ডরিণ পাওয়ারের ‘সম্ভাবনা অনেক বেশি’

1
8023

সিনিয়র রিপোর্টার : ‘আমাদের বাস্কেট কিন্তু অনেক ভ্যালুয়্যাবল। এখানে আমানত রাখলে লভ্যাংশ ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি রয়েছে। কারণ, আগের সেই আইপিও নীতিমালা আর নেই। কয়েকধাপে পরিবর্তন হয়ে সুস্থ্য একটা স্থানেে এসেছে। আইপিও নিয়ে এমন মন্তব্য করেন সম্প্রতি বিএসইসি থেকে অনুমোদন পাওয়া ডরিণ পাওয়ার জেনারেশনস অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেড কোম্পানির সেক্রেটারি মাসুদুর রহমান ভুঁইয়া।

কোম্পানি মূল্যায়ন ও টাকা উত্তোলন সম্পর্কে তিনি বলেন, জ্বালানী খাতের কোম্পানি হিসেবে অনেকভাবে টাকা সংগ্রহ করা যায়। অন্যভাবে টাকা উত্তোলন না দেশের পুঁজিবাজারে আইপিও’র মাধ্যমে টাকা সংগ্রহের কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ডরিন পাওয়ারের দেশে একটা অবস্থান রয়েছে। অন্যভাবে অন্যকোন স্থান থেকে ফান্ড পাওয়া যেত। তবে আমাদের সম্মানিত পরিচালক মণ্ডলী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, দেশের পুঁজিবাজার থেকে ফান্ড সংগ্রহ করবেন।

সাধারণ বিনিয়োগকারীর অর্থের নিরাপত্তা সম্পর্কে সম্প্রতি এক সাক্ষাতকারে তিনি স্টক বাংলাদেশকে বলেন, আমাদের কোম্পানি সম্পর্কে প্রসপেক্টাসে সব দেয়া আছে। তারপরেও বলি- বর্তমান সময়ে পাওয়ার সেক্টরে বিনিয়োগ করা অনেক ভালো।

বাজারে তালিকাভুক্তির আগে ‘পুষ্ঠ চেহারা’ সব কোম্পানি উপস্থাপন করলেও পরে সেই চেহারা আর চোখে পড়ে না। এমন কথার বিপরিতে তিনি বলেন, মনে রাখতে হবে, আমি যেখাতে বিনিয়োগ করছি- তা দেশের জন্য কতোটা প্রয়োজনীয়। প্রয়োজনীয় হলে তা অনেকাংশেই নিরাপদ।

এক্ষেত্রে তিনি ওয়ারেন বাফেটের উক্তি ‘তোমার সবগুলো ডিম একটি বাস্কেটে রেখো না’ উল্রেখ করে মাসুদুর রহমান বলেন, আমাদের বাস্কেট কিন্তু অনেক ভ্যালুয়্যাবল। এখানে আমানত রাখলে লভ্যাংশ ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক রয়েছে। কারণ, আগের সেই আইপিও নীতিমালা আর নেই।

এখন আইপিও পেতে অনেক ক্ষেত্র পার হয়ে আসতে হয়। এখন ডিএসই-সিএসইও আলাদাভাবে কোম্পানির সমস্ত কিছু দেখছে। আড়াল করার যে প্রবণতা পূর্বে ছিল, সে সুযোগ এখন আর নেই। আগে প্রশ্নবিদ্ধ করার যেসব স্থান ছিল- এখন তাও আর নেই। তবে বাজার বাজার মন্দা রয়েছে।

মাসুদুর রহমান ভুঁইয়া বলেন, তবে বাজার মন্দাভাবের সঙ্গে কোম্পানির আইপিও নিয়ে মূল্যায়ন এক নয়। যে কারণে বলা যায়- এখন যেসব কোম্পানি আইপিও নিয়ে আসবে, তারা অবশ্যই ভালো কোম্পানি হবে। কেননা, এখন তাদের সব পরীক্ষায় পাশ করে তবেই আসতে হচ্ছে বলে তিনি জানান।

উল্লেখ্য, ডরিণ পাওয়ার জেনারেশনস অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেডের আইপিও আবেদন ৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে চলবে ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে ৫৮ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে।

কোম্পানিটিকে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সাথে ১৯ টাকা প্রিমিয়ামসহ ২৯ টাকা মূল্যে শেয়ার ইস্যুর অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।

কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে, কোম্পানিটির গত ৫ বছরের ওয়েটেড এভারেজ শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৩ টাকা ১৯ পয়সা। ২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ৩৪ টাকা ৮৭ পয়সা।

1 COMMENT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here