স্টাফ রিপোর্টারঃ ২০১৮ সালের মে মাসের তুলনায় জুনে মূল্যস্ফীতির হার কিছুটা কমেছে। জুন মাসে সার্বিকভাবে মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৫৪ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ৫৭ শতাংশ। তবে খাদ্যপণ্যে কমলেও বেড়েছে খাদ্য বহির্ভূত পণ্যে।মঙ্গলবার (৩ জুলাই) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে বিবিএস এর মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, জুন মাসে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৯৮ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৬ দশমিক ৫৬ শতাংশ। আর জুনে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ৮৭ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৪ দশমিক ০৮ শতাংশ।

উল্লেখিত মাসে পরিধেয় বস্ত্র, বাড়ি ভাড়া বিদ্যুৎ, চিকিৎসা সেবা, পরিবহন ও শিক্ষা উপকরণের কিছু পণ্যের দাম গতমাসের চেয়ে বেড়েছে। অন্যদিকে গ্রামাঞ্চলে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও বেড়েছে খাদ্য বহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি। একই চিত্র দেখা যায় শহরেও।

পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, গত ৬ মাস ধরে ধারাবাহিকভাবে মূল্যস্ফীতি কমে আসছে। এটা ভালো দিক। আন্তর্জাতিক বাজারে চিনি, ডাল ও তেলের দাম কমায় মূল্যস্ফীতি কমেছে। চালের দাম বাড়া-কমার মধ্যে আছে। তবে এবার আমাদের বাম্পার ফসল হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here