টেকসই পুঁজিবাজার গঠনে অর্থমন্ত্রীর প্রস্তাবনায় ডিএসইর অভিনন্দন

0
506

সিনিয়র রিপোর্টার : অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য ৫ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশ করেছেন। পুঁজিবাজারের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি এবং জাতীয় অর্থনীতি আরও গতিশীল রাখতে বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে একগুচ্ছ প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন তিনি।

টেকসই ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে, পুঁজিবাজারের সুশাসন ও প্রণোদনা প্রদান নিয়ে সুপরিকল্পিত কর্মপন্থা এবং ব্যবস্থাপনা কৌশল প্রস্তাব করায় অর্থমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)।

নতুন বাজেটে পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশা অনুযায়ী ২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রস্তাবিত বাজেটে পুঁজিবাজারের সংস্কারমূলক দিকনির্দেশনা ও একগুচ্ছ প্রণোদনা প্রদান করা হয়েছে। যা বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশার সাথে প্রাপ্তির সমন্বয় ঘটিয়েছে বলে জানায় ডিএসই।

প্রস্তাবনাগুলো হলো- স্টক ডিভিডেন্ডের পরিবর্তে ক্যাশ ডিভিডেন্ড প্রদানকে উৎসাহিত করার জন্য কোনো কোম্পানি স্টক ডিভিডিন্ড প্রদান করলে সংশিষ্ট কোম্পানিকে স্টক ডিভিডেন্ডের উপর ১৫ শতাংশ কর প্রদানের বিধান রাখা হয়েছে।

কোম্পানির কোনো আয় বছরে রিটেইনড আর্নিংস, রিজার্ভ ইত্যাদির সমষ্টি যদি পরিশোধিত মূলধনের ৫০ শতাংশের বেশি হয় তবে যতটুকু বেশি হবে তার উপর সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে ১৫ শতাংশ কর প্রদানের বিধান রাখা হয়েছে।

পাবলিকলি ট্রেডেড কোম্পানি থেকে প্রাপ্ত ডিভিডেন্ড আয়ের করমুক্ত সীমা ২৫ হাজার টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ৫০ হাজার টাকায় নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়।

নিবাসী ও অনিবাসী সব কোম্পানির ক্ষেত্রে ডিভিডেন্ড আয়ের উপর একাধিকবার করারোপ রোধ করার বিধান কার্যকর করার প্রস্তাব।

পুঁজিবাজারে কোন রুগ্ন কোম্পানিকে যদি কোন আর্থিক দিক থেকে সবল কোম্পানি আত্মীকরণ করতে চায় সেটা বিবেচনা করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ আশা করে, সরকারের ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনায় অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি এবং জাতীয় অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে। একই সঙ্গে বেসরকারি খাত আরো শক্তিশালী এবং বিকশিত হয়ে দেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি হবে। যা দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আরো বেশি আকৃষ্ট করবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here