিং সফটওয়্যার ডিএসই এক্সস্ট্রিম আইনেট ম্যাচিং ইঞ্জিন এবং ডিএসই ফ্লেক্স-টিপি এর যাএা শুরু হয় ১১ ডিসেমবর ২০১৪ তারিখে ৷ ডিএসইতে নতুন এই ট্রেডিং সফটওয়্যার চালু দেশের পুঁজিবাজারের ইতিহাসে আরও একটি ঐতিহাসিক ঘটনা ৷ যার ম্যাচিং ইঞ্জিন ডিএসই আইনেট নাসডাক ওএমএক্স এক্সট্রিম প্রযুক্তি দ্বারা পরিচালিত এবং একই সাথে বিশ্বে বহুল প্রচলিত ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত৷

মাল্টি অ্যাসেট ট্রেডিং ইঞ্জিন এবং ডিএসই ফ্লেক্স টিপি হলো পুরষ্কার বিজয়ী ইউএস ভিওিক কোম্পানি ফ্লেক্সট্রেড সিস্টেমস এর উন্নত অর্ডার এবং প্রাক ট্রেড ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা সিস্টেম সমৃদ্ধ৷ নতুন এ সফটওয়্যার চালুর ফলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রযুক্তিগত সামর্থ অনেক বেড়েছে ৷ এটা শুধু ট্রেড বাস্তবায়নের ক্ষেএে গতি বৃদ্ধি করবে না বরং ডিএসই পরিচালনার ক্ষেএে দক্ষতা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করবে ৷ নাসডাক ওএমএক্স, ফ্লেক্সট্রেড ও বিশ্বের বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে পরবর্তী প্রজন্মের ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম তৈরীর ফলে বাংলাদেশের পুঁজিবাজার উন্নত বিশ্বের স্টক এক্সচেঞ্জের সাথে তাল মিলিয়ে চলার সক্ষমতা অর্জন করেছে৷ এটি পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনবে৷

বাজারে স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি করবে এবং বাজারের উন্নয়নে সহায়তা করবে ৷ এই নতুন প্রযুক্তি স্থাপনের ফলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, আন্তর্জাতিক সম্পদ ব্যবস্থাপক এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের প্রতি আস্থা বৃদ্ধি পাবে ৷ প্রযুক্তি নির্ভর বিভিন্ন সুবিধা সংবলিত নতুন লেনদেন ব্যবস্থা চালুর ফলে লট সাইজ হবে সিঙ্গেল সিকিউরিটিজের ৷ এতে অডলট সংক্রান্ত সমস্যা দূরীভূত হয়৷ বিশ্বখ্যাত সফটওয়্যার চালুর ফলে ভবিষ্যৎতে ইটিএফ, সুকুকসহ অন্যান্য ইসলামিক সিকিউরিটিজ, ডেরিভেটিবস প্রোডাক্টস চালু করা যাবে ৷ এতে দেশের পুঁজিবাজারের গভীরতা বৃদ্ধির পাশাপাশি এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে ৷

পুঁজিবাজারের অবকাঠামোগত উন্নয়নের ফলে বিপুল সংখ্যক জনগোষ্ঠী বিনিয়োগের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থান নিজেরাই সৃষ্টি করছে৷ শক্তিশালী পুঁজিবাজার বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানের জন্য অপরিহার্য৷ সরকারের জন্যও এটি আশীর্বাদ৷ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বাড়লে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়৷ আর উন্নয়ন ও উৎপাদন কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা এলে বিদেশী বিনিয়োগ পুঁজিবাজার মুখী হতে উৎসাহিত হয়৷ প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যমাএা অর্জনে বিনিয়োগকে অবশ্যই উৎসাহিত করতে হবে এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধি করতে হবে৷ আজ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ বিশ্বের যে কোন উন্নত স্টক এক্সচেঞ্জের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে সক্ষম৷ অবকাঠামোগত ভাবে সব ধরনের সুবিধা বিদ্যমান থাকায় দেশের পুঁজিবাজার আজ অনেক সমৃদ্ধ৷

 বছরটিতে আমরা হারিয়েছি দেশের পুঁজিবাজারের এক সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের চার মেয়াদের দায়িত পালন কারী সাবেক চেয়ারম্যান খুরশিদ আলমকে৷

০১৪ সালে ডিএসই কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপসমুহ :

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ এ ডিএসইএক্স শরীয়াহ্ সুচক (ডিএসএস) চালু : দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ এ তালিকাভুক্ত ইসলামী শরীয়াহ্ অনুযায়ী ব্যবসা পরিচালনাকারী কোম্পানি ও ফান্ড গুলো নিয়ে ২০ জানুয়ারী ২০১৪ তারিখ থেকে চালু হয় ডিএসইএক্স শরীয়াহ্ সুচক (ডিএসএস)৷ বিশ্বখ্যাত সুচক প্রণয়ণ কারী প্রতিষ্ঠান স্ট্যান্ডার্ড এ্যান্ড পুওর (এসএ্যান্ডপি) ডাও জোনস পদ্ধতি অনুযায়ী রেটিং ইনটেলিজেনস পার্টনার এবং ইসলামী শরীয়াহ্ বোর্ডের তত্ত্বাবধানে এই শরীয়াহ্ সুচক চালু করা হয়৷ যার ভিওি সুচক ধরা হয় ১০০০৷ আর ভিওি বছর হিসেবে ধরা হয়েছে ২০১১ সালের জানুয়ারী মাস৷

নতুন সার্ভেইলেন্স সফটওয়্যার ইনস্ট্যান্ট ওয়াচের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন : পুঁজিবাজারের লেনদেন তদারকি জোরদার করতে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ এ ১১ ফেব্রুয়ারী ২০১৪ তারিখে নতুন সার্ভেইলেন্স সফটওয়্যার ইনস্ট্যান্ট ওয়াচের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়৷ উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডঃ এম. খায়রুল হোসেন৷

 ডিমিউচুয়্যালাইজেশন পরবর্তী ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের শেয়ারহোল্ডার পরিচালক নির্বাচন : ডিমিউচুয়্যালাইজেশন পরবর্তী ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রথম পরিচালনা পর্ষদের চারটি শেয়ারহোল্ডার পরিচালক নির্বাচনের জন্য ২২ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে অবসর প্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ জনাব মোঃ শামসুল হককে নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান এবং জনাব মাহবুবুর রহমান ও জনাব এম. কামাল উদ্দিনকে সদস্য করে তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়৷১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ তারিখে শেয়ার হোল্ডারদের সতঃফুত অংশগ্রহনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়৷নির্বাচনে জনাব মোঃ শাকিল রিজভী, জনাব মোহাম্মদ শাহজাহান, জনাব খাজা গোলাম রসুল এবং জনাব শরীফ আনোয়ার হোসেন শেয়ারহোল্ডার পরিচালক নির্বাচিত হয়৷

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ৫২তম বার্ষিক সাধারণ সভা : ১৩ ফেব্রুয়ারী ডিএসই’র প্রেসিডেন্ট জনাব আহসানুল ইসলাম টিটুর সভাপতিত্বে ৫২তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়৷ সভায় ২০১২-২০১৩ অর্থবছরের পরিচালনা পর্ষদের প্রতিবেদন, ৩০ জুন ২০১৩ তারিখে সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত হিসাব এবং নিরীক্ষকের প্রতিবেদন গ্রহণ ও বিবেচনা সর্বসম্মত ভাবে অনুমোদিত হয়৷ এছাড়াও ১২ ফেব্রুয়ারী ২০১৪ তারিখে অনুষ্ঠিত শেয়ারহোল্ডার পরিচালক নির্বাচন ২০১৪ এর আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষনার মাধ্যমে বোর্ডে নির্বাচিত চার জন শেয়ারহোল্ডার পরিচালক অন্তর্ভুক্ত করা হয়৷ একই সভায় ডিএসই’র প্রেসিডেন্ট জনাব আহসানুল ইসলাম টিটু সাত জন স্বতন্ত্র পরিচালকের নাম ঘোষনা করেন৷ স্বতন্ত্র পরিচালকগণ হলেন- বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ছিদ্দিকুর রহমান মিয়া, এফবিসিসিআই- এর ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মিসেস মনোয়ারা হাকিম আলী, দি ইনস্টিটিউট কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট একাউন্টেন্ট অফ বাংলাদেশ এর সাবেক সভাপতি জনাব রুহুল আমিন এফসিএমএ, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ডঃ আবুল হাসেম, বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব জনাব ওয়ালিউল ইসলাম, বাংলাদেশ প্রোকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডঃ এম. কায়কোবাদ এবং ৪৬ স্বতন্ত্র ইনফেন্ট্রি ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রি. জে. মোঃ মুজিবুর রহমান, পিএসসি৷

ডিমিউচুয়্যালাইজেশন পরবর্তী ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান নির্বাচন : ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৪ তারিখে এক্সচেঞ্জেস ডিমিউচুয়্যালাইজেশন আইন ২০১৩ অনুযায়ী ডিএসই ডিমিউচুয়্যালাইজেশন পরবর্তী ৭ জন স্বতন্ত্র পরিচালক, চারজন শেয়ারহোল্ডার পরিচালক এবং ১ জন ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সমন্বয়ে ১২ সদস্য বিশিষ্ট পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়৷ নির্বাচনে স্বতন্ত্র পরিচালকদের মধ্য থেকে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ছিদ্দিকুর রহমান মিয়া বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতাতিন বছরের জন্য ডিএসই’র পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন৷

ডিএসই’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার পদবী পরিবর্তন করে ব্যবস্থাপনা পরিচালক : ডিমিউচুয়্যালাইজেশন আইন ২০১৩ অনুযায়ী ডিএসই ডিমিউচুয়্যালাইজেশন পরবর্তী ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৪ তারিখ হতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার পদবী পরিবর্তন করে ব্যবস্থাপনা পরিচালক করা হয় এবং অধ্যাপক ডঃ স্বপন কুমার বালা এফসিএমএ ডিমিউচুয়্যালাইজড ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের লিঃ এর প্রথম ব্যবস্থাপনা পরিচালক৷ যিনি ২০১৩ সালের ১৫ এ্রপ্রিল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসাবে যোগদান করেন৷

 ডিমিউচুয়্যালাইজড ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে প্রথম বোর্ড সভা : ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন স্কীম অনুযায়ী ডিমিউচুয়্যালাইজড ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালনা পর্ষদের ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৪ তারিখে প্রথম বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হয়৷ সভায় পরিচালনা পর্ষদ পাঁচটি কমিটি গঠন করেন৷ যা ১. ৪৬ স্বতন্ত্র ইনফেন্ট্রি ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রি. জে. মোঃ মুজিবুর রহমান, পিএসসি কে চেয়ারম্যান এবং এফবিসিসিআই-এর ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মিসেস মনোয়ারা হাকিম আলী, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ডঃ আবুল হাসেম, শেয়ারহোল্ডার পরিচালক জনাব মোঃ শাকিল রিজভী এবং ডিএসই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক ডঃ স্বপন কুমার বালা, এফসিএমএ কে সদস্য করে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট নমিনেশন এন্ড রিমোউনারেশন কমিটি গঠন করেন

. বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব জনাব ওয়ালিউল ইসলাম, চেয়ারম্যান এবং দি ইনস্টিটিউট অফ কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট একাউন্টেন্ট অফ বাংলাদেশ এর সাবেক সভাপতি জনাব রুহুল আমিন, এফসিএমএ, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ডঃ আবুল হাসেম, বাংলাদেশ প্রোকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডঃ এম. কায়কোবাদ এবং ডিএসই’র প্রধান রেগুলেটরি অফিসার জনাব এ কে এম জিয়াউল হাসান খান কে সদস্য করে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স কমিটি গঠন করেন

. বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ডঃ আবুল হাসেম, চেয়ারম্যান এবং দি ইনস্টিটিউট অফ কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট একাউন্টেন্ট অফ বাংলাদেশ এর সাবেক সভাপতি জনাব রুহুল আমিন, এফসিএমএ,৪৬ স্বতন্ত্র ইনফেন্ট্রি ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রি. জে. মোঃ মুজিবুর রহমান, পিএসসি শেয়ারহোল্ডার পরিচালক জনাব মোহাম্মদ শাহাজাহান এবং ডিএসই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক ডঃ স্বপন কুমার বালা, এফসিএমএ কে সদস্য করে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট অডিট এন্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটি গঠন করেন৷

. বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডঃ এম. কায়কোবাদ চেয়ারম্যান এবং এফবিসিসিআই- এর ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মিসেস মনোয়ারা হাকিম আলী, ৪৬ স্বতন্ত্র ইনফেন্ট্রি ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রি. জে. মোঃ মুজিবুর রহমান, পিএসসি এবং শেয়ারহোল্ডার পরিচালক জনাব শরীফ আনোয়ার হোসেন কে সদস্য করে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট আপিল কমিটি গঠন করেন৷

. দি ইনস্টিটিউট অফ কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট একাউন্টেন্ট অফ বাংলাদেশ এর সাবেক সভাপতি জনাব রুহুল আমিন, চেয়ারম্যান এবং এফবিসিসিআই- এর ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মিসেস মনোয়ারা হাকিম আলী, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডঃ এম. কায়কোবাদ, শেয়ারহোল্ডার পরিচালক জনাব খাজা গোলাম রসুল এবং ডিএসই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক ডঃ স্বপন কুমার বালা, এফসিএমএ কে সদস্য করে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট কনফ্লিক্ট মিটিগেশন কমিটি গঠন করেন৷

 কমিটি সভা : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের লিঃ এর ১২ সদস্য বিশিষ্ট বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ গঠিত হয় ২০১৪ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারী ৷ পরিচালনা পর্ষদের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয় ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৪ তারিখে ৷ ডিসেম্বর ৩১ ২০১৪ তারিখ পর্যন্ত পরিচালনা পর্ষদের ২৫ টি সভা অনুষ্ঠিত হয় ৷ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (বোর্ড এন্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) রেগুলেশনস, ২০১৩ অনুযায়ী ফেব্রুয়ারী ১৮, ২০১৪ তারিখে পাঁচটি কমিটি গঠন করেন৷ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখ পর্যন্ত নমিনেশন এন্ড রিমোউনারেশন কমিটির ১৫টি, রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স কমিটির ১৬টি, অডিট এন্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির ১০টি, আপিল কমিটির ৪টি এবং কনফ্লিক্ট মিটিগেশন কমিটির ৪টি সভা অনুষ্ঠিত হয় ৷

বিএসইসি’র চেয়ারম্যান ও কমিশনারবৃন্দের সাথে ডিএসই’র নতুন পরিচালনা পর্ষদের সৌজন্য সাক্ষাত

 ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন পরবর্তী নতুন পরিচালনা পর্ষদ দায়িত্ব গ্রহনের পর ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৪ তারিখে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি ছিদ্দিকুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বে পরিচালনা পর্ষদ বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম. খায়রুল হোসেনের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করেন৷

ডিএসই’র অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের বাংলা সংস্করণের ঐচ্ছিক অংশের উদ্বোধন : বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ও দাবির প্রক্ষিতে গত বছর ১৮ ফেব্রুয়ায়ী ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ ইংরেজী ওয়েবসাইটের পাশাপাশী বাংলা ওয়েবসাইট চালু করে৷ বিনিয়োগকারীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে পর্যায়ক্রমে বাংলা ওয়েবসাইটের বিভিন্ন বিষয়ের উন্নয়ন করা হয় ৷ এরই ধারাবাহিকতায় ২২ মে ২০১৪ তারিখে ডিএসই’র ওয়েবসাইটের বাংলা সংস্করণে ডিএসই’র প্রশিক্ষণ একাডেমী সম্পর্কে তথ্য, চলমান কর্মসূচিসমুহ, অভ্যন্তরীণ পাঠ্যসুচী, আন্তর্জাতিক পাঠ্যসুচী, প্রশিক্ষন পজ্ঞি, প্রশিক্ষক বৃন্দ, প্রশিক্ষণ একাডেমী আর্কাইভ ও ফলাবত (ফিডব্যাক), ওটিসি বাজার সম্পর্কে তথ্য, বিভিন্ন নির্দেশনা, কোম্পানিসমুহের বিবরনী, তথ্য সম্ভার ও আমার পোর্টফোলিও ইত্যাদি বিষয় বাংলাভাষায় প্রদানের উদ্বোধন করেন ডিএসই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক ডঃ স্বপন কুমার বালা, এফসিএমএ৷

 স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ নাসডাক ওএমক্স ও ফ্লেক্সট্রেড সিস্টেমের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর : ডেরিভেটিবস, কমোডিটিজ, ফিউচার এবং অপশন মার্কেট চালু করার প্ল্যাটফর্ম তৈরির বিশ্বের সর্বাধুনিক ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম চালুর জন্য ২১ মার্চ ২০১৪ তারিখে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ নাসডাক ওএমক্স ও ফ্লেক্সট্রেড সিস্টেম এ দুই কোম্পানি সঙ্গে দশ বছরের জন্য চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়৷ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধাপক ড. স্বপন কুমার বালা,এফসিএমএ, নাসডাক ওএমক্স এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক রবার্ট মিঃ ফজর্ড এবং ফ্লেক্সট্রেড সিস্টেমের প্রেসিডেন্ট ও নির্বাহী পরিচালক মিঃ বাটার্ন্ট রাচ্চাত নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর করেন৷

 ২০১৪-১৫ অর্থবছরের বাজেটে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে ডিএসই’র প্রস্তাবনা উপস্থাপন : ২৩ এপ্রিল ২০১৪ তারিখে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ এর ৮ সদস্যের এক প্রতিনিধি দল প্রাক বাজেট আলোচনার জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ গোলাম হোসেন এর সাথে বৈঠক করেন৷ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি ছিদ্দিকুর রহমান মিয়া৷ প্রতিনিধি দলের মধ্যে ছিলেন পরিচালক জনাব রহুল আমিন, এফসিএ, জনাব মোঃ শাকিল রিজভী, জনাব মোহাম্মদ শাহাজাহান এবং জনাব শরীফ আনোয়ার হোসেন৷ বৈঠকে পুঁজিবাজারের স্বার্থে ডিএসই’র পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক ডঃ স্বপন কুমার বালা, এফসিএমএ ২০১৪-১৫ অর্থবছরের বাজেটে বেশ কিছু প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন ৷

বিএসইসি-এর পূর্ণাঙ্গ কমিশনের মেয়াদ বৃদ্ধিতে ডিএসই’র অভিনন্দন : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি ছিদ্দিকুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বে ৮ মে ২০১৪ তারিখে ডিএসই’র পরিচালনা পর্ষদ কমিশনের কার্যালয়ে সাক্ষাত করে বিএসইসি-এর পূর্নাঙ্গ কমিশনের মেয়াদ বৃদ্ধিতে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান৷ এ সময় বিএসইসি’র চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম খায়রুল হোসেন স্বাগত জানিয়ে বলেন বিএসইসি এবং ডিএসইসি’র মধ্যে সহযোগীতামুলক সম্পর্ক থাকায় বিগত দিনে বিভিন্ন সংস্কার কাজ বাস্তবায়িত হয়েছে৷ ভবিষ্যৎ এ সম্পর্ক বজায় থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন৷ বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা ও ভবিষ্যত কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি বলেন এক বা একাধিক সু-প্রসিদ্ধ বিদেশী কোম্পানিকে ডিএসই’র কৌশলগত অংশীদার হিসাবে দ্রুত নিয়ে আসার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন৷

ডিএসইতে প্রধান রেগুলেটরী কর্মকর্তার যোগদান : ডিমিউচুয়্যালাইজেশন আইন ২০১৩ অনুযায়ী ডিএসই ডিমিউচুয়্যালাইজেশন পরবর্তী ১২ মে ২০১৪ তারিখে জনাব এ কে এম জিয়াউল হাসান খান, এফসিএ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে প্রধান রেগুলেটরী কর্মকর্তা হিসাবে যোগদান করেন৷ তার আগে তিনি ১৯ জানুয়ারী ২০১৪ থেকে ১১ মে ২০১৪ তারিখ পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান রেগুলেটরী কর্মকর্তা হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন৷ জনাব এ কে এম জিয়াউল হাসান খান ১২ জুন ২০১৩ তারিখে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসাবে যোগদান করেন৷ ডিমিউচুয়্যালাইজেশন পরবর্তী প্রধান রেগুলেটরী কর্মকর্তার অধিনে ডিএসই’র সার্ভিলেন্স, মনিটরিং এবং কমপ্লায়েন্স, ইনভেস্টিগেশন এবং এনফোর্সমেন্ট, লিস্টিং, ইনভেস্টর কম্প্লায়েন্টস, আরবিট্রেশন এবং লিটিগেশন এবং কর্পোরেট গভর্নেন্স & ফিনান্সিয়াল রিপোর্টিং কমম্প্লয়েন্স বিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করছে ৷

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের সাথে ডিএসইর বৈঠক :  ডিমিউচুয়্যালাইজেশন পরবর্তী ডিএসই’র পরিচালনা পর্ষদ কার্যকরী ভুমিকা পালন ও পুঁজিবাজার উন্নয়নে বহুমুখী পদক্ষেপ নেয়ার পথে রেগুলেটরের সাথে মত বিনিময়ের মাধ্যমে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহনের লক্ষ্যে ডিএসই’র চেয়ারম্যান বিচারপতি ছিদ্দিকুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বে ৯ সদস্যের এক প্রতিনিধি দল জুন ৪,২০১৪ তারিখে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান ও কমিশনার বৃন্দের সাথে বৈঠক করেন৷ বৈঠকে ডিএসইর প্রতিনিধিবৃন্দ বাজার পরিস্থিতি ও অন্যান্য আনুসাংগিক বিষয় নিয়ে প্রতিমাসে বৈঠকের আগ্রহ প্রকাশ করলে বিএসইসি তাতে সম্মত হন৷ এছাড়াও তালিকাভুক্ত কোম্পানির মনিটরিং সহ সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণের বিষয় নিয়েও আলোচনা করেন৷

ডিএসই’র বাজেট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলন : ৫ জুন ২০১৪ তারিখে মহান জাতীয় সংসদে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় অর্থমন্ত্রী জনাব আবুল মাল আবদুল মুহিত কর্তৃক প্রস্তাবিত ২০১৪-১৫ অর্থবছরের বাজেট বক্তব্য পুঁজিবাজার সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় পুক্ষানুপুক্ষভাবে পর্যালোচনা করে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ ০৭ জুন ২০১৪ তারিখে বাজেট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে৷ এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডিএসই’র চেয়ারম্যান বিচারপতি ছিদ্দিকুর রহমান মিয়া, পরিচালক জনাব রহুল আমিন, এফসিএমএ এবং সিআরও জনাব এ কে এম জিয়াউল হাসান খান,এফসিএ৷

মাননীয় অর্থমন্ত্রীর সাথে ডিএসই ও সিএসই’র প্রতিনিধিদলের বৈঠক : ডিএসই’র চেয়ারম্যান বিচারপতি ছিদ্দিকুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বে ৭ সদস্যের এক প্রতিনিধি দল এবং সিএসই’র চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদের নেতৃত্বে ৬ সদস্যের এক প্রতিনিধি দলের সাথে ১২ জুন ২০১৪ তারিখে মাননীয় অর্থমন্ত্রী জনাব আবুল মাল আবদুল মুহিতএর সাথে বাজেট পরবর্তী এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়৷ এ সময় ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব ড. এম আসলাম আলম উপস্থিত ছিলেন৷

বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান বিচারপতি ছিদ্দিকুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বে ৬ (ছয়) সদস্যের এক প্রতিনিধি দল ৯ জুলাই ২০১৪ বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব আ হ ম মোস্তফা কামাল, এমপি এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করেন ৷  ডিএসই’র প্রতিনিধিবৃন্দ মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়কে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব গ্রহন এবং আইসিসি’র সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার জন্য ডিএসই’র পক্ষ থেকে শুভেচছা ও অভিনন্দন জানান৷ প্রতিনিধিবৃন্দ অল্প সময়ে সুন্দরভাবে স্টক এক্সচেঞ্জের ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন করার ক্ষেএে সহযোগিতা প্রদানের জন্য মন্ত্রী মহোদয়ের প্রতি কৃতঞ্জতা ঞ্জ্যাপন করেন এবং ২০১৪-১৫ অর্থবছরর বাজেট ঘোষনা এবং তৎপরবর্তী পাশ হওয়া অর্থআইন ২০১৪ এর আয়কর ও পুঁজিবাজার সংক্রান্ত বিভিন্ন বিধি বিধান নিয়ে আলোচনা করেন৷ এ সময় মাননীয় মন্ত্রী জনাব আ হ ম মোস্তফা কামাল বলেন, পুঁজিবাজার নির্ভর করে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির উপর, দেশের অর্থনীতি ভালো থাকলে পুঁজিবাজারও ভালো থাকবে৷ বর্তমানে দেশের অর্থনীতির সকল সুচকই ইতিবাচক পর্যায়ে রয়েছে৷

নতুন পদ্ধতিতে আইপিও আবেদনের পাইলট প্রজেক্ট শুরু : পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের সুবিধার্থে আইপিও প্রক্রিয়া সহজীকরনের জন্য আবেদন গ্রহণ থেকে শুরু করে কোম্পানি তালিকাভুক্তি হতে যে সময়ক্ষেপন হয় তা কমিয়ে আনার লক্ষ্যে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগ গ্রহণ করে৷ এরই অংশ হিসেবে কিভাবে এ প্রক্রিয়া সহজ করা যায় সে বিষয়ে মতামত নিতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ব্যাংক, শীর্ষ ব্রোকারেজ হাউজ, মার্চেন্ট ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের প্রতিনিধিদের সাথে একাধিক বৈঠক করেন ৷

বৈঠকে বর্তমান আইপিও প্রক্রিয়া শেষ করতে দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়ার সময় কমিয়ে এনে রিফান্ড জটিলতা এবং কোম্পানিগুলোকে দ্রুত তালিকাভুক্তির বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের মতামত নেয়া হয় ৷ সংশ্লিষ্ট সবার মতামতের ভিওিতে একটি নীতিমালা তৈরী করে বিএসইসি ৷ এর প্রক্ষিতে অনুমোদিত নতুন প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের নতুন আবেদন পদ্ধতি ২৮ সেপ্টেম্বরের থেকে হামিদ ফেব্রিকস কোম্পানির মাধ্যমে শুরু হয় ৷ প্রথম পাইলট প্রজেক্টে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ এর ১৫১ টি ব্রোকারেজ ও ১৬টি মার্চেন্ট ব্যাংক অংশগ্রহণ করে ৷

নতুন পদ্ধতিতে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের আবেদন প্রক্রিয়ার পাইলট প্রজেক্টের সচেতনতা মূলক কর্মসূচির আওতায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ ২২-২৮ আগস্ট ২০১৪ তারিখে ৫ দিন ব্যাপি Awarness Programe for Compliance Authority and Investors Pilot Project on Public Issue Application Process শীর্ষক কর্মসূচির আয়োজন করে ৷

ডিএসই এক্সট্রিম আইনেট ম্যাচিং ইঞ্জিন এবং ডিএসই ফ্লেক্স-টিপি অর্ডার ম্যানেজমেন্ট এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন  : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান বিচারপতি ছিদ্দিকুর রহমান মিয়ার ১১ ডিসেম্বর ২০১৪ ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে বহুল প্রতিক্ষিত পরবর্তী প্রজন্মের স্বয়ংক্রিয় অত্যাধুনিক ট্রেডিং সফটওয়্যার ডিএসই এক্সট্রিম আইনেট ম্যাচিং ইঞ্জিন এবং ডিএসই ফ্লেক্স-টিপি অর্ডার ম্যানেজমেন্ট এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয় ৷

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জনাব এম এ মান্নান, এমপি প্রধান অতিথি এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশনের মাননীয় চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম খায়রুল হোসেন বিশেষ অতিথি হিসাবে উপসথিত থেকে ডিএসই এক্সট্রিম আইনেট ম্যাচিং ইঞ্জিন এবং ডিএসই ফ্লেক্স-টিপি অডার ম্যানেজমেন্ট এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ৷ এ সময় উপসথিত ছিলেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশনের কমিশনারবৃন্দ, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালনা বোর্ডের সদস্যবৃন্দ, ট্রেক হোল্ডার বৃন্দ, বিএপিএলসির প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ ইন্সুরেন্স এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট সহ বিভিন্ন কোম্পানির চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকবৃন্দ

ব্রোকারেজ হাউজের লেনদেনের উপর হাওলা চার্জ প্রত্যাহার : ১৮ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখ থেকে লেনদেনের ক্ষেএে চার্জের পরিবর্তন করা হয়৷ ইকূইটি মার্কেটের জন্য (ইকূইটি/মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইসট্রুমেনটের ক্ষেএে)ট্রানজেকশন ফি বা লেনদেন ফি ট্রেড মুল্যের ০.০৩ শতাংশ করা হয় ৷ বন্ড মার্কেটের ক্ষেএে ট্রানজেকশন ফি বা লেনদেন ফি ট্রেড প্রতি ৫০ টাকা ধার্য করা হয় ৷ পূর্বে সকল ক্ষেএে (১ এপ্রিল ২০১০ থেকে ১৭ ডিসেম্বর ২০১৪ )| হাওলা চার্জ ট্রেড প্রতি ২ টাকা এবং লাগা চার্জ ট্রেড মুল্যের ০.০২ শতাংশ ছিল৷

বাজার চিএ ২০১৪

লেনদেনযোগ্য সিকিউরিটিজ : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ এ ২০১৪   সালের ডিসেম্বরে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজের সংখ্যা দাঁড়ায় ৫৪৬৷ এর মধ্যে কোম্পানি ২৭৪, মিউচ্যুয়াল ফান্ড ৪০, ডিবেঞ্চার ৮, ট্রেজারী বন্ড ২২১ এবং কর্পোরেট বন্ড ৩টি ৷ যা মোট তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজ সমুহের শেয়ার সার্টিফিকেট ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের সংখ্যা ৪৯,৬৩৫ মিলিয়ন এবং মোট ইস্যুড ক্যাপিটাল ১০,৫৪,৯২৬ মিলিয়ন টাকা৷

অপরদিকে ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজের সংখ্যা ছিল ৫২৯টি৷ এর মধ্যে কোম্পানি ২৫৬, মিউচ্যুয়াল ফান্ড ৪১, ডিবেঞ্চার ৮, ট্রেজারী বন্ড ২২১ এবং কর্পোরেট বন্ড ৩টি ৷ যা মোট তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজ সমুহের শেয়ার সার্টিফিকেট ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের সংখ্যা ছিল ৪৩,৯৩১ মিলিয়ন বা ইউএস ডলার ৫৬৫ মিলিয়ন এবং মোট ইস্যুড ক্যাপিটাল ছিল ৯৯৯,৭৮৫ মিলিয়ন বা ইউএস ডলার ১২,৮৫৮ মিলিয়ন টাকা৷

বাজার মূলধন : ২০১৪ সালের শুরুতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ এর বাজার মুলধন ছিল ২ লক্ষ ৬৪ হাজার কোটি টাকা ৷ বছর শেষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লক্ষ ২৫ হাজার কোটি টাকা৷ গত বছরের (২০১৩) চেয়ে এ বছর তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজ সমুহের বাজার মূলধন বৃদ্ধি পেয়েছে ৬১ হাজার কোটি টাকা৷ শতাংশের হিসাবে এ বৃদ্ধির হার ২৩.১০ শতাংশ ৷ ২০১৪ সালে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর সর্বোচ্চ বাজার মূলধন ছিল ১৫ অক্টোবর ৷ এদিন ডিএসই’র বাজার মূলধন ছিল ৩ লক্ষ ৪৭ হাজার কোটি টাকা৷আর সর্বনিম্ন বাজার মূলধন ছিল ২০১৪ সালের ১ জানুয়ারী, যার পরিমাণ ছিল ২ লক্ষ ৪৫ হাজার কোটি টাকা৷

সিকিউরিটিজ লেনদেন : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ এ তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজ সমুহের লেনদেনের পরিমান ২০১৪ সালে ব্যাপক আকারে বৃদ্ধি পেয়েছে৷ ২০১৪ সালে ২ হাজার ৫৭২ কোটি সিকিউরিটিজ লেনদেন হয়, যার মুল্য ১ লক্ষ ১৮ হাজার ৮৫২ কোটি ১৫ লক্ষ টাকা ৷ এ বছর সর্বোচ্চ সিকিউরিটিজ লেনদেন হয় ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৪ তারিখে, যার পরিমান ছিল ২৭ কোটি ৫১ লক্ষ৷ আর সর্বনিম্ন সিকিউরিটিজ লেনদেন হয় ১৭ নভেম্বর ২০১৪ তারিখে, যার পরিমান ছিল ১ কোটি ৩৩ লক্ষ ৷ টাকার দিক থেকে সর্বোচ্চ লেনদেন হয় ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৪ তারিখে, যার পরিমান ছিল ১২৮৮ কোটি ৫৫ লক্ষ টাকা ৷ আর টাকার দিক থেকে সর্বনিম্ন লেনদেন হয় ১১ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখে, যার মূল্য ছিল ১৩৬ কোটি ৮৯ লক্ষ টাকা ৷

অপর দিকে ২০১৩ সালে সিকিউরিটিজ লেনদেনের পরিমান ছিল ২ হাজার ২৯৮ কোটি, যার মুল্য টাকায় ৯৫ হাজার ২৭৪ কোটি ২০ লক্ষ টাকা ৷ ২০১৪ সালে লেনদেন দিবসের সংখ্যা ২৩৮ দিন, অপরদিকে ২০১৩ সালেও লেনদেন দিবসের সংখ্যা ছিল ২৩৮ দিন৷ ২০১৪ সালে গড়ে সিকিউরিটিজ লেনদেন হয় ১০ কোটি ৮০ লক্ষ এবং টাকায় গড়ে লেনদেন হয় ৪৯৯ কোটি ৩৭ লক্ষ টাকা ৷ অপরদিকে ২০১৩ গড়ে সিকিউরিটিজ লেনদেন হয় ৯ কোটি ৬৫ লক্ষ এবং টাকায় দিক থেকে গড় লেনদেন হয় ৪০০ কোটি ৩১ লক্ষ টাকা৷

শেয়ার মূল্যসূচক : বাজার চিএে সঠিক প্রতিফলনের জন্য বর্তমানে ডিএসইতে ডিএসই ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স),ডিএসই ৩০ ইনডেক্স (ডিএস ৩০)এবং ডিএসইএক্স শরীয়াহ্ ইনডেক্স (ডিএসইএস) এই তিন ধরনের সূচক চালু রয়েছে৷

ডিএসই ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) : দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ এ ২৮ জানুয়ারী ২০১৩ তারিখ থেকে এস এ্ন্ড পি কর্তৃক তৈরীকৃত পদ্ধতি অনুযায়ী শুধুমাএ কোম্পানির লেনদেনযোগ্য শেয়ার নিয়ে ডিএসই ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) সূচক গণনা শুরু হয়৷ এ ক্ষেএে মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ডিবেঞ্চার ও বন্ড বাদ দেয়া হয়৷ ডিএসইএক্স সূচক গণনার ক্ষেএে ২০০৮ সালের ১৭ জানুয়ারীর সাধারণ মূল্যসুচক ভিওি ধরা হয়৷ ঐ দিন যার সমাপণী সুচক ছিল ২৯৫১.৯১৷

এরই ভিওিতে ২৮ জানুয়ারী ২০১৩ তারিখে ডিএসই ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৪০৫৫.৯১ পয়েন্ট থেকে যাএা শুরু হয়৷ ৩০ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে ডিএসইএক্স মূল্য সূচক ৪২৬৬.৫৫ পয়েন্ট থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৩০ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখে ৪৮৬৪.৯৬ পয়েন্টে উন্নিত হয়৷ অর্থাত ২০১৩ সালের ৩০ ডিসেম্বর থেকে ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর ডিএসইএক্স মূল্য সূচক পয়েন্টের দিক থেকে বৃদ্ধি পায় ৫৯৮.৪১ পয়েন্ট এবং শতাংশর দিক থেকে বৃদ্ধি পায় ১৪.০৩ ৷ ২০১৪ সালের ১২ অক্টোবর ডিএসইএক্স মূল্য সূচক সর্বোচ্চ ৫৩৩৪.০৪ পয়েন্টে উন্নিত হয় এবং ১লা জনুয়ারী ডিএসইএক্স মূল্য সূচক সর্বনিম্ন ৪২৮৬.১৫ পয়েন্ট৷

ডিএসই ৩০ সূচক (ডিএস৩০) : ২৮ জানুয়ারী ২০১৩ তারিখ থেকে এস এ্ন্ড পি কতৃক তৈরীকৃত নির্দিষ্ট ৩০ টি কোম্পানি নিয়ে ডিএসই ৩০ সূচক (ডিএস ৩০) সূচক গণনা শুরু হয়৷ ডিএস ৩০ সূচক গণনার ক্ষেএে ১০০০ পয়েন্ট ভিওি ধরা হয়৷ এরই ভিওিতে ২৮ জানুয়ারী ২০১৩ তারিখে ডিএস ৩০ সুচক ১৪৭৩.০১ থেকে যাএা শুরু হয়৷ যা ডিএসই বিনিয়োগযোগ্য সূঁচক ডিএস ৩০ নামে পরিচিত৷ ৩০ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে ডিএস৩০ সূচক মূল্য ১৪৬৬.২৫ পয়েন্ট থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৩০ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখে ১৮০৩.০৬ পয়েন্টে উন্নিত হয়৷ অর্থাত ২০১৩ সালের ৩০ ডিসেম্বর থেকে ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর ডিএস৩০ মূল্য সূচক পয়েন্টের দিক থেকে বৃদ্ধি পায় ৩৩৬.৮১ পয়েন্ট এবং শতাংশর দিক থেকে বৃদ্ধি পায় ২২.৯৭ ৷ ২০১৪ সালের ১৫ অক্টোবর ডিএস ৩০ মূল্য সূচক সর্বোচ্চ ২০০২.০৯ পয়েন্টে উন্নিত হয় এবং ১লা জনুয়ারী ডিএস ৩০ মূল্য সূচক সর্বনিম্ন ১৪৭৮.৩৮ পয়েন্ট ৷

ডিএসইএক্স শরীয়াহ্ ইনডেক্স (ডিএসএস) : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ এ তালিকাভুক্ত ইসলামী শরীয়াহ্ অনুযায়ী ব্যবসা পরিচালনাকারী কোম্পানি ও ফান্ড গুলো নিয়ে ২০ জানুয়ারী ২০১৪ তারিখ থেকে চালু হয় ডিএসইএক্স শরীয়াহ্ সুচক (ডিএসইএস)৷ বিশ্বখ্যাত সুচক প্রণয়ণ কারী প্রতিষ্ঠান স্ট্যান্ডার্ড এ্যান্ড পুওরস (এসএ্যান্ডপি) ডাও জোনস কতৃক পদ্ধতি অনুযায়ী রেটিং ইনটেলিজেনস পার্টনার এবং ইসলামী শরীয়াহ্ বোর্ডের তত্ত্বাবধানে এই শরীয়াহ্ সুচক চালু করা হয়৷ যার ভিওি সুচক ধরা হয় ১০০০৷ আর ভিওি বছর হিসেবে ধরা হয় ২০১১ সালের জানুয়ারী মাস ৷ ২০ জানুয়ারী ২০১৪ তারিখে ৯৪১.২৮ পয়েন্ট নিয়ে ডিএসইএক্স শরীয়াহ্ সুচকের যাএা শুরু হয় এবং ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর ২০৮.৯৪ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ১১৫০.২২ উন্নিত হয়৷ ২০১৪ সালের ১৫ অক্টোবর ডিএস ৩০ মূল্য সূচক সর্বোচ্চ ১২৪৮.৭৮ পয়েন্টে উন্নিত হয় এবং ২০ জনুয়ারী ডিএস ৩০ মূল্য সূচক সর্বনিম্ন ৯৪১.২৮ পয়েন্ট ৷

আইপিও : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ এ ২০১৪ সালে টেক্সটাইল খাতের ৮ টি, ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের ৪ টি, ফুয়েল এন্ড পাওয়ার খাতের ১ টি, ফুড এন্ড অ্যালাইড খাতের ২ টি, ফার্মাসিউটিক্যালস এন্ড কেমিক্যালস খাতের ১ টি, সার্ভিস এন্ড রিয়েল স্টেট খাতের ১ টি, ট্র্যাভেল এন্ড লেজার খাতের ১ টি, পেপার এন্ড প্রিন্টিং খাতের ১ টি, এবং বিবিধ খাতের ১ টি সহ মোট ২০ সিকিউরিটিজ ১৭ হাজার ১২৫ মিলিয়ন টাকার পরিশোধিত মুলধন নিয়ে পাবলিক অফারিং এ আসে৷ এর মধ্যে ১০ টি কোম্পানি প্রিমিয়াম বাবদ উওোলন করে ৭ হাজার ১৭৫ মিলিয়ন টাকা৷ প্রিমিয়াম সহ পাবলিক অফারিং মাধ্যমে বাজার থেকে উওোলন করা হয় মোট ১২ হাজার ৬৩৬ মিলিয়ন টাকা৷ অপরদিকে ২০১৩ সালে ২টি মিউচ্যুয়াল ফান্ড সহ মোট ১২ টি সিকিউরিটিজ ১৩ হাজার ৩৭৭ মিলিয়ন টাকার পরিশোধিত মুলধন নিয়ে পাবলিক অফারিং এ আসে৷ এর মধ্যে প্রিমিয়াম সহ পাবলিক অফারিং মাধ্যমে বাজার থেকে উওোলন করা হয় মোট ৮ হাজার ৩০৫ মিলিয়ন টাকা৷

তালিকাভুক্তি  : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ এ ২০১৪ সালে টেক্সটাইল খাতের ৬ টি, ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের ৩ টি, ফার্মাসিউটিক্যালস এন্ড কেমিক্যালস খাতের ২ টি, ফুড এন্ড অ্যালাইড খাতের ১ টি, ট্র্যাভেল এন্ড লেজার খাতের ১ টি, ফুয়েল এন্ড পাওয়ার খাতের ২ টি, পেপার এন্ড প্রিন্টিং খাতের ১ টি, সার্ভিস এন্ড রিয়েল এস্টেট খাতের ১টি এবং বিবিধ খাতের ১ টি কোম্পানি সহ মোট ১৭টি কোম্পানি ১৩ হাজার ১৪১ মিলিয়ন টাকার পরিশোধিত মুলধন নিয়ে ডিএসইতে তালিকাভুক্ত হয় ৷ অপরদিকে ২০১৩ সালে ২টি মিউচ্যুয়াল ফান্ড সহ মোট ১৭ টি সিকিউরিটিজ ১৬ হাজার ৭৪৯ মিলিয়ন টাকার পরিশোধিত মুলধন নিয়ে ডিএসইতে তালিকাভুক্ত হয়৷

মার্কেট পি/ই : বাজার চিএের সঠিক প্রতিফলনের জন্য মার্কেট পিই খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় ৷ পুঁজিবাজারে বর্তমান মার্কেট পিই সর্বনিম্ন অবস্থানে অবস্থান করছে৷ যা বিনিয়োগের উত্কৃষ্ট সময় ৷৩০ ডিসেম্বর ২০১৪ সালের শেষ দিনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ এ তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজ সমুহের মার্কেট পিই দাঁড়ায় ১৭.৭৭৷ অপর দিকে ২০১৩ সালে শেষ দিনে মার্কেট পিই ছিল ১৭.১৭ ৷

মার্কেট ক্যাপিটালাইজেশন টু জিডিপি অনুপাত : ১লা জানুয়ারী ২০০৯ তারিখে ডিএসই’র মার্কেট ক্যাপিটালাইজেশন টু জিডিপি অনুপাত ছিল ১৯ দশমিক ৭৪ থেকে বৃদ্দি পেয়ে ৩০ ডিসেম্বর ২০১০ তারিখে ৫০ দশমিক ৮০ শতাংশে উন্নিত হয় ৷ ২০১১ সালে পুঁজিবাজারে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে ৫০ দশমিক ৮০ শতাংশ থেকে হ্রাস পেয়ে ২৯ ডিসেম্বর ২০১১ তারিখে মার্কেট ক্যাপিটালাইজেশন টু জিডিপি অনুপাত দাঁড়ায় ৩৩ দশমিক ২৩৷ ২০১২ এবং ২০১৩ সালে মার্কেট ক্যাপিটালাইজেশন টু জিডিপি অনুপাত দাঁড়ায় যথাক্রমে ২৬ দশমিক ২৭ এবং ২৫ দশমিক ৫১৷ ২০১৪ সালের শুরুতে মার্কেট ক্যাপিটালাইজেশন টু জিডিপি অনুপাত ছিল ২৫.৫১ শতাংশ থেকে বছরের শেষে ৩০ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখে দাঁড়ায় ২৪.১২ শতাংশ৷

তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজ সমুহের কার্যক্রম : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ তালিকাভুক্ত ও লেনদেনযোগ্য ৩১৭টি সিকিউরিটিজ সমুহের মধ্যে ২০১৪ সালে ১৮৮টি সিকিউরিটিজ ৩ শতাংশ থেকে ৯০০ শতাংশ পর্যন্ত নগত লভ্যাংশ ঘোষনা করেছে৷ অপরদিকে ২০১৩ সালে মোট ৩০০ টি তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজ সমুহের মধ্যে ১৫১ টি সিকিউরিটিজ ৩ শতাংশ থেকে ৭০০ শতাংশ পর্যন্ত লভ্যাংশ ঘোষনা করেছে৷

রাইট ইস্যুর মাধ্যমে মূলধন সংগ্রহ : ২০১৪ সালে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ এ তালিকাভুক্ত কোম্পানি সমুহের মধ্যে ব্যাংকিং খাতের ২টি, আর্থিক খাতের ৩টি, টেক্সটাইল খাতের ২টি, ইন্সুরেন্স খাতের ১টি এবং সিমেন্ট খাতের ১টি কোম্পানি সহ মোট ৯টি কোম্পানি রাইট শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে বাজার থেকে প্রিমিয়াম সহ মোট ২০৬৩ কোটি টাকা মূলধন সংগ্রহ করে ৷ যা ২০১৩ সালে আর্থিক খাতের ৫টি এবং ইন্সুরেন্স খাতের ১টি সহ মোট ৬টি কোম্পানি বাজার থেকে মোট ১৮০৩ কোটি ৩ লক্ষ্য টাকা মূলধন সংগ্রহ করে৷

বোনাস ইস্যুর মাধ্যমে মূলধন বৃদ্ধি : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ এ তালিকাভুক্ত কোম্পানি সমুহের মধ্যে ২০১৪ সালে ব্যাংকিং খাতের ২৩টি, আর্থিক খাতের ১২টি, ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের ১২টি, ফুড এন্ড অ্যালাইড খাতের ৬টি, ফুয়েল এন্ড পাওয়ার খাতের ৯টি, জুট খাতের ১টি, টেক্সটাইল খাতের ২০টি, ফার্মাসিউটিক্যালস এন্ড কেমিক্যালস খাতের ১৩টি, পেপার এনড প্রিন্টিং খাতের ১টি, সার্ভিস এন্ড রিয়েল এস্টেট খাতের ৩টি, আই টি খাতের ৩টি, ট্যানারী খাতের ১টি সিরামিক খাতের ২টি ইন্সুরেন্স খাতের ৩২টি ট্রেভেল এন্ড লেজার খাতের ২টি এবং বিবিধ খাতের ৫টি সহ মোট ১৪৪ কোম্পানি ২৯৫ কোটি বোনাস ইস্যুর মাধ্যমে ২৯৫৯ কোটি টাকা মুলধন বৃদ্ধি করে৷ অপর দিকে ২০১৩ সালে ১৫২টি কোম্পানি ৩১৪ কোটি বোনাস ইস্যুর মাধ্যমে ৩১৪১ কোটি টাকা মুলধন বৃদ্ধি করে৷

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ওটিসি মার্কেটের কার্যক্রম : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ এর ওটিসি মার্কেটের লেনদেন বিগত বছরের তুলনায় ২০১৪ সালে ব্যাপক আকারে বৃদ্ধি পেয়েছে৷ ওটিসি মার্কেটে বর্তমানে ৬৬ টি কোম্পানি রয়েছে৷ ৬৬ টি কোম্পানির মধ্যে ১০ টি কোম্পানি (এপেক্স উইভিং, আলফা টোব্যাকো, ঢাকা ফিশারিজ, রহমান ক্যামিক্যালস, মুন্ন ফেব্রিকস, নিলয় সিমেন্ট, সোনালী পেপার, তমিজ্জুদ্দিন টেক্সটাইল, লেক্সকো লিঃ এবং ওয়ান্ডারল্যান্ড টয়েস) ডিমেট প্রক্রিয়ায় লেনদেন সম্পন্ন হচ্ছে৷ ২০১৪ সালে ওটিসি মার্কেটে মোট লেনদেন কৃত শেয়ারের সংখ্যা ৭৯ লাখ ৯৬ হাজার ৫৬৩টি এবং টাকার পরিমান ১০ কোটি ৫৩ লাখ ৫৩ হাজার ৩৯৭৷ যা ২০১৩ সালে ছিল ২৪ লাখ ১২ হাজার ৪১৬ টি এবং টাকার পরিমান ২ কোটি ৬১ লাখ ২ হাজার ৬৬৪৷

বৈদেশিক বিনিয়োগকারীদের লেনদেন : বিএসইসি ও ডিএসই কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন সিকিউরিটিজ আইনের সফল বাস্তবায়ন এবং উন্নতর টেকনোলজি প্রয়োগের ফলে পুঁজিবাজারে যেমন অধিকতর শৃংখলা ফিরে এসেছে তেমনি স্থাপিত হয়েছে অধিকতর স্বচ্ছতা৷ সেই সাথে বৃদ্ধি পেয়েছে পুঁজিবাজারের প্রতি প্রবাসী বাংলাদেশী ও বিদেশী বিনিয়োগকারীদের আস্থা৷ প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রেরিত অর্থ দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে৷ তাদের কষ্টার্জিত যে অর্থ দেশে প্রেরণ করা হয় তা এখন দেশের অর্থনীতির প্রধান অবলম্বন৷ এই প্রেরিত অর্থের একটি অংশ পুঁজিবাজারেও বিনিয়োগ হয়ে থাকে৷ তাছাড়া বিদেশী বিনিয়োগকারীরাও বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে বিগত কয়েক বছরের চেয়ে ২০১৪ সালে নতুন মাইলফলক সৃষ্টি করেছে ৷ ২০১৪ সালে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের মোট লেনদেনের পরিমান দাঁড়ায় ৬২০৫ কোটি টাকা ৷ বৈদেশিক লেনদেনের ক্ষেএে ২০১৪ সাল অতীতের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করে নতুন মাইলফলক সৃষ্টি করে যা পুঁজিবাজারের জন্য ইতিবাচক৷ বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে গত বছরে এ লেনদের পরিমান ছিল ৩৩৬২ টাকা৷

পুঁজিবাজার উন্নয়ন কল্পে দেশে বিদেশে পরিদর্শন কার্যক্রম : চায়না কুনমিং ওপেনিং এশিয়া ট্রান্সপোর্টেশন লজিস্টিক রিসার্স ইনস্টিটিউটের প্রতিনিধি দলের সাথে ডিএসই’র প্রেসিডেন্ট-এর সাক্ষাত

২১ জানুয়ারী ২০১৪ তারিখে চায়না কুনমিং ওপেনিং এশিয়া ট্রান্সপোর্টেশন লজিস্টিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট-এর এক প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ-চায়না-ইন্ডিয়া-মায়ানমার ইকোনমিক করিডোর ফোরামের পক্ষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রেসিডেন্ট আহসানুল ইসলাম টিটু’র সাথে সাক্ষাত করেন৷ প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ-চায়না-ইন্ডিয়া-মায়ানমার ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সড়ক, রেল ও নৌপথে যোগাযোগ সংযোগ স্থাপন, লজিস্টিক সাপোর্ট, অবকাঠামো উন্নয়ন তহবিল গঠন, দারিদ্র বিমোচন, মুদ্রা বিনিময়, গোল্ড এক্সচেঞ্জ স্থাপন, রিজিওনাল সেটেলমেন্ট সেন্টার, যৌথ ইন্সুরেন্স ইনস্টিটিউট স্থাপন বিআইসিএমভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার বিষয়ে আলোচনা করেন৷ এ সময় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অধ্যাপক ডঃ স্বপন কুমার বালা, এফসিএমএ উপস্থিত ছিলেন

ডিএসই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সাথে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের সাক্ষাত : পুঁজিবাজারের সার্বিক অবস্থা ও বিনিয়োগের সুযোগ সুবিধা বিভিন্ন বিষয়ে অবহিত হওয়ার জন্য মার্চ ১১ ২০১৪ তারিখে দেশী বিদেশী কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তার ৮ সদস্যর এক প্রতিনিধি দল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক ডঃ স্বপন কুমার বালা, এফসিএমএ সাথে সাক্ষাত করেন৷ প্রতিনিধি দলের মধ্যে ছিলেন গ্লোবাল ফাইন্যান্স এন্ড ক্যাপিটাল লিঃ এর প্রধান, বিরলা ক্যাপিটাল এন্ড ফিন্যান্সিয়াল সাভিসেস লিঃ এর অ্যাডভাইজারী বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং নির্বাহী পরিচালক, ভ্যানগার্ড এ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, ডব্রিউএসি ইকুইটি ম্যানেজমেন্ট লিঃ এর চেয়ারমান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক, যাসা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক৷ তারা ডিএসই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক ডঃ স্বপন কুমার বালার, এফসিএমএ, সাথে সাক্ষাত করে পুঁজিবাজারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবহিত হন৷

ইউএস এসইসি কর্তৃক আয়োজিত ২৪তম ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ সিকিউরিটিজ মার্কেট ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম অংশ গ্রহন৷

এপ্রিল ৭ থেকে এপ্রিল ১৮, ২০১৪ তারিখে ওয়াশিংটন ডিসিতে ১২ দিন ব্যাপী ইউএস এসইসি কর্তৃক আয়োজিত ২৪তম ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ সিকিউরিটিজ মার্কেট ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামে অনুষ্ঠিত হয়৷ বিষয়ের বিভিন্ন দেশের স্টক এক্সচেঞ্জের প্রতিনিধিদের অংশ গ্রহনে ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ সিকিউরিটিজ মার্কেট ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামে ডিএসই’র চেয়ারম্যান বিচারপতি ছিদ্দিকুর রহমান মিয়া এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক ডঃ স্বপন কুমার বালা, এফসিএমএ, যোগদান করেন৷

ডিএসই’র প্রতিনিধি দলের চীন সফর : চায়না কুনমিং ইন্টারন্যাশনাল লজিস্টিকস এন্ড ফাইন্যান্স এসোসিয়েশন এর আমন্ত্রণে ডিএসই’র ৮ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ৯ এবং ১০ জুন ২০১৪ তারিখে আঞ্চলিক সহযোগী ফোরাম বিসিআইএম (বাংলাদেশ-চায়না-ইন্ডিয়া-মায়ানমার)এক্সচেঞ্জেস ফোরাম অফ চায়না সাউথ এশিয়া ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্সিয়াল ওপেনিং কো-অপারেশন কর্তৃক আয়োজিত চীনের কুনমিং এ প্যান এশিয়া স্টক এক্সচেঞ্জ চালু ও গঠন প্রক্রিয়া নিয়ে অনুষ্ঠিত ২ দিন ব্যাপী সম্মেলনে যোগদান করেন৷ প্রতিনিধি দলে ছিলেন ডিএসই’র পরিচালক ব্রি. জে. মোঃ মুজিবুর রহমান, পিএসসি, জনাব মোঃ শাকিল রিজভী, জনাব মোহাম্মদ শাহজাহান, জনাব শরীফ আনোয়ার হোসেন, ডিএসই সাবেক প্রেসিডেন্ট জনাব আহসানুল ইসলাম টিটু, ডিএসই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক ডঃ স্বপন কুমার বালা, এফসিএমএ, ডিএসইর সাবেক পরিচালক ও ট্রেকহোল্ডার জনাব মিনহাজ মান্নান ইমন, ট্রেকহোল্ডার এবং ট্রেকহোল্ডার ক্লাবের প্রেসিডেন্ট জনাব দেওয়ান আজিজুর রহমান এবং ডিএসইর ট্রেক, বোর্ড অ্যান্ড করপোরেট বিভাগের উপ মহাব্যবস্থাপক জনাব মোহাম্মদ আসাদুর রহমান, এসিএস৷

এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক এর পরামর্শক প্রতিষ্ঠান দি এরিস গ্রুপ লিঃ এর সাথে বৈঠক

এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক এর পরামর্শক প্রতিষ্ঠান দি এরিস গ্রুপ লিঃ (The Aries Group Ltd)এর পরিচালক মিঃ অ্যানথনি বি. শোরাকা (Mr. Anthony B. Shoraka) এবং সিনিয়র কনসালটেন্ট মিঃ লিউইস জে. মেন্ডেলসন (Mr. Lewis J. Mendelson) ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৪ তারিখে ডিএসই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক ড. স্বপন কুমার বালা, এফসিএমএ এবং প্রধান রেগুলেটরী কর্মকর্তা জনাব এ কে এম জিয়াউল হাসান খান, এফসিএমএ এর সাথে বৈঠক করেন৷ বৈঠকে দি এরিস গ্রুপ লিঃ এর প্রতিনিধিবৃন্দ জানান ক্যাপিটাল মার্কেট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট ফেইজ-২ এর কাজ শেষের পথে এবং ফেইজ-৩ এর কাজ আগামী বছরের এপ্রিল মাসে শুরু হতে যাচ্ছে৷ তারই প্রেক্ষিতে ডিমিউচ্যুয়ালাজেশন পরবর্তী ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের কার্যক্রমের অংশ হিসাবে সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতি তথা মার্কেট গভর্নেন্স, বাজার উন্নয়নে নতুন প্রোডাক্ট, ফিনান্সিয়াল রিপোর্টিং এ্যাক্ট প্রণয়নের মাধ্যমে ফিনান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল গঠন ও ক্লিয়ারিং কোম্পানি গঠন, ইন্টারনাল কন্ট্রোল, রেগুলেটরী অ্যাফেয়ার্স বিভাগের কার্যক্রমের অগ্রগতি, ব্যবস্থাপনা কতৃপক্ষের সক্ষমতা সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন৷ উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশের পুঁজিবাজার উন্নয়নে বিভিন্ন সময়ে সহায়তা ও পরামর্শ দেয়ার জন্য এডিবি বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের অন্যতম সহযোগী হিসাবে কাজ করে যাচ্ছে ৷  ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ ও ক্যালকাটা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ এর মধ্যে সমঝোতা সাক্ষর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ ও ক্যালকাটা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ উভয় দেশের পুঁজিবাজার উন্নয়নে নিয়মিত নলেজ শেয়ারিং ও সর্বোত্কৃষ্ট চর্চা বিনিময় নিয়ে ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৪ তারিখে ক্যালকাটার দি বেংগল ক্লাব লিঃ এ একটি সমঝোতা স্মারক সাক্ষর করে ৷ এই সমঝোতা স্মারকে ডিএসই’র পক্ষে সাক্ষর করেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক ড. স্বপন কুমার বালা, এফসিএমএ এবং ক্যালকাটা স্টক এক্সচেঞ্জের পক্ষে স্বাক্ষর করেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও জনাব বি মাধব রেডডি ৷ এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের ফলে নিকটতম আন্তর্জাতিক স্টক হিসাবে ক্যালকাটা স্টক এক্সচেঞ্জের শতাব্দি প্রাচীন অভিঞ্জতা ও চর্চা আন্ত বিনিময়ের মাধ্যমে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ উপকৃত হবে ৷ মুলতঃ সহযোগীতার মাধ্যমে পারস্পরিক সুবিধার সাথে এই সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌছবে, বিশেষ করে প্রশিক্ষণ ও পারস্পরিক সুবিধার সাথে৷ এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে ডিএসই ক্যালকাটা বিশ্ববিদ্যালয় ও ক্যালকাটা স্টক এক্সচেঞ্জ সেন্ট্রাল অব একসিলেনসি ইন ফিনান্সিয়াল মার্কেটস এর সাথে কাজ করার সুযোগ স্থাপিত হয় ৷ যা ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেটের উন্নয়নের ক্ষেএে ঞ্জ্যানলব্দ রিসোর্স ও প্রশিক্ষনের মাধমে বিশেষ ভুমিকা রাখবে ৷

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ ও কোরিয়া এক্সচেঞ্জ মধ্যে সমঝোতা সারক : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালক জনাব মোঃ শাকিল রিজভী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক ড. স্বপন কুমার বালা, এফসিএম ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন অব এক্সচেঞ্জেস এবং কোরিয়া স্টক এক্সচেঞ্জের যৌথ আয়োজনে ২৭ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর ২০১৪ তারিখ পর্যন্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন অব এক্সচেঞ্জেস এর ৫৪তম সাধারণ সমাবেশ এবং বার্ষিক সভায় যোগদান করেন ৷ ২৬ অক্টোবর কোরিয়া এক্সচেঞ্জ ভবনে ডিএসই ও কেআরএক্স এর মধ্যে এক দি-পাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় ৷ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালক জনাব মোঃ শাকিল রিজভী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক ড. স্বপন কুমার বালা, এফসিএম ২৭ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে কোরিয়া এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে WFE এর উদ্বোধনী সেশনের কার্যক্রম শুরু হয় ৷

সমাবেশ শেষে ২৯ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে বাংলাদেশ ক্লিয়ারিং হাউজ গঠন এবং পুঁজিবাজারে নতুন প্রোডাক্ট চালু এবং উভয় স্টক এক্সচেঞ্জের গবেষনা তথ্য আদান প্রদান, মানব সম্পদের প্রশিক্ষণ এবং দুই স্টক এক্সচেঞ্জের আইসিটি সিস্টেমের উন্নয়ন বিষয়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ ও কোরিয়া এক্সচেঞ্জ মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয় ৷ এই সমঝোতা স্মারকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ এর পক্ষে স্বাক্ষর করেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক ড. স্বপন কুমার বালা, এফসিএম এবং কোরিয়া এক্সচেঞ্জের পক্ষে স্বাক্ষর করেন চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মি. কিয়ংসু চৈ ৷ এ সময় উপস্থিত ছিলেন পরিচালক জনাব মোঃ শাকিল রিজভী৷

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ-এর ট্রেনিং একাডেমীর বছর ব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা : পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ জ্ঞ্যান এবং সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ এর ট্রেনিং একাডেমী ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষন প্রদান করে আসছে৷ তারই অংশ হিসাবে ২০১৪ সালের ১৯ জানুয়ারী হতে ৩০ জানুয়ারী পর্যন্ত ৯ দিন ব্যাপী ৪০ জন প্রশিক্ষণার্থী “বিনিয়োগ সচেতনতামুলক প্রশিক্ষন কর্মসুচিতে” অংশগ্রহন করে৷ ফেব্রুয়ারী ১৬ হতে মার্চ ৪ পর্যন্ত ১৪ দিন ব্যাপী “পোর্টফোলিও ম্যানেজমেন্ট এন্ড সিকিউরিটিজ এ্যানালাইসিস” শীর্ষক কর্মশালায় ৫২ জন প্রশিক্ষণার্থী, এপ্রিল ৮ হতে এপ্রিল ১০ পর্যন্ত ২ দিন ব্যাপী “কমম্প্লায়েন্স ইন কর্পোরেট গভর্নেন্স বাই লিস্টেড কোম্পানিজ” শীর্ষক কর্মশালায় ২১ জন প্রশিক্ষণার্থী, এপ্রিল ২৮ হতে মে ৫ পর্যন্ত ৫ দিন ব্যাপী “ইন্টারনাল অডিট এন্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট এন্ড কন্ট্রোল” শীর্ষক কর্মশালায় ২২ জন প্রশিক্ষণার্থী, মে ২৪ হতে মে ২৯ পর্যন্ত ৬ দিন ব্যাপী বেসিক “আন্ডারস্ট্যান্ডিং অফ ফিন্যান্সিয়াল ডেরিবেটিবস” শীর্ষক কর্মশালায় ৫৫ জন প্রশিক্ষণার্থী এবং জুন ২২ হতে জুন ২৪ পর্যন্ত ৩ দিন ব্যাপী “এ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট” শীর্ষক কর্মশালায় ২৫ জন প্রশিক্ষণার্থী প্রশিক্ষন প্রদান করেন৷

আগষ্ট ২৪ হতে আগষ্ট ২৭ পর্যন্ত ৪ দিন ব্যাপী “টেকনিক্যাল এনালাইসিস” শীর্ষক কর্মশালায় ৪৮ জন প্রশিক্ষনাথী, সেপ্টেম্বর ১৬ হতে অক্টোবর ০১ পর্যন্ত ১২ দিন ব্যাপী “পোর্টফোলিও ম্যানেজমেন্ট এন্ড সিকিউরিটিজ এনালাইসিস” শীর্ষক কর্মশালায় ৪৪ জন প্রশিক্ষনাথী, অক্টোবর ১৯ হতে নভেম্বর ০১ পর্যন্ত ১০ দিন ব্যাপী “ফিন্যান্সিয়াল ষ্টেটমেন্ট এনালাইসিস” শীর্ষক কর্মশালায় ৪০ জন প্রশিক্ষনাথী, ডিসেম্বর ০৯ হতে ডিসেম্বর ১০ পর্যন্ত ২ দিন ব্যাপী “কমপ্লায়েন্স ইন কর্পোরেট গভনেন্স” শীর্ষক কর্মশালায় ১৬ জন প্রশিক্ষনাথী, ডিসেম্বর ২২ হতে ডিসেম্বর ৩১ পর্যন্ত ৫ দিন ব্যাপী “ইন্টারনাল অডিট রিস্ক ম্যানেজমেন্ট এন্ড কন্ট্রোল” শীর্ষক কর্মশালায় ২১ জন প্রশিক্ষনাথী প্রশিক্ষন গ্রহন করেন।

সামাজিক উন্নয়নে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ এর অবদান

বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এসএসসি, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি ছাএ ছাএীদের বৃওি, ঢাকা রিপোর্টার ইউনিটি, ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্ট ফোরাম, হামরুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন, আইসিএমএবি, ডিসিসিআই, ডিএসই’র কর্মকর্তার মৃ্ত্যু, শেয়ার মার্কেট টিভি জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন কে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ সিএসআর এর আওতায় ৬৪ লাখ ৪০ টাকার অনুদান প্রদান করা হয় ৷

আগামীদিনের ডিএসই’র পরিকলপনা

১. নতুন স্বয়ংক্রিয় অত্যাধুনিক ট্রেডিং সফটওয়্যার ডিএসই এক্সস্ট্রিম আইনেট ম্যাচিং ইঞ্জিন এবং ডিএসই ফ্লেক্স টিপি এর পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ণ

২. কৌশলগত বিনিয়োগকারী খুঁজে বের করা

৩. ডিএসইকে পূর্ণাঙ্গ ডিজিটালাইজেশন করা

৪. নতুন প্রোডাক্ট চালু করণ

৫. ওটিসি মার্কেটের উন্নয়ন

৬. গবেষনা কার্যক্রম জোরদার

৭. বিনিয়োগকারীসহ পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টদের সচেনতা বৃদদি কলপে প্রশিক্ষন কমসুচী জোরদারকরণ

ইতিপূর্বে ‘পুঁজিবাজারের ইতিহাস’ এর পাতায় ৯ আগস্ট ১৯৯৮ সালে ক্রাই আউট পদ্ধতির বিলুপ্ত ঘটিয়ে ১০ আগস্ট ১৯৯৮ সালে অটোমেশন পদ্ধতিতে লেনদেন চালু ৷ সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি সিস্টেম বাস্তবায়নের ফলে ক্রীপলেস সার্টিফিকেট বিহীন শেয়ার লেনদেন চালু ২০০৪ সালের ২৪ জানুয়ারী৷ প্রজন্মের পর প্রজন্ম উল্লেখিত সাল গুলোকে দেশের পুঁজিবাজারে স্মরণীয় বছর হিসেবেই মনে রাখবে৷

উল্লেখ্য, প্রতিবেদনটি ডিএসইর নিজস্ব। এখানে স্টক বাংলাদেশ -এর কোন কৃতিত্ব নেই।

1 COMMENT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here