চার কৌশলে বিদেশে অর্থ পাচার

0
1331

স্টাফ রিপোর্টার : আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আড়ালে চার কৌশলে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে অর্থ পাচার হচ্ছে। আমদানি-রফতানিতে ওভার অ্যান্ড আন্ডার ইনভয়েসিং, ওভার অ্যান্ড আন্ডার শিপমেন্ট, পণ্যের মিথ্যা ঘোষণা ও একাধিক ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে অর্থ পাচার হয়। অর্থ পাচার প্রতিরোধের নীতিমালাগুলো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হলেও এগুলো আরও উন্নতির সুযোগ রয়েছে।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) এক গবেষণায় এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

রাজধানীর মিরপুরে বিআইবিএম অডিটোরিয়ামে ট্রেড সার্ভিস অপারেশনস অব ব্যাংকস শীর্ষক রিভিউ কর্মশালায় গবেষণা প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরী। প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন বিআইবিএমের পরিচালক ড. শাহ মোহাম্মদ আহসান হাবীব। গবেষণায় আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে সরকারি ব্যাংকগুলো উদ্বেগজনকভাবে অংশীদারিত্ব হারানোর বিষয়টি উঠে এসেছে।

গবেষণায় বলা হয়েছে, অর্থ পাচার রোধে ব্যাংকগুলোকে আরও বেশি সচেতন হতে হবে। বিশেষ করে আমদানি মূল্য পরিশোধ ও রফতানির পাওনা গ্রহণের ক্ষেত্রে যাচাই-বাছাই করে লেনদেন করতে হবে। এ ছাড়া ট্রেড সার্ভিসের মাধ্যমে কেউ যেন ঋণখেলাপি হতে না পারে সেজন্য যথোপযুক্ত তথ্য সরবরাহ করতে হবে।

এস কে সুর বলেন, বাণিজ্যকেন্দ্রিক অর্থ পাচার ক্রমেই উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধু অর্থ পাচার নয়, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মাধ্যমে অন্যান্য আর্থিক অপরাধও ঘটছে। এসব দিক বিবেচনা করে বাংলাদেশ ব্যাংক কড়া নজরদারি করছে। প্রতিদিনের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের লেনদেন তদারক করা হচ্ছে।

বিআইবিএমের মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমদ চৌধুরী বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ব্যাংকিং সেবা আরও উন্নতির সুযোগ রয়েছে। বাণিজ্যিক নীতিমালার আরও পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে।

পূবালী ব্যাংকের সাবেক এমডি ও বিআইবিএমের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক হেলাল আহমদ চৌধুরী বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে সরকারি ব্যাংকগুলো বেসরকারি ব্যাংকগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছে না। ওভার ইনভয়েসিং ও আন্ডার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে অর্থ পাচার বন্ধ করতে হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here