ডিএসইর এজিএম অনুষ্ঠিত

0
60

স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ৫৭তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ও  নবম বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) বৃহস্পতিবার, ৩১ জানুয়ারি রাজধানীর নিকুঞ্জে ডিএসই টাওয়ারের মাল্টিপারপাস হলে অনুষ্ঠিত হয়েছে৷ এজিএমে শেয়ারহোল্ডাররা ২০১৮ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের পরিচালকমন্ডলীর প্রতিবেদন, নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন করেছেন। সভায় সর্বশেষ হিসাববছরের ঘোষিত ৫ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন করেছেন শেয়ারহোল্ডাররা।

সভায় সভাপতিত্ব করেন ডিএসইর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবুল হাশেম। ডিএসই টাওয়ার প্রজেক্ট, নতুন প্রোডাক্টসহ শেয়ারহোরল্ডারদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে এ এম মাজেদুর রহমান। সভায় মো: রকিবুর রহমানকে পুনরায় ডিএসইর পরিচালক নির্বাচন করা হয়।

সভার শুরুতে ডিএসইর শেয়ারহোল্ডার নাসির-উর-রহমান সিনহা, সাবেক ডিএসই সদস্য মো. শাহিদুল্লাহ ও শেয়ারহোল্ডার পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়

ডিএসই নবম ইজিএমে অ্যাসোসিয়েশন অব ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের বিভিন্ন অনুচ্ছেদসমূহের পরিবর্তন, পরিমার্জন ও সংযোজন করা হয়৷ আর ৫৭তম এজিএমে ডিএসইর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবুল হাশেম পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনার পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং নব-নির্বাচিত সরকারকে অভিনন্দন জানান।

অধ্যাপক ড. আবুল হাশেম বলেন, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ডিএসইতে একটা গুনগত পরিবর্তন ঘটে। অনেক চ্যালেঞ্জের সম্মুখিন হওয়া সত্ত্বেও সফলভাবে সেগুলো বাস্তবায়ন করা হয়েছে। ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ ও ম্যানেজমেন্ট গত এক বছর কৌশলগত বিনিয়োগকারী আনার ব্যাপারে অত্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করে। নিরলস পরিশ্রম ও দীর্ঘ কর্মযজ্ঞের পর অবশেষে বিশ্বের খ্যাতিমান এক্সচেঞ্জ শেনজেন স্টক এক্সচেঞ্জ ও সাংহাই স্টক এক্সচেঞ্জ ডিএসইর কৌশলগত বিনিয়োগকারী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এটি ডিএসইর জন্য আন্তর্জাতিকীকরণ, মানসম্পন্নকরণ এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জনের ক্ষেত্রে একটি বড় অর্জন। যা ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের কঠোর ও মহত প্রচেষ্টা এবং ডিএসইর শেয়ারহোল্ডারদের আন্তরিক সমর্থনের ফলাফল। ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ কৌশলগত বিনিয়োগকারীদের ব্যাপারে নির্দেশনা এবং অনুমোদনের জন্য বিএসইসির কাছে কৃতজ্ঞ।

একই সঙ্গে শেনঝেন স্টক এক্সচেঞ্জ ও সাংহাই স্টক এক্সচেঞ্জকে ডিএসইর কৌশলগত বিনিয়োগকারী হওয়ায় ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন তিনি।

ডিএসই ও পুঁজিবাজার উন্নয়নে অনেকগুলো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি সফলতার চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং কিছু সম্পন্ন হয়েছে যেমন- কৌশলগত বিনিয়োগকারীর অন্তর্ভুক্তি, ক্লিয়ারিং এবং সেটেলমেন্ট কোম্পানি গঠন এবং স্মল ক্যাপিটাল প্লাটফর্ম বাস্তবায়ন ইত্যাদি। এটিবি (অল্টারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ড)-২০১৮ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। কৌশলগত বিনিয়োগকারীদের অন্তর্ভুক্তিতে প্রযুক্তিগত ও ব্যবসায়িক প্রস্তাব বাস্তবায়নের ডিএসইর ব্যবস্থাপনা এবং কৌশলগত বিনিয়োগকারীদের প্রতিনিধিরা যৌথভাবে কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের একটিই লক্ষ ডিএসইকে এ অঞ্চলের মধ্যে নেতৃস্থানীয় স্টক এক্সচেঞ্জে পরিণত করা।

সবার অব্যাহত সমর্থন, গঠনমূলক পরামর্শ নিয়েই সামনের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন সভায় বক্তব্য রাখেন বুলবুল সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এস শাহুদুল হক বুলবুল, আইল্যান্ড সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন, এ্যাংকর সিকিউরিটিজের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ জেড এম নাজিম উদ্দিন, গ্রীনল্যান্ড ইকুইটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম রাজিব আহসান, প্রুডেনসিয়াল সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমাদুল হক, মডার্ন সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খুজিস্তা নূর-ই-নাহরিন, প্রাইলিংক সিকিউরিটিজের চেয়ারম্যান ডা. মো. জহিরুল ইসলাম, মোনা ফাইন্যান্সয়াল সিকিউরিটিজের চেয়ারম্যান আহসানুল ইসলাম টিটু এমপি, রশিদ ইনভেস্টমেন্ট সার্ভিসেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ রশিদ লালী, ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন সার্ভিসেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ডিবিএর সাবেক প্রেসিডেন্ট মোস্তাক আহমেদ সাদেক, কাইয়ুম সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাঈম মো. কাইয়ুম, বালি সিকিউরিটিজের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শফিকুর রহমান এমপি, ডিএসইর পরিচালক ও মিডওয়ে সিকিউরিটিজের চেয়ারম্যান মো. রকিবুর রহমান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here