‘জটিলতায়’ ফ্যাস ফাইন্যান্স

0
600
স্টাফ রিপোর্টার : ফ্যাস ফাইন্যান্সের চার উদ্যোক্তা মালিকানার পুরো অংশ বা পোর্টফলিওতে থাকা সমস্ত শেয়ার বেচার ঘোষণা দিয়েছেন। এছাড়া কোম্পানির আরও তিন উদ্যোক্তা উল্লেখযোগ্য পরিমাণ শেয়ার বেচার ঘোষণা দেন। এই বিপুল পরিমাণ শেয়ার কি কারণে বিক্রি হবে তা জানা যায়নি।
তবে লভ্যাংশ ঘোষণার পরই কোম্পানির বিপুল পরিমাণ শেয়ার বেচার পেছনে কোনো কারণ নেই বলে জানিয়েছেন কোম্পানি সচিব ফেরদৌস জাহান।তবে  সাতজন উদ্যোক্তার বিপুল পরিমাণ শেয়ার বিক্রি করাকে ‘জটিলতা’ হিসেবে দেখছেন অনেক বিনিয়োগকারী।
ফ্যাস ফাইন্যান্সের করপোরেট উদ্যোক্তা নিকিতা অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড রোববার পোর্টফলিওতে থাকা ১ কোটি ৪৩ লাখ ২ হাজার ৮৩৭টি শেয়ারের মধ্যে ৭৩ লাখ ৫৯ হাজার ৭১২টি শেয়ার বর্তমান বাজার দরে আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে বেচার ঘোষণা দিয়েছেন।এ নিয়ে এ কোম্পানির মোট সাত উদ্যোক্তা ১ কোটি ৩৩ লাখ ৩৭ হাজার ৩২৫টি শেয়ার বেচার ঘোষণা দিলেন, যা কোম্পানির মোট শেয়ারের ১১.৯৩ শতাংশ। সোমবার ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সমস্ত শেয়ার বেচার ঘোষণা দিয়েছেন মো. সিরাজুল ইসলাম, মাহমুদুল হক শামিম, এনামুল হক মনজু এবং করপোরেট উদ্যোক্তা বাংলাদেশ ন্যাশনাল কার লিমিটেড।

গত বৃহস্পতিবার ফ্যাস ফাইন্যান্সের চার উদ্যোক্তা নিজ প্রতিষ্ঠানের ২৩ লাখ ৭৫ হাজার ৫৯৫টি শেয়ার বেচার ঘোষণা দিয়েছন। এর মধ্যে শাহনাজ আহমেদ তার পোর্টফলিওতে থাকা ৩১ লাখ ৪৬ হাজার ৬২৩টি শেয়ারের মধ্যে ১৬ লাখ ১৯ হাজার ১৩৬টি শেয়ার বেচার ঘোষণা দিয়েছেন।

এ ছাড়া মো. সিরাজুল ইসলাম, মাহমুদুল হক শামিম এবং এনামুল হক মনজু পোর্টফলিওতে থাকা ফ্যাস ফাইন্যান্সের পুরো শেয়ার যথাক্রমে ২ লাখ ৪২ হাজার ৮৭০টি, ২ লাখ ৭০ হাজার ৭১৯টি এবং ২ লাখ ৪২ হাজার ৮৭০টি শেয়ার বেচার ঘোষণা দিয়েছেন।

এর আগে গত বুধবার ফ্যাস ফাইন্যান্সের সৈয়দ মনোয়ার আলী ও করপোরেট উদ্যোক্তা বাংলাদেশ ন্যাশনাল কার লিমিটেড মোট ৩৬ লাখ ২ হাজার ১৮টি শেয়ার বেচার ঘোষণা দেন। এর মধ্যে বাংলাদেশ ন্যাশনাল কার লিমিটেড পোর্টফলিওতে থাকা পুরো ১৯ লাখ ৮২ হাজার ৮৮২টি শেয়ার বেচার ঘোষণা দিয়েছেন। আর মনোয়ার আলী ১৬ লাখ ১৯ হাজার ১৩৬টি শেয়ার বেচার ঘোষণা দিয়েছেন।

লভ্যাংশ ঘোষণার পরই কী কারণে উদ্যোক্তাদের মধ্যে শেয়ার বেচার হিড়িক পড়েছে? এমন প্রশ্নের জবাবে ফ্যাস ফাইন্যান্সের কোম্পানি সচিব ফেরদৌস জাহান বলেন, শেয়ার বেচার পেছনে কোনো কারণ নেই। বোর্ড মিটিংয়ে বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন হওয়ার আগে থেকে শেয়ার বেচার সিদ্ধান্ত ছিল উদ্যোক্তাদের। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা থাকায় আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন হওয়ার আগে কেউ শেয়ার বেচতে পারেননি। তাই এখন বেচার ঘোষণা দিয়েছেন। আর যারা পুরো শেয়ার ছেড়ে দিচ্ছেন তারা হয়ত ভবিষ্যতে শেয়ার কিনতেও পারেন।

উল্লেখ্য, গত ৮ এপ্রিল ফ্যাস ফাইন্যান্স ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়া অর্থবছরের জন্য ৫.২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে। লভ্যাংশ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট আগামী ২২ এপ্রিল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here